Link copied!
Sign in / Sign up
1
Shares

অতি হাইড্রেশন এবং হাইপোন্যাট্রেমিয়া সম্পর্কে জানতে চান?

জীবনে অন্তত একবার কেউ না কেউ আপনাকে বেশি পরিমাণে জল পান করার বা পর্যাপ্ত পরিমাণে জল পান করার উপদেশ দিয়েছেনই । তা ঠিকই, কারন পর্যাপ্ত পরিমাণে জল পান করা আপনার স্বাস্থের জন্য খুবই প্রয়োজনীয় । প্রতিদিন ২-৩ লিটার জল আপনার দেহ কে সঠিক ভাবে কাজ করতে সাহায্য করে, এবং এটি আপনার সুস্বাস্থের জন্য অপরিহার্য । পর্যাপ্ত পরিমাণে জল পান না করলে বিভিন্ন প্রকারের শারীরিক সমস্যা দেখা দিতে পারে । কিন্তু, কেউ কি কখনো আপনাকে কম জল খাওয়ার উপদেশ দিয়েছে ? সম্ভবত নয় !

আমাদের শরীরের ৭০ শতাংশ জল দ্বারা নির্মিত, এবং জল শরীরের বিভিন্ন ক্রিয়াকলাপের জন্য গুরুত্বপূর্ণ । এটি আপনাকে প্রত্যেকদিন তরতাজা রাখতে, স্কিন পরিষ্কার রাখতে, চুল মজবুত রাখতে, এবং আপনার অন্ত্র সুস্থ রাখতে সাহায্য করে । জল ছাড়া আমাদের শরীরের ঠিকমত কাজ করতে অনেক সংঘর্ষ করতে হয়, এবং তার ফলে আমরা স্বল্পমেয়াদী সময়ে মাথাব্যাথা থেকে দীর্ঘমেয়াদী সময়ে কিডনি তে পাথর জমার মতো আরও বিভিন্ন শারীরিক সমস্যার সম্মুখীন হতে পারি ।

এবং জলের সবচেয়ে ভালো গুন হল এটি ক্যালোরি-মুক্ত তাই আপনি কোন নিয়ন্ত্রণ ছারাই ইচ্ছেমত জল পান করতে পারেন । কিন্তু এটা ভুল, কারন খুব বেশি পরিমাণে ভালো জিনিসও ক্ষতিকর হতে পারে ।

 

যদি আপনি প্রয়োজনীয় ২ -৩ লিটারের বেশি জল পান করেন তাহলে কি হতে পারে ?

আপনার মস্তিষ্ক খুব সহজেই শরীরের হাইড্রেশন এর মাত্রা বুঝতে পারে, কিন্তু শরীরে হাইড্রেশন এর মাত্রা বেড়ে গেলে সেটা আপনার মস্তিষ্ক সহজে বুঝতে পারে না । এটা কোন খামতির কারনেও হতে পারে, কিংবা আমরা হয়ত এভাবেই তৈরি হয়েছি ।

অতি হাইড্রেশন এর প্রভাবে কি হতে পারে ? সাম্প্রতিক এক রিপোর্ট অনুযায়ী, মাত্রারিক্ত হাইড্রেশন এর ফলে মস্তিষ্ক ফুলে যেতে পারে এবং ‘হাইপোন্যাট্রেমিয়া’ হতে পারে, যা আপনার রক্তে সোডিয়ামের মাত্রা অত্যাধিক পরিমাণে কমিয়ে দেয় ।

 

কিভাবে আপনি মাত্রারিক্ত হাইড্রেশন এর শিকার হন ?

আপনি সাধারণত বেশি জল পান করেন বলেই সমস্যাটি হয় তা একেবারেই নয় । আপনি যত পরিমান জল পান করেন, তাতে ঘনীভূত সোডিয়াম এর পরিমান কমে গেলেও এই সমস্যাটি হতে পারে । সোডিয়াম হল একটি ‘ইলেকট্রোলাইট’ বা তড়িৎবিশ্লেষ্য, এবং এটা আপনার দেহকোষের চারপাশে থাকা জলের পরিমান নিয়ন্ত্রণ করে, তাই যখনই আপনার শরীরে সোডিয়ামের মাত্রা কমে যায়, তখনই আপনার দেহকোষ গুলো ফুলতে শুরু করে, এবং আরও গম্ভীরজনক অবস্থায় ব্যাপারটি মস্তিষ্কের অঞ্চলেও ছড়িয়ে পরে ।

