Link copied!
Sign in / Sign up
38
Shares

আপনার স্বামীকে কখনও এই কথাগুলি বলেন না তো?

 


১. “তোমার মা...”

এটা সত্যি যে আপনার শাশুড়ির অনেক দশ ত্রুটি থাকতে পারিজা আপনার খুবই বিরক্তিকর লাগে এবং আপনি হয়তো কথায় কথায় আপনার স্বামীকে তার নাম নালিশ করতে যান, কিন্তু ইটা ভুলে গেলে চলবেনা যে উনি আপনার স্বামীর মা। আপনার স্বামী আপনাকে যতই ভালবাসুক না কেন বা দুঃসময় যতই আপনার পাশে থাকুন না কেন, এই ধরণের উক্তি বা মুহূর্ত তিনি কখনোই বরদাস্ত করতে পারেননা।

 

২. “তুমি পারোনা।….”

আপনি যেহেতু মা, তাই শিশুর সাথে যুক্ত যেকোনো বিষয়ে আপনার চেয়ে সেরা ভূমিকা হয়তো সত্যিই কেউ নিতে পারবেনা এবং আপনি শিশুর সবচেয়ে বড় রক্ষক। কিন্তু তা বলে আপনার স্বামী অর্থাৎ তার বাবা যে কিছু পারেনা, এই ধারণাটি সোমপুর ভুল নয় কি? হয়তো আপনার মতো করে শিশুকে যত্ন নেওয়া, খাওয়ানো, স্নান কোরানো বা তার ডাইপার বদল করতে উনি অত বেশি সক্ষম নন, কিন্তু উনি এমন কিছু পরিস্থিতিতে আপনাদের পাশে সরক্ষন থাকেন যা হয়তো আপনি সরাসরি বুঝতে পারেননা। ফলে উনি যে কিছু পারেননা ইটা মনে মনে ভাবলেও ওনাকে বলা ঠিক নয় কারণ সন্তানটি ওনারও।

 

৩. “আমি বাপের বাড়ি চলে যাব…”

ভুল বোঝাবুঝি স্বামী স্ত্রীর মধ্যে একটি সাধারণ ব্যাপার কিন্তু যেকোনো প্রকার ভুল বোঝাবুঝি হলে তাকে বাপের বাড়ি চলে যাওয়ার বা তাকে ছেড়ে চলে যাওয়ার ধমকি দেওয়া মোটেও সঠিক নয়। কাজেই চলে যাওয়ার কথা না ভেবে না চলে না গিয়ে, স্বামীর সাথে সরাসরি বসে কথা বলুন। তাতে ভুল বোঝাবুঝি সহজেই মিতে যায়. মনে রাখবেন আপনার মতো ওনারও কিন্তু আবেগ আছে।

 

৪. “তুমি আমার খেয়াল রাখোনা ..…”

এই ধরণের উক্তি উনি হয়তো আপনি হয়তো আপনার স্বামীকে বহুবার বলে ফেলেছেন। হয় সেটা যখন উনি আপনাকে নিয়ে বেড়াতে বেড়িয়েছেন বা আপনার জন্যে কোনো জিনিস কিনে এনেছেন এবং আপনার পছন্দ হয়নি। ভুল মানুষ মাত্রই হয়ে থাকে এবং শুভ এতেই হয় যদি তা ভুলে যাওয়া হয়। তার মানে এই নয় যে উনি আপনার খেয়াল রাখেননা বা আপনি এই ধরনের উক্তি করবেন।

 

৫. “আগের মতো কিছুই আর নেই….”

পরিবর্তন সর্বদাই সবকিছুতে হয়ে থাকে এবং কোনোকিছুই স্থিতিশীল নয়। সন্তান জন্মের পর অনেকসময় আপনাদের আগের মতো সময়কাটানো বা একসাথে বেরোনো হয়ে ওঠেনা, কিন্তু এর জন্যে কখনোই আপনি আপনার নিরাশা এই ধরণের উক্তি দিয়ে স্বামীর কাছে স্বীকার করবেননা। বরং এর থেকে বেরিয়ে আসার জন্যে কখনো মা বা শাশুড়ির কাছে আপনার সন্তানকে রেখে স্বামীর সাথে ঘুরে আসতে পারেন। মনে রাখবেন যেই মা বা শাশুড়ি আপনাকে বা আপনার স্বামীকে ছোট থেকে বড় করেছেন তিনি সমান খেয়াল রেখেই আপনার সন্তানকেও যত্ন নিতে পারবেন এবং আপনিও পুনরায় আপনার সঙ্গীর সাথে সেই মুহূর্তগুলো ফিরে পাবেন।

 

৬. “কোথায় ছিলে তুমি?.............”

স্বামী কখনো কাজের জায়গা থেকে দেরি করে ফিরলে এবং আপনি যখন সারা সন্ধ্যে তাঁর জন্যে অপেক্ষা করে থাকেন, তখন আপনার মেজাজ এতটাই খারাপ থাকে যে এই ধরণের প্রশ্ন করে ফেলাটা স্বাভাবিক এবং এই প্রশ্নটা না করে থাকায় যায়না। তবে আমাদের উপদেশ একটাই যে ওই সময় একটু ধৈর্য ধরে রাখুন এবং অপেক্ষা করুন। আপনার স্বামী নিজে থেকেই বলবেন ওনার দেরি হওয়ার কারণ কি। এতে আপনিও আপনার প্রশ্নের উত্তর পেয়ে যাবেন এবং আপনার স্বামীরও কোন তিক্ততা আসবেনা।

Click here for the best in baby advice
What do you think?
0%
Wow!
0%
Like
0%
Not bad
0%
What?
scroll up icon