Link copied!
Sign in / Sign up
1
Shares

হঠাৎ ফ্রিজ খারাপ হয়ে গেলে কিভাবে সামাল দেবেন?


এই টিপসগুলো প্রতিটিই পরখ করে দেখুন। কারণ ফ্রিজ নষ্ট হবার দুর্ঘটনা আপনার জীবনে বেশ কয়েকবার ঘটবে। কাজে লাগিয়ে দেখতে পারেন, উপকারে আসবে আপনারও।

১) ফ্রিজটি নষ্ট হয়ে গেছে বা আর ঠাণ্ডা হচ্ছে না, এই ব্যাপারটা বোঝা মাত্র ফ্রিজের সুইচ বন্ধ করে দিন। বারবার অন-অফ করে ফ্রিজকে চালানোর চেষ্টা করবেন না। এতে কম্প্রেসারের মারাত্মক ক্ষতি হয়। ফ্রিজ বন্ধ করে অপেক্ষা করুন মেকানিক আসা পর্যন্ত।

 

২) ফ্রিজ নষ্ট হওয়ার সাথে সাথেই ডিপ ফ্রিজের সবকিছু বের করার জন্য ব্যস্ত হয়ে পড়বেন না। ফ্রিজ বন্ধ হয়ে যাওয়ার পরও ডিপ ফ্রিজের ঠাণ্ডা অনেকক্ষণ ঠিক থাকে। আপনি যদি ফ্রিজের দরজা না খোলেন, তাহলে জমাট বাঁধা মাছ-মাংস ৮/১০ ঘণ্টাতেও একেবারে অবিকৃত জমাট বাঁধাই থাকবে। তাই ডিপ ফ্রিজের জিনিস সংরক্ষনের জন্য বেশ অনেকটা সময় পাবেন।

৩) ফ্রিজে রান্না করা খাবার দাবার যা আছে, সেগুলো বের করে নিন কারণ সবচাইতে দ্রুত নষ্ট হবে এগুলোই। প্রতিটি খাবার ভালোকরে গরম করে রাখুন। খাবার টগবগ করে ফুটে উঠেছে, এমনভাবে গরম করবেন। একবার গরম করলে ৮/১০ ঘণ্টা পর্যন্ত রাখা যাবে। এর মাঝেই খেয়ে ফেলুন।

৪) ভাত জাতীয় খাবার গরম করলে কাজ হবে না। ভাতে হয় জল দিয়ে পান্তা ভাত বানিয়ে রাখুন। নতুবা উচ্চ চাপে ভাত ভাজা করে ফেলুন। পোলাও বিরিয়ানি হলে উচ্চ তাপে গরম করে নিন।

৫) সবজিগুলো বের করে ভালো করে মুছে নিন। যেন গায়ের সাথে জল না থাকে। তারপর অল্প একটু রোদে মেলে দিন জল পুরোপুরি টেনে যাওয়ার জন্য। জল শুকিয়ে গেলে ছায়াময় ঠাণ্ডা স্থানে রেখে দিন।

৬) একটি বাটিতে জল নিন, তারপর সস-মাখন-জ্যাম-জেলীর পাত্রগুলো অর্ধেকটা করে ডুবিয়ে এতে রেখে দিন। পাত্রটি ঠাণ্ডা স্থানে রাখুন।

৭) ডিমকে জলের মাঝে ডুবিয়ে ঠাণ্ডা স্থানে রেখে দিন।

৮) শাক বা এমন পাতা জাতীয় খাবারকে একটু খানি জলের ছিটা দিয়ে রাখুন।

৯) এরপর আসে মাছ ও মাংসের পালা। মাছের বরফ গলে গেলে ধুয়ে হলুদ মেখে রাখতে পারেন। এতে আরও কয়েক ঘণ্টা মাছ ভালো থাকবে। তবে সবচাইতে ভালো হয় তেলের মাঝে ডুবোতেলে কড়া করে ভেজে রাখলে। এতে ২৪ ঘণ্টা পর্যন্ত মাছ ভালো থাকবে। এরপর রান্না করে রাখলে আরও ৭/৮ ঘণ্টা ভালো থাকবে। ফ্রিজ ঠিক হলে এই ভাজা মাছ আবারও ফ্রিজে রাখতে পারবেন।

১০) মাংস ভুনা ভুনা করে রান্না করে ফেলুন। দিনে দুবার মাংস জ্বাল দিয়ে রাখলে বেশ কয়েকদিন পর্যন্ত ভালো থাকবে। রান্না করতে না চাইলে হলুদ, লঙ্কা, আদা , রসুন দিয়ে জ্বাল দিয়ে রাখুন। এটাও দিনে দুবার জ্বাল দিতে হবে। 

১১) পায়েস ফিরনী ইত্যাদি খাবার ফ্রিজে থাকলে সেগুলোও পুনরায় জ্বাল দিয়ে ফেলুন।

Tinystep Baby-Safe Natural Toxin-Free Floor Cleaner

Dear Mommy,

We hope you enjoyed reading our article. Thank you for your continued love, support and trust in Tinystep. If you are new here, welcome to Tinystep!

We have a great opportunity for you. You can EARN up to Rs 10,000/- every month right in the comfort of your own HOME. Sounds interesting? Fill in this form and we will call you.

Click here for the best in baby advice
What do you think?
0%
Wow!
0%
Like
0%
Not bad
0%
What?
scroll up icon