Link copied!
Sign in / Sign up
4
Shares

ক্যাপসিকামের ভেষজ গুন্ সম্পর্কে জানতেন কি?


ক্যাপসিকামকে অনেকে লঙ্কার একটি বড় আকার হিসেবে মনে করেন, কিন্তু আসলে ক্যাপসিকাম লঙ্কার কোনো রূপ নয়। স্বাধ ও গন্ধের জন্যে এই সবজিটি খুবই জনপ্রিয়। কয়েক টুকরো ক্যাপসিকাম দেশি থেকে বিদেশী সমস্ত রান্নায় ব্যবহৃত হয়ে থাকে। এর নানারকম রঙ যেমন লাল, হলুদ ও সবুজ একে আরো আকর্ষণীয় করে তোলে। 

বৈজ্ঞানিকদের মতে, এই ক্যাপসিকাম যে শুধু সুস্বাদু ও আকর্ষণীয় তা নয়, ১০০ গ্রাম ক্যাপসিকামে থাকে  ৮৬০ মিলিগ্রাম প্রোটিন, ৫ গ্রাম কার্বোহাইড্রেট,২ মিলিগ্রাম চর্বি, ৮০ মিলিগ্রাম ভিটামিন-সি ও ৩৭০ আই.ইউ ভিটামিন-এ। এছাড়াও এতে আছে সামান্য পরিমাণ ভিটামিন-ই, কে, বি৬, থায়ামিন, লেবোফ্লেবিস ও ফলিক এসিড। ক্যাপসিকাম শরীরের বিভিন্ন খনিজ পদার্থের ঘাটতি পূরণ করে কারণ এতে রয়েছে ১০ মিলিগ্রাম ক্যালসিয়াম, ৩৫০ মিলিগ্রাম লোহা,  ১৮০ মিলিগ্রাম পটাশিয়াম ও ২০ মিলিগ্রাম ফসফরাস। যেসব কাজ করে


ক্যাপসিকামের গুনাগুন

১. ক্যাপসিকাম ব্যথানাশক হিসেবে বেশ কার্যকরী। শরীরের বিভিন্ন ব্যাথা যেমন মাইগ্রেন, সাইনাস, দাঁতে ব্যথা, অস্টিওআর্থ্রাইটিস ইত্যাদি রোশকারী হিসেবে এর বিশেষ গুন্ রয়েছে।

২. এতে থাকা ভিটামিন-সি মস্তিষ্কের টিস্যুকে পুনরুজ্জীবিত করে তোলে ও দেহের হাড়কে সুগঠিত করে। 

৩. ক্যাপসিকামের নানা গুন রয়েছে। বিশেষ করে ত্বকের জন্যে এটি খুব উপকারী। এটি ত্বকের র‍্যাশ ও ব্রণ হওয়া প্রতিরোধ করে।

৪. ক্যাপসিকামে রয়েছে লাইকোপিন যা প্রোস্টেট ক্যানসার, সার্ভিক্যাল ক্যানসার ও ওভারিয়ান ক্যানসার প্রতিরোধে কাজ করে।

৫. ক্যাপসিকামে রয়েছে অ্যালকালোয়েড যা অ্যান্টি-ইনফ্লামেটোরি হিসেবে কাজ করে। এছাড়াও রয়েছে ক্যানিন।

৬. ক্যাপসিকামে রয়েছে capsaisinos নামক উপাদান যা ডিএনএর সাথে যুক্ত হয়ে ক্যানসার সৃষ্টিকারী উপাদানকে রোধ করে। 

৭. শরীরে সবসময় প্রয়োজন মত মাপের ক্যালোরি পূরণ হয়ে ওঠেনা আবার বেশি ক্যালোরি শরীরের ক্ষতি করে। ক্যাপসিকাম সেই ঘাটতি পূরণে সাহায্য করে।

Click here for the best in baby advice
What do you think?
0%
Wow!
0%
Like
0%
Not bad
0%
What?
scroll up icon