Link copied!
Sign in / Sign up
6
Shares

ফুচকা! বলতে গেলে বাঙালিদের প্রাণ, এটির সম্পর্কে জানুন


আমাদের সবার কাছে এই খাবারটি অত্যন্ত প্রিয়। কিন্তু এই খাবার সম্পর্কে এমন অনেক কিছু জানার প্রয়োজন। সারা পৃথিবীর প্রতিটি মানুষের কাছে সে ছোট হোক কিংবা বড় এই খাবার অত্যন্ত জনপ্রিয়!

ফুচকা,

এই নাম শুনলে আমাদের মন আনন্দে ভোরে ওঠে এবং তার সাথে আসে জিভে জল। মুচমুচে গোলাকার বলের মধ্যে আলুর পুর ভরে, তার মধ্যে তেঁতুল জল দিয়ে শুধু মুখে দেবার অপেক্ষায়। উফফ সত্যি কোনো কিছু সাথে কি তুলনা করা যায়?

আমাদের কাছে এটি এত প্রিয় খাদ্য তবুও ফুচকা সম্পর্কে এমন অনেক কিছু আমাদের অজানা। কিন্তু আমরা এটি সম্পর্কে কিছু বিবরণ জানাচ্ছি? ভারত সহ সমগ্র মহাদেশের বিখ্যাত জনপ্রিয় কাহিনীগুলির।

ফুচকার অনেক নাম গোলগাপ্পা, ফুলকি, টিক্কি, পানি কে বাতাসে, ফুচকা, গুপচুপ, বাতাসি, পাকাডা, পানিপুরি কিংবা পাকোরি সহ নানা নাম। এ সব নামের পেছনে কারণ আছে, যেমন গোলগাপ্পার নামকরণ গোল ফুচকাকে একেবারে মুখে পুরে নেওয়ার কারণে হয়েছে। আবার পানিপুরি বলা হয় ফুলন্ত মচমচে পুরির ভেতর টক-ঝাল-মিষ্টি জল দিয়ে খাবার কারণে। পানিপুরির উদ্ভব হয়েছিল দক্ষিণ বিহারে।

আমাদের অন্য এক প্রিয় খাবার লুচি বা পুরির ক্ষুদ্র আকার ফুচকাতে পরিণত হয়েছে। পরবর্তী সময়ে মোগলাই খাবারের সংস্পর্শে এসে সাধারণ শক্ত লুচি পরিণত হয় মশলাদার-রসালো গোলগাপ্পা, যা ফুচকা নামে পরিচিত।

রাজস্থানে ও উত্তর প্রদেশে এই খাবার ‘পাতাসি’ নামে পরিচিত এই খাবারকে তামিলনাড়ুতে পানিপুরি নামে ডাকা হয়। তবে পাকিস্তান, নয়াদিল্লি, জম্মু-কাশ্মীর, হরিয়ানা, ঝাড়খণ্ড, বিহার, মধ্যপ্রদেশ ও হিমাচল প্রদেশে এর নাম গোলগাপ্পা। তেলেঙ্গানা, উড়িষ্যা, ছত্তিশগড়, হায়দরাবাদের অনেক অঞ্চলে একে বলে গুপচুপ। কিন্তু নেপালে এবং শ্রীলঙ্কায় এই খাবার ফুলকি নামে। ফুচকাকে দক্ষিণ এশীয় খাবার বলে জানা হয়।

বিভিন্ন নামের পরিবর্তনের সাথে এটি খাবার প্রকারের পার্থক্য লক্ষ্য করা যায়। তার সাথে পার্থক্য হয় পুর তৈরিতে। নানা জায়গায় আলুর পুর, সবজির পুর, স্যালাডের পুর, ঘুঘনির পুর কিংবা মিশ্রিত টক ও মিষ্টি জল ব্যবহৃত হয়। কোনও কোনও এলাকায় ঝালের পরিবর্তে মিষ্টি জাতীয় পুরও ব্যবহার করা হয়। অনেক জায়গায় তেঁতুল জলের পরিবর্তে দেখা যায় ধোনে পাতার চাটনি, পুদিনা মিশ্রিত জল, লেবুর জল কিংবা মিষ্টি খেজুর বা চিনির জল। এছাড়া দইয়ের সাথে, বাদাম, পেঁয়াজ, নানা প্রকারের চানাচুর, এর সাথেও ফুচকা খাওয়ার প্রচলন আছে।

দেশ-বিদেশের নানা ব্লগ, এবং খাবার সংক্রান্ত অনুষ্ঠানগুলোতে ফুচকার কথা উঠে এসেছে বার বার। “টিএলসি” এবং “ফক্স ট্রাভেলার”-এ বহু অনুষ্ঠানে ফুচকাকে আখ্যায়িত করা হয়েছিল ‘আ কমপ্লিট বেঙ্গলি স্ট্রিটফুড’ হিসেবে।

গবেষণায় ফুচকার ব্যাপারে মজাদার এক তথ্য উঠে এসেছে আর তা হলো ফুচকার স্বাদ খুব দ্রুত মুখের স্বাদ কোরকগুলোতে সঞ্চারিত হয় যার ফলে মন খারাপ থাকলে তা সহজেই ভাল হয়ে যায়। তাই আপনার যদি খুব মন খারাপ হয় তবে ফুচকা খান।

Click here for the best in baby advice
What do you think?
0%
Wow!
0%
Like
0%
Not bad
0%
What?
scroll up icon