Link copied!
Sign in / Sign up
0
Shares

গর্ভাবস্থার সময় আপনার স্তনের বিষয়ে ৭টি আশ্চর্যজনক তথ্য


১। অতিরিক্ত বড় হয়ে যায় অথচ দেখতে ভাল লাগেনা

এই সময় আপনার স্তন আয়তনে বৃদ্ধি পাবে যেটা কম করে হলেও এক বা দুই কাপের সাইজের সমান। আপনি এই পরিবর্তনটি গর্ভাবস্থার ষষ্ঠ মাসে লক্ষ্য করবেন এবং তখন আপনার মনে হতে পারে যে মা হওয়া শুধু খুশী ও আনুষ্ঠানিক বিষয় নয়। ক্রমাবর্ধন স্তনের ভারে আপনার পিঠে ব্যাথা হতে পারে। আপনার এতে বিরক্তিও আসবে, ও আপনি চাইবেন যে আপনার স্তন সঙ্কুচিত হয়ে আগের আয়তনে ফিরে যাক। আয়তনে বড় হওয়ার ফলে এই জায়গার চামড়ায় জ্বালার ভাব আসতে পারে, কিন্তু আপনি যদি ভুলে গিয়েও চুলকানোর চেষ্টা করেন, তার প্রতিফল হবে স্ট্রেচ মার্কস্‌ বা প্রসারিত চিহ্ন!


২। কৃষ্ণাভ বর্ণ ও অদ্ভুত দেখতে লাগে

আপনার স্তনবৃন্ত দুটিতে কালচে ভাব আসবে, ও এগুলি আরো বড় হয়ে উঠবে, যাতে শিশুর জন্মের পর তার স্তন্যপানে সুবিধা হয়। কিন্তু আপনার এসব মোটেই পছন্দ হবে না ও সবকিছু খুবই অদ্ভুত লাগবে। এমনকি বুকের শিরাগুলিও আপনার চামড়ার ওপর দিয়ে ফুটে উঠতে পারে, যা আপনার খুবই ভয়ংকর মনে হতে পারে। আপনি মনে মনে ভাবতে পারেন যে নিজের বাচ্চার জন্যে আপনাকে কি কি না সহ্য করতে হয়!


৩। আচমকা স্ফীতির আবির্ভাব

আপনার স্তনবৃন্তের চারিদিকের গাঢ় রঙের অংশগুলিতে স্ফীতির উদ্ভব হবে। এগুলো আকারে খুবই ছোট, আর বাইরে থেকে দ্রিশ্যমান নয়, কিন্তু আপনি এগুলোর উপস্থিতি বুঝতে পারবেন! আসলে এই স্ফীতি হল ছোট ছোট গ্ল্যান্ড যা থেকে তৈলাত্বক পদার্থ নিঃসৃত হয়। যদিও আপনি এটা তেমনভাবে অনুভব করতে পারবেন না, তবুও আপনার অস্বস্তি বোধ হবেই।


৪। অপছন্দকর লিকেজ

গর্ভাবস্থার তৃতীয় মাস নাগাদ, আপনার স্তন কলস্ট্রাম নামক এক চটচটে হলুদ তরল উৎপাদন করে। এটি আপনার শীঘ্রই জন্মগ্রহণ করতে চলা বাচ্চার জন্য খুবই উপকারী। কিন্তু এটি অল্প পরিমাণে আপনার ব্রা বা পরে থাকা কাপড়ের বুকের অংশে লিক করতে থাকবে, যা আপনার পক্ষে বিরক্তিকর হয়ে উঠতে পারে। সন্তানকে জন্ম দেওয়া সত্যিই হেলাফেলার কাজ নয়।


৫। অধিক নম্র ভাব

আপনার স্তনে অনেক সময় ব্যথা হবে বা নম্রতার অনুভূতি হবে। এটা গর্ভাবস্থার পুরো সময় ধরে চলবে, এবং শিশুর স্তন্যপানের সময়েও থাকতে পারে। আপনার হয়ত মনে হবে যে আপনাকে জীবনদানের জন্য শাস্তি দেওয়া হচ্ছে, কিন্তু আসলে এই সমস্যাটা অনেকেরই হয়। এই বেদনার ভাব কমানোর জন্য সহজলভ্য অনেক বস্তু আছে, তাই এই বিষয়ে চিন্তা করবেন না।


৬। অসমতার কারণ বোঝা মুশকিল

হ্যাঁ দুটি স্তন সবসময় সমান আকৃতির হয় না, কিন্তু গর্ভাবস্থার সময় দুটির মধ্যে তফাৎ অনেকটা বেড়ে যেতে পারে। কোন কোন সময় আপনার বাচ্চা একদিকের স্তনটিকে প্রাধান্য দিতে পারে, কিন্তু এর জন্য মাতৃদুগ্ধের সৃষ্টিতে অসমতা দেখা দেয়। এর সমাধান হল সবসময় অধিক ছোট স্তনটি বাচ্চাকে খাওয়াতে। এটি ভাবতে ভয়ানক লাগে, কিন্তু এর সমাধান সহজ।


৭। মাতৃদুগ্ধের সম্পূর্ণ নিষ্কাশন

একেই আপনার স্তনের ওপর নানা জায়গায় স্ফীতির সৃষ্টি হতে পারে যা হয়তো আপনার শাস্তি হিসেবে যথেষ্ট মনে হয়েছিল, তার ওপর বাচ্চা যদি স্তন্যপান না করতে চায় তো সমস্যা আরো বেড়ে যাবে। আপনাকে সাবধান হিসেবে ভাবতে হবে যে বাচ্চা যেন পুরো পুষ্টি নেয়, নাহলে বাকিটা আপনাকে নিজেই নিষ্কাশ করতে হবে, যাতে এই বেদনাদায়ক অবস্থার সৃষ্টি না হয়।

হ্যাঁ, গর্ভাবস্থার সময় আপনার জন্য খুবই যন্ত্রণাদায়ক ও কঠিন সময় হতে পারে, কিন্তু মনে রাখবেন যে আপনি এক নতুন জীবনের সৃষ্টি করতে চলেছেন। আপনার বাচ্চা যখন তার হৃদয় গলিয়ে দেওয়া হাসিটি হাসবে, তখন আপনি সব কষ্ট ভুলে যাবেন।

Click here for the best in baby advice
What do you think?
0%
Wow!
0%
Like
0%
Not bad
0%
What?
scroll up icon