 

সোডিয়ামের ভারসাম্যহীনতার কারন গুলি হল 

- অন্য কোন মৌলিক শারিরিক চিকিৎসা যা, শরীরে জল ধরে রাখতে সাহায্য করে ।

- পর্যাপ্ত পরিমানে ‘ইলেকট্রোলাইট’ বা তড়িৎবিশ্লেষ্য ছাড়াই মাত্রারিক্ত পরিমানে জল পান করা।

- কিছু বিশেষ ঔষধ প্রয়োগের কারনেও দেহে সোডিয়ামের ভারসাম্যহীনতা দেখা দেয় ।

- ডায়রিয়া বা ঘন ঘন বমি করার ফলে শরীরে ‘ইলেকট্রোলাইট’ বা তড়িৎবিশ্লেষ্য কমে যায় ।

 

 

হাইপোন্যাট্রেমিয়ার উপসর্গ 

হাইপোন্যাট্রেমিয়ার বিভিন্ন ধরনের উপসর্গ দেখা যায়, কিছু মৃদু এবং কিছু সংকটজনক ।

- মাথাব্যাথা ।

- বমি বমি ভাব এবং বমি ।

- ক্লান্তি ।

- মাংশপেশিতে সংকোচন, খিঁচুনি ধরা এবং দুর্বলতা ।

- মস্তিষ্কের কোষ ও শরীরের অন্যান্য দেহকোষ গুলি ফুলে যাওয়া ।

- পরিস্থিতি আরও গুরুতর হলে হৃদরোগ এবং অচেতনাবস্থার ( কোমা ) সম্ভাবনা লক্ষ্য করা গেছে ।

 

 

প্রতিরোধ 

লম্বা সময় ধরে চলা শরীরচর্চা বা ব্যায়ামের মাঝে স্পোর্টস ড্রিঙ্কস পান করা উচিৎ, এটি আপনার দেহে ব্যায়ামের মাধ্যমে হারিয়ে ফেলা লবণ ফিরিয়ে আনতে সাহায্য করবে । যেসকল অ্যাথলিট রা ট্রায়াথলনস বা অন্যান্য কঠিন ক্রীড়ায় অংশগ্রহন করেন তারা অনেকসময় পর্যাপ্ত লবণ ছাড়াই মাত্রারিক্ত পরিমানে জল পান করে থাকেন, এর ফলে মাথা ঘোরা, বমি, পেশিতে খিঁচুনি, অচেতনাবস্থা ইত্যাদি সংকটজনক অবস্থার সৃষ্টি হতে পারে ।

- জল আপনার শরীরের জন্য খুবই প্রয়োজনীয় । কিন্তু, প্রতিদিন প্রয়োজনীয় ২-৩ লিটারের বেশি জল পান করা উচিৎ নয় ।

- যদি আপনার কিডনি বা লিভারের অসুখের মতো এমন কোন অসুখ আছে যা থেকে ‘হাইপোন্যাট্রেমিয়া’ সৃষ্টি হতে পারে , তাহলে সেই অসুখের চিকিৎসা করা অত্যন্ত প্রয়োজন ।

 

কিন্তু, জল খাওয়ার পরিমান একেবারেই কমিয়ে দেওয়ার কোন কারন নেই । শুধু খেয়াল রাখুন, দিনে ২-৩ লিটার জল আপনাকে পান করতে হবে এবং যদি আপনি শরীরচর্চা বা ব্যায়াম করেন অথবা রৌদ্রে সময় কাটান তবে একটু বেশি জল পান করতে পারেন । সচেতন থাকুন, জল তখনই পান করুন যখন আপনি জলের প্রয়োজন অনুভব করবেন, এবং মাত্রারিক্ত জল পান করা এড়িয়ে চলুন ।

Tinystep Baby-Safe Natural Toxin-Free Floor Cleaner

Dear Mommy,

We hope you enjoyed reading our article. Thank you for your continued love, support and trust in Tinystep. If you are new here, welcome to Tinystep!

Recently, we launched a baby-safe, natural and toxin-free floor cleaner. Recommended by moms and doctors all over India, this floor-cleaner liquid gets rid of germs and stains without adding harmful toxins to the floor. Click here to buy it and let us know if you liked it.

Stay tuned for our future product launches - we plan to launch a range of homecare products that will keep your little explorer healthy, safe and happy!

Click here for the best in baby advice
What do you think?
0%
Wow!
0%
Like
0%
Not bad
0%
What?
scroll up icon