Link copied!
Sign in / Sign up
3
Shares

ডায়েরি লেখা ভাল অভ্যেস! কেন?

অনেকেরই ডায়েরি লেখার অভ্যেস আছে। আবার অনেকের তা ভাল লাগলেও লেখার সময় থাকেনা। মানুষ নানা রকম ভাবে ডায়েরি লেখে। কেউ প্রতিদিন এক ফাঁকে বসে সারাদিনের যাবতীয় খুঁটিনাটি লিখে রাখতে ভালোবাসেন, কেউ আবার বিশেষ কিছু মুহূর্ত বা ক্ষণকে ধরে রাখতে ভালোবাসে। কেউ প্রতিদিন নাও বসতে পারেন, কিন্তু বিশেষ বিশেষ মুহূর্তে বসে বিশেষ স্মৃতিগুলি লিখে রাখতে ভালোবাসেন। জীবনের কোনো বিশেষ ভালোলাগার মুহূর্ত বা খুব কষ্ট বা আঘাত পাওয়ার মুহূর্তগুলো ডায়েরিতে লিখে রাখার কারণ হল মনকে হালকা করা এবং মানসিকভাবে শান্তি লাভ করা যা সে কাউকে বলতে পারেনা বা অতীত জীবনের প্রতিটি মুহূর্ত মনে রাখা। টেকনোলজির যুগে যদিও কয়েক সেকেন্ড আগে ঘটে যাওয়া ঘটনাগুলো মুহূর্তেই শেয়ার শেয়ার করা হয়ে যায় বন্ধুদের সাথে। 

তাই বর্তমানে, ডায়রি লেখা প্রায় বন্ধ এবং সবকিছুই অনলাইনে শেয়ার হয়ে যায়।তবে যাই বলুন না কেন, ডায়েরি লেখার পেছনে কিছু এমন গুন্ আছে যা ফেসবুক, ওয়াটস্ট্যাপ বা টুইটারে শেয়ার করে পাওয়া যায়না। তাই এই পোস্টে আপনাদের বলবো কেন ডায়েরি লেখার অভ্যেস ভাল?

১। ডায়েরি লিখলে স্মৃতিশক্তি বাড়ে 

টেকনোলজির উন্নতি আমাদের নির্ভরশীল করে দিয়েছে। যেমন ধরুন মাই ফোনের ব্যবহার। যখন মোবাইল ফোন ছিল না তখন খুব সহজেই আপনি অনেকগুলো ফোন নম্বর মুখস্ত রাখতে পারতেন। কিন্তু মোবাইল আসার থেকে তাতে ফোন নম্বর সেভ করে রাখার সুযোগ থাকায় আপনি আর ফোন নম্বর মনে রাখতে পারেন না। অনেকসময় জীবনের জরুরি বিষয়গুলিও কারুর মন থাকেনা যেটা ডায়েরি লিখলে ভুলে যাবার সম্ভাবনা কমে যাবে। ছোটবেলায় যেমন পড়ার পর তা লিখে ফেললে সহজেই মনে থাকত; ব্যাপারটা ঠিক তেমনই।


২। ডায়েরি লেখা হাতের সুন্দৰ করে 

ছোটবেলায় হাতের লেখা যতটা সুন্দর ও সুক্ষ থাকে, বড় হলে তা ধীরে ধীরে খারাপ হতে শুরু করে। তার ওপর ল্যাপ্টোপন,মোবাইলের যুগে হাতে লিখে কাজ করা প্রায় উঠেই গেছে। সবই টাইপের ব্যাপারে। এইভাবে লেখার অভ্যেস চলে যায় আর হাতের লেখা আরো তথৈবচ হয়ে যায়। নিয়মিত ডায়েরি লিখলে হাতে লেখার অভ্যেসটি কিছুটা হলেও বজায় থেকেও হাতের লেখা সুন্দর হয়।


৩। ডায়েরি লিখলে মানসিক চাপ কমে ও মন হালকা হয় 

মানুষের মনে অনেক ভালোমন্দ কথা লুকিয়ে থাকে যা সে কাউকে বলতে চাইলেও বলতে পারেনা। এরকম ক্ষেত্রে ডায়েরি লেখা বেশ কার্যকরি কারণ ডায়েরি লেখা মানে নিজের কাছে নিজের স্বীকারোক্তি, নিজের সাথে নিজে কথা বলা। নিয়মিত ডায়েরি লিখলে মানসিক চাপ অনেকটাই কমে যায় ও মন হালকা থাকে। 


৪। ডায়েরি লিখলে জীবন সুসংগঠিত হয় 

অনেকে আছেন যারা ডায়েরিতে তাদের হস্যতের পরিকল্পনা ও ইচ্ছেগুলোকে লিখে রাখতে ভালোবাসেন যার ফলে খুব সহজেই জীবনের কাজগুলি সুনির্দিষ্টিত ও সসংগঠিত ভাবে করা যায়। আপনার জীবনে একটি বিশেষ রুটিন বজায় থাকবে।

৫। ডায়েরি লিখলে অনেক ভুল শুধরে যায় 

ডায়েরিতে নিজের আত্মকথা লেখার মধ্যে দিয়ে অতীতে করা ভুলগুলি লেখা হয়ে যায় যার ফলে কেউ পুনরায় সেই ভুলগুলি করার আগে ১০বার ভেবে নেয় ও নিজেকে শুধরে নেয়।


৬. ডায়েরি লিখলে ইতিবাচক চিন্তাধারা খুলে যায় 

নিয়মিত ডায়েরি লেখা মানে নিজেকে আরো বেশি ইতিবাচককরে তোলা ও নেতিবাচক চিন্তাধারা থেকে মুক্তি দেওয়া। নিজেকে জানা, নিজেকে বোঝা এবং নিজের ব্যাপারে শুদ্ধতা জ্ঞান আপনাকে অনেক সাহায্য করবে।


Click here for the best in baby advice
What do you think?
0%
Wow!
0%
Like
0%
Not bad
0%
What?
scroll up icon