Link copied!
Sign in / Sign up
6
Shares

যখন ভুতের কবলে বলিউড: বলিউড অভিনেতা অভিনেত্রীদের ভুতুড়ে অভিজ্ঞতা জানতে চান?


বলিউডের সিনেমাগুলির মধ্যে খুব কমই ভূতের সিনেমা সঠিক ভাবে উপস্থাপন করেছে এবং তাদের মধ্যে বেশিরভাগই শেষমেশ একটি কমেডি সিনেমায় পরিণত হয়েছে। তবে, বেশ কিছু বলিউডের সিনেমা রয়েছে যা দেখে দর্শকরা হলে বসে ভয়ে চিৎকার করেছে। একদিকে যেমন পপকর্ন, স্পিলার্স, ভূত ,রাত,নেক্সট টু হরতাল ফিল্ম সিট অন্যদিকে তেমন 1920।

কিন্তু এইসব ভূতের সিনেমার অভিনেতা অভিনেত্রী দের বাস্তব জীবন এ ভূতের কি কোনো অভিজ্ঞতা আছে? চলুন দেখে নেয়া যাক –

বিপাশা বাসু

dailybhaskar.com চ্যানেল এর একটি সাক্ষাৎকার এ নিজের অভিজ্ঞতা জানানোর সময় বলিউড কুইন বিপাশা বাসু জানান , যখনই তিনি ভূতের সিনেমার শুটিং করার পর বাড়িতে যেতