Link copied!
Sign in / Sign up
0
Shares

ডিহাইড্রেশন হলে কী করবেন


ফুড পয়জনিং এবং হজমের গোলমালে ভোগেন না এরকম মানুষ খুব কমই আছেন। নিয়মিত পেটপুরে খাওয়াদাওয়া, অস্বাস্থ্যকর খাদ্যাভাস এবং সর্বোপরি জীবনের ভূল এই রোগের অন্যতম কারণ। তার সঙ্গে রয়েছে অতিরিক্ত বাইরে খাওয়া, জীবনের তাড়নায় খুব বেশি রকম রেডি টু ইট ফুডের উপর নির্ভরশীল হয়ে পরা। তা বলে কী খাবেন না? নিশ্চয়ই খান। তবে, মেপে এবং কিছু নিয়ম মেনে। আর পরিস্থিতি হাতের বাইরে চলে যাওয়ার আগেই চিকিৎসকের পরামর্শ নিন।

লক্ষণ

ফুড পয়জ়েনিং-এর প্রথম লক্ষণ ডায়রিয়া। অনেক সময় এ ক্ষেত্রে জ্বর হয়। টেম্পারেচার যথেষ্ট বেশি থাকে।

মাথাব্যথা হয় এবং মাথা ভার হয়ে যায়।

ক্লান্ত লাগে। কোনও কাজে উৎসাহ পাওয়া যায় না।

বারবার বমি হয়। কোনও খাবার পেটে থাকে না।

ডিহাইড্রেশন হলে কী করবেন

রোগীকে ছায়ায় বা ঠান্ডা জায়গায় সরিয়ে নিয়ে আসুন। খুব অল্প অল্প করে জল খাওয়ান। একবারে অনেকটা জল খাওয়াবেন না।

ফ্যান বা এসি চালিয়ে দিন। রোগীর জামাকাপড় আলগা করে দিন যাতে শরীরে হাওয়া চলাচল করতে পারে।

১ লিটার জলে ৩ টেবিল চামচ চিনি এবং ১ চা-চামচ লবণ মিশিয়ে আস্তে আস্তে খাওয়াতে থাকুন ৫-৬ ঘণ্টা। ও আর এস মেশানো জলও খাওয়ানো যেতে পারে।

চা, কফি বা সফট ড্রিঙ্ক একেবারেই খাওয়াবেন না।

ঠান্ডা জলে নরম তোয়ালে ভিজিয়ে মুখ, গা, হাত, পা স্পাঞ্জ করে দিতে থাকুন। স্প্রেয়ার দিয়ে মুখে জল ছিটিয়ে দিলেও রোগী আরাম পাবেন।

কেন হয় ফুড পয়জ়নিং ও হজমের গোলমাল

গরমে অনেক সময় খাবার বেশিক্ষণ বাইরে ফেলে রাখলে নষ্ট হয়ে যেতে পারে। না জেনে সেই খাবার খেলে ফুড পয়জ়নিং হওয়া সম্ভব।

বাড়ির বাইরের খাবারে অনেকসময় ক্ষতিকারক উপকরণ থাকে যা আমাদের পাকস্থলি হজম করতে পারে না।

বেশি খাওয়ার পরে সঙ্গে সঙ্গে শুয়ে পড়া হজমের পথে বাধা হয়ে দাঁড়ায়। পেটভরে খাওয়ার পরে শুতে গেলে পাকস্থলিতে দীর্ঘকালীন ক্ষতি হয়ে যেতে পারে।

একসঙ্গে অনেকটা খাবার খেয়ে ফেলার ফলস্বরূপ হজমের অসুবিধা হওয়া খুবই স্বাভাবিক।

আলু, ছোলা, বরবটি, বিন এবং মাংসজাতীয় খাবার হজম করতে সময় লাগে। সবসময় ঠিকমতো হজমও হয় না। মশলাদার খাবারের ক্ষেত্রেও একইভাবে হজমের অসুবিধা দেখা দেয়।

খাওয়ার সময় মনে কোনওরকম অস্বস্তি, ঘেন্না বা টেনশন থাকলে, তা হজমে ব্যাঘাত ঘটায়। ধূমপান এবং মদ্যপান দুইই হজমের পক্ষে ক্ষতিকারক।

ব্যাকটেরিয়া বা ফাংগাসযুক্ত ফ্রোজ়েন ফুড খেলেও ফুড পয়জ়নিং হওয়া সম্ভব।

ঘরোয়া পদ্ধতিতে হজমের গোলমাল সারান

সকালবেলা খালি পেটে একগ্লাস কুসুম গরম জল খান।

একটু আদা থেঁতো করে মুখে দিন।খুব কার্যকর বদহজমে।

খাওয়ার মেনুতে পুদিনার চাটনি রাখুন। পুদিনা পেট ঠান্ডা রাখে।

রাতেরবেলা জল ফুটিয়ে নিয়ে তাতে ১০-১২টা মৌরি ভিজিয়ে রাখুন। সকালে মৌরিটা ছেঁকে নিয়ে জলে এক চামচ মধু মিশিয়ে খেয়ে নিন। পেট ঠান্ডা থাকবে।

মেনে চলুন

বমি হলে সলিড খাবার কম খান। বেশি করে নুন-চিনির জল খান।স্যুপ, চিড়া জলে ভিজিয়ে নরম করে সাথে কলা,চিনি,দই মিশিয়ে খাবেন।

অ্যালকোহল, চা-কফি, খুব বেশি চিনি আছে এ রকম পানীয় খাওয়া উচিত নয়।

ডাক্তারের পরামর্শ না নিয়ে দোকান থেকে পেট খারাপ বা বমির ওষুধ কিনে খাবেন না।

খুব বেশি বমি না হলে বাড়িতে তৈরি হালকা খাবার খান। রুটির বদলে ভাত খান। মাছ মাংস খেলে স্ট্যু খান।

এই সময় ফ্রেশ খাবার খান। স্টোরড বা ফ্রোজ়েন ফুড যতটা সম্ভব এড়িয়ে চলুন।

খাবার আগে সব সময় ভাল করে সাবান দিয়ে হাত ধুয়ে নিন।

কোনও ফ্রোজ়েন ফুড কেনার সময় মেয়াদউত্তীর্ণ কিনা দেখে নিন।

একবার কোন রেডি-টু ইট ফুডের প্যাকেট খোলার পর তা আর বেশিদিন ফেলে রাখবেন না।

রান্না করার সময় ভাল করে ফুটিয়ে সেদ্ধ করে নিন।

মৌসুম অনুযায়ী খাবার খান।

 গরমে খুব বেশি তেলমশলা না খেয়ে হালকা খাবার খান।

Click here for the best in baby advice
What do you think?
0%
Wow!
0%
Like
0%
Not bad
0%
What?
scroll up icon