Link copied!
Sign in / Sign up
8
Shares

দূষণ থেকে বাঁচাতে মাস্ক কতটা কাজ করে? জানতে চান সত্যিটা?


আজকের দিনের নগর জীবনে দূষণের কবল থেকে পালিয়ে যাওয়ার বোধহয় কোনও উপায়ই নেই। আমাদের দর্শনীয় প্রিয় শহর গুলো আজ দূষণের কবলে। হু(WHO) এর সবচেয়ে দূষিত শহরের তালিকায় একে একে ঢুকে পড়ছে সেই সব শহরের নাম। একে তো প্রতিদিনের দূষণে রক্ষা নেই, তার উপর এই দূষণের মাত্রা এক ধাক্কায় অনেকটাই বেড়ে যায় দেওয়ালির মত উৎসবের রাতে। তথ্য বলছে ২০১৭ র নভেম্বরে দেওয়ালির সময় দিল্লি, কলকাতা,মুম্বাই, লখনৌ,এলাহাবাদ সহ বহু শহরে দূষণ পৌঁচেছে পিএম (পার্টিকুলেট ম্যাটার) ২.৫ ও পি এম ১০-এর মাত্রার অনেক উঁচুতে। যার অর্থ হল বাতাসে ২.৫ মাইক্রন বা তার চেয়েও কম ব্যসার্দ্ধের ক্ষুদে কণার পরিমান বেড়ে গেছে বহু পরিমানে। আর বিপদের কারণটা হল যে এই অতি ক্ষুদে কণাগুলো শ্বাসনালীর ভেতর দিয়ে ফুস্ফুসের মধ্যে প্রবেশ করে সংকট তৈরি করে।

শহরে মূলত জ্বালানি, যানবাহনের ধোঁয়া থেকে এই দূষণ হয়। কাঠ, তেল, কয়লা পুড়েও বাড়ে এই বাতাসের বিষ। আর এর মধ্যে দিনের পর দিন বসবাস করেই বাড়তে থাকে শ্বাসকষ্ট, হাঁপানি, ফুসফুসের সংক্রমনের মত ঘটনা।

মাস্ক কতটা কাজের?

আর এই বিপদের হাত থেকে বাঁচতে অনেকেই ব্যবহার করেন মাস্ক। অফিস বা অনান্য কাজে যাওয়া মানুষ, স্কুল- কলেজে যাওয়া ছাত্র-ছাত্রী থেকে ব্যবসায়ী-দোকানদার পরে নিচ্ছেন এই ধরণের মাস্ক। মহিলারাও এখন দোকান-বাজার বা শপিং করতে গেলে মাস্ক ব্যবহার করছেন। কিন্তু সত্যিই কী সঠিকভাবে কাজ করে এই মাস্ক? আসলে এর এক কথায় উত্তর হয় না। বাজারে যে সব চলতি বা সস্তার মাস্ক পাওয়া যায় তাতে এই দূষণ রোখার কোনও কাজই হয় না। এজন্য আপনাকে কিনতে হবে তিনটি স্তর বিশিষ্ট মাস্ক। এই এন ৯৫ বা এন ৯৯ জাতীয় মাস্কের দামও যথেষ্ট। এক একটি মাস্কের দাম পড়বে প্রায় ৭৫০ টাকার মত। তবে এত দাম দিয়ে মাস্ক কিনে আপনি তা ব্যবহার করতে পারবেন মাত্র ৩ থেকে ৪ মাসের জন্য। সমস্যা আরও আছে। তিন স্তর বিশিষ্ট এই মাস্ক ব্যবহার করলে শ্বাস নিতে বেশ সমস্যাও হয়। তার থেকেও বড় কথা এই যে এই সব মাস্ক ২.৫ ও পি এম ১০-এর মাত্রার ক্ষুদে কণা রুখতে অনেকক্ষেত্রেই সঠিকভাবে কাজ করে না।


আপনার ঘর কতটা নিরাপদ?

তবে এ তো গেল বাইরের ব্যাপার। আপনার ঘরও কিন্তু দূষণ থেকে মুক্ত নয়। আপনি কী জানেন আপনার রান্নাঘর থেকেই তৈরি হচ্ছে বিষ।যেমন রান্না করার সময় অন্য সব গ্যাসের সঙ্গে উৎপন্ন হয় কার্বন মনো অক্সাইড, নাইট্রোজেন ডাই অক্সাইড জাতীয় ক্ষতিকর যৌগ। আপনি বাড়িতে চিমনি বা বাইরে ধোঁয়া বেরোনোর মেশিন লাগালেও এগুলো দূর হয় না। শুধু এগুলোই নয়, আপনার ঘরের মেঝেতে, আসবাবে, দেওয়ালে প্রচুর ধুলো জমে থাকে যা সাধারণভাবে পরিষ্কার করলেও যায় না। পোষা প্রাণীর দেহ থেকেও দূষণ ছড়াতে পারে আপনার ঘরের ভেতর।

তাহলে করণীয় কী?

