Link copied!
Sign in / Sign up
10
Shares

বয়স অনুযায়ী আপনার সন্তানকে কত পরিমান জল খাওয়াবেন


বাচ্চার কতটুকু জলের প্রয়োজন সেটি আসলে নির্ভর করে বাচ্চার অবস্থা, ওজন ও বয়সের ওপর। জ্বর বা অসুখের সময় জলের বেশি প্রয়োজন। বেশি গরম পড়লে, খেলাধুলা করলে বেশি পরিমান জল দিতে হবে। ডায়রিয়াতেও প্রয়োজন বেশি জল। অপরদিকে শরীরে জল জমলে বা ইডিমা হলে জল খাওয়া কমিয়ে দিতে হয়।

শিশুর প্রতিদিনের জলের চাহিদা

বয়স ও জলের চাহিদা

সাত -১২ মাস > আধা লিটার থেকে পৌনে এক লিটার

এক-তিন বছর > এক থেকে সোয়া এক লিটার

চার- আট বছর > দেড় থেকে দুই লিটার

নয় -১৬ বছর > দুই থেকে আড়াই লিটার

তবে এই পরিমাণটা হলো মোট জলীয় অংশের অর্থাৎ এই পরিমান জল দিতে হতে হবে এমন নয়। যে কোনোভাবে জলীয় অংশ শিশুর শরীরে গেলেই হলো। তাই আপনার পাঁচ বছর বয়সের বাচ্চাকে একেবারে দেড় লিটার জল খাওয়াতে হবে, তা কিন্তু নয়। বাচ্চা যে প্রতিদিন দুধ খায়, সেই দুধে শতকরা ৮৭ ভাগই জলীয় অংশ। দইয়ের ৮৯%, আনারসে ৮৮%, কলায় ৭০%, আমে ৮১ শতাংশ, পটলে ৯৩% জল থাকে। সুতরাং জল খাওয়ানো হচ্ছে না, এটা ভেবে দুশ্চিন্তা করবেন না। তবে জলের অভাব পূরণের জন্য কোল্ড ড্রিঙ্কস বা বাইরের পেকেটজাত জুস খাওয়ানো যাবে না। কোনো বাচ্চার জল গ্রহণ কম হচ্ছে কি না সেটি প্রাথমিকভাবে বুঝবেন তার প্রস্রাব দেখে। বাচ্চা প্রতিদিন যে পরিমাণ প্রস্রাব করত জল শূন্যতা হলে তার চেয়ে কম করবে।

জল শূন্যতার অন্যান্য লক্ষণ হলো : 

বাচ্চা খুব অস্থির থাকবে, চোখ ভিতর দিকে ঢুকে যাবে, জিহ্বা শুকিয়ে যাবে, নাড়ি বা পালস দুর্বল কিন্তু দ্রুত হবে ।

ছয় মাসের পর থেকেই শিশুকে বাড়তি জল খাওয়াতে হবে। এক বছর বয়সে শিশুরা সাধারণত নিজে নিজে জল খেতে পারে। খিচুড়ি খাওয়ানোর পর এ সময় রঙিন গ্লাসে জল দিয়ে দিন। বাচ্চাকে রঙিন আকর্ষণীয় মেলামাইনের বা স্টিলের মগ বা গ্লাসে জল ঢেলে ধীরে ধীরে জল খেতে শেখান। দেখবেন, পরবর্তীকালে বাচ্চা নিজে থেকেই জল খাবে।

মনে রাখতে হবে, 

ডায়রিয়া হলে চিকিৎসকের পরামর্শে দৈনিক চাহিদার চেয়ে বেশি পরিমাণে স্যালাইন ও জল পান করতে হবে। শিশুর যেকোনো অসুস্থতাতেও বেশি পরিমাণে জল পান করাতে ভুলবেন না যেন।

Click here for the best in baby advice
What do you think?
0%
Wow!
0%
Like
0%
Not bad
0%
What?
scroll up icon