Link copied!
Sign in / Sign up
8
Shares

ঘাড়ের কালো ছোপ দূর করবেন কিভাবে?

মুখের ত্বক ফর্সা হলেও ঘাড়ের ত্বক কালো! যাই করুন না কেন এই পার্থক্য চোখে পড়ার মতো। ঘাড়ে অনেক বেশি ঘাম হয় তাই এটি মুখের ত্বকের থেকে বেশি কালো হয়ে যায়। তবে বিশেষ যত্ন নিলেই ঘাড়ের ত্বক ব্রাইট করা সম্ভব। সেক্ষেত্রে প্রাকৃতিক উপাদান সবচেয়ে ভালো উপাদান।

ঘাড়ের ত্বক ফর্সা করতে যা লাগবে

১ টেবিল চামচ এক্সট্রা ভার্জিন কোকোনাট অয়েল

১/২ টেবিল চামচ বেকিং পাউডার

১ টেবিল চামচ কফি গ্রেড করা

১/২ ভিটামিন সি ট্যাবলেট

কি করবেন:

প্রথমে একটি পাত্রে কোকোনাট অয়েল নিন। এতে পরিমাণ মতো গ্রেডেড কফি ভালোভাবে মিক্স করে নিন। এবার এই মিশ্রণে বেকিং পাউডার দিয়ে আবার মিক্স করুন। এবার ভিটামিন সি ট্যাবলেট গুঁড়ো করে নিন। ব্যস তৈরি হয়ে গেল নেক ব্রাইটেনিং স্ক্রাব। এই স্ক্রাবটি আলাদা করে রেখে দিন।

প্যাক তৈরী:

১ চা চামচ অ্যালোভেরা জেল

১/২ চা চামচ হলুদ গুঁড়া

১ চা চামচ কোকোনাট মিল্ক

১/২ চা চামচ লেবুর রস

আগের মতই আরেকটি পাত্রে কোকোনাট মিল্ক, হলুদ গুঁড়া এবং লেবুর রস মিক্স করে নিন। এবার এতে অ্যালোভেরা জেল দিয়ে ভালোভাবে মিক্স করুন।থিক পেস্টের মতো চাইলে আপনি ব্লেন্ডারে সব উপকরণ দিয়ে মিক্স করে নিন।

কি ভাবে ব্যবহার করবেন

১. গরম জলেএকটি টাওয়েল ভিজিয়ে নিন। এই টাওয়েল পুরো ঘাড়ে পেঁচিয়ে নিন। এভাবে রাখবেন ৫ থেকে ৭ মিনিট। এতে করে পোরগুলোর মুখ খুলে যাবে এবং ভেতর থেকে ময়লা বের করে আনতে সাহায্য করবে।

২. এবার আগে থেকে বানিয়ে রাখা স্ক্রাব পুরো ঘাড়ে ভালো করে লাগিয়ে নিন। ১০ মিনিট সার্কুলার মোশনে ম্যাসাজ করতে থাকুন। খুব বেশি প্রেশার দিয়ে ম্যাসাজ করবেন না এতে করে স্কিন ড্যামেজ হতে পারে। ১০ মিনিট ম্যাসাজের পর হালকা গরম জল দিয়ে ঘাড় ধুয়ে শুকিয়ে নিন।

৩. এবার প্যাক শুকনো গলা এবং ঘাড়ে ব্রাশের সাহায্যে লাগিয়ে নিন। শুকাতে সময় দিন। ১৫ বা ২০ মিনিট পরে শুকিয়ে গেলে আবার হালকা গরম জল দিয়ে প্যাক তুলে ফেলুন।

৪. পরিষ্কার গলায় এবার ময়েশ্চারাইজার লাগিয়ে নিন। এভাবে পুরো প্রক্রিয়াটি প্রতি সপ্তাহে ১ বার করে করুন। তারপর পার্থক্য চোখে পড়তে শুরু করবে।

স্ক্রাবারের কার্যকারিতা

বেকিং পাউডার

স্কিন এক্সফলিয়েটর হিসেবে দারুণ একটি উপাদান বেকিং পাউডার। বেশির ভাগ সময় স্কিন কেয়ারের ক্ষেত্রে বেকিং সোডার ব্যবহার করার কথা বলা হয়ে থাকলেও বেকিং সোডা ত্বকের জন্য খুবই ক্ষতিকর। সেদিক থেকে বেকিং পাউডার ভালো।

কফি

সুকনো ত্বক কে প্রাণবন্ত করে তুলতে কফি বেশ কার্যকরি। এটি প্রচুর অ্যান্টি-অক্সিডেন্টস উপাদানে সমৃদ্ধ। সূর্যের ক্ষতিকর রশ্মি থেকে ত্বককে রক্ষা করে। এর নিয়মিত ব্যবহারে ত্বক উজ্জ্বল হয়ে ওঠে।

ভিটামিন C

ভিটামিন C ত্বক ফর্সা হবে এমন উপাদানে সমৃদ্ধ। এটি ত্বককে ভেতর থেকে উজ্জ্বল এবং ফর্সা করে তুলতে সাহায্য করে। এতে থাকা অ্যান্টি-এজিং প্রপার্টিজ ত্বক বুড়িয়ে যাওয়া থেকে রক্ষা করে। এছাড়াও ত্বকের পিগমেন্টেশন কমানোর সাথে সাথে ডার্ক স্পট এবং সান বার্ন কমাতেও সাহায্য করে।

নারকেল দুধ এবং নারকেল তেল

নারকেল দুধ এবং নারকেল তেল এই দুটি ক্লিঞ্জার হসেবে বেশ ভালো কাজ করে। এই দুটি উপকরণ ত্বককে ভেতর থেকে পুষ্টি দিয়ে থাকে। নারকেল তেল ত্বকে ন্যাচারাল গ্লো এনে দেয়।

অ্যালোভেরা জেল

অ্যালোভেরা জেল ত্বককে হাইড্রেড করে এবং এতে থাকা প্রাকৃতিক কুলিং এজেন্ট ত্বকে প্রাণ ফিরিয়ে আনতে সাহায্য করে।

লেবু

ত্বক বুড়িয়ে যাওয়া, ডার্ক স্পট এবং পিগমেন্টেশনের মতো সমস্যার বিরুদ্ধে কাজ করে। ত্বককে প্রাকিতিক ভাবে ফর্সা করতে সাহায্য করে লেবু। এছাড়াও ঘাম নিয়ন্ত্রণের সাথে সাথে ত্বককে ফ্রেশ রাখতে সাহায্য করে।

হলুদ

হলুদে থাকা অ্যান্টি-ব্যাক্টেরিয়াল উপাদান ব্রণের সমস্যা কমায় প্রাকিতিক ভাবে। ত্বকের বয়স ধরে রাখতে এবং ত্বক টানটান রাখতে সাহায্য করে।

এই পুরো প্রক্রিয়াটি আপনার কালো ঘাড়কে ফর্সা করতে সাহায্য করবে। তবে কমপক্ষে ২ মাস নিয়মিত ব্যবহার করুন। এখানে যেহেতু সব প্রাকৃতিক উপাদান ব্যবহার করা হয়েছে তাই চাইলে আপনি এটি ব্যবহার করতে পারেন।

Click here for the best in baby advice
What do you think?
0%
Wow!
0%
Like
0%
Not bad
0%
What?
scroll up icon