সঠিকভাবে দেখতে গেলে মাস্কের আসল ব্যবহার হয় শিল্পক্ষেত্রে বা পেশাগত ভাবে খারাপ পরিবেশে কাজ করার জন্যে। শহরের দূষণ থেকে নিজেকে বাঁচাতে মাস্কের ব্যবহার মোটেই বিজ্ঞানসম্মত নয়। আর আসল সমস্যার দিকে নজর না দিয়ে লক্ষ লক্ষ মানুষ মাস্ক ব্যবহার করবে এট বাস্তবসম্মতও নয়। এজন্য প্রয়োজন দূষণমুক্ত পরিবেশ। শহরের দূষণ মুক্তি ঘটানোটা একটা বড় উদ্যোগ। এতে প্রশাসনের পাশাপাশি আপনার আমার উদ্যোগ নেওয়া প্রয়োজন। কিন্তু এর পাশাপাশি আপনি দূর করুন ঘরের দূষণও। কারণ দিনের মধ্যে ১৪- ১৫ ঘন্টা আপনি কাটান ঘরের মধ্যেই।

সমাধানটা কী?

ঘরের দূষণ কমাতে আমাদের বেশ কয়েকটি নিয়ম মেনে চলতে হবে। যেমন এমন জ্বালানি ব্যবহার করুণ যাতে ধোঁয়া কম হয়। বাড়িতে রুম ফ্রেশনার ও পারফিউমের ব্যবহার কমিয়ে দিন বা পারলে বন্ধ করে দিন। কারণ এর মধ্যে থাকা রাসায়নিক ফুসফুসের ক্ষতি করে। ঘরের মধ্যে ধূমপান- সকলের কথা ভেবে বন্ধই করে দিন।

রান্নাঘরের দূষণ কমাতে বাড়িতে অবশ্যই চিমনি বা বাইরে ধোঁয়া বেরোনোর মেশিন লাগান। কিন্তু জ়েনে রাখুন এটাই সব নয়।এর সঙ্গে আপনাকে লাগাতে হবে এয়ার পিউরিফায়ার। এর কাজ হল ঘরের ভেতর জমে থাকা টক্সিন বা দূষিত বিষাক্ত পদার্থগুলোকে বের করে দেওয়া। এয়ার পিউরিফায়ার শুধু এগুলোই নয়, আপনার ঘরের মেঝেতে, আসবাবে, দেওয়ালে প্রচুর জমে থাকা ধুলো, পোষা প্রাণীর দেহ থেকে হওয়া দূষণেও লাগাম টানতে পারে। এটা লাগালেই বুঝবেন আপনার ঘর হয়ে উঠেছে ফ্রেশ, বাতাস হয়ে উঠেছে হালকা।

তবে বাজারে অনেক কোম্পানির এয়ার পিউরিফায়ার আছে। সত্যিকারের ভাল কাজের নিরিখে আমরা আপনাকে পরামর্শ দেব ডা. এরোগার্ড ( Dr. Aeroguard) এর এয়ার পিউরিফায়ার ব্যবহার করতে। এতে আছে এইচ ই পি এ ফিল্টার, দুর্গন্ধ মুক্ত করার ফিল্টার, ডাস্ট ফিল্টার, এলার্জি ফিল্টার ইত্যাদি। রয়েছে থেরাপিউটিক ফিল্টার – যা ঘরের ভেতর ভিটামিন সি ছড়িয়ে দেয়।এছাড়াও শরীরকে চনমনে আর তাজা রাখতে এই ফিল্টার থেকে বের হয় নেগেটিভ আয়ন,সিল্ভার আয়ন,ডিয়াট্মস আর ভিটামিনস। ডা. এরোগার্ড ফিল্টারের নানা মডেল আর গুণাগুণ জেনে নিন এখান থেকে। 

Tinystep Baby-Safe Natural Toxin-Free Floor Cleaner

Dear Mommy,

We hope you enjoyed reading our article. Thank you for your continued love, support and trust in Tinystep. If you are new here, welcome to Tinystep!

We have a great opportunity for you. You can EARN up to Rs 10,000/- every month right in the comfort of your own HOME. Sounds interesting? Fill in this form and we will call you.

Click here for the best in baby advice
What do you think?
0%
Wow!
0%
Like
0%
Not bad
0%
What?
scroll up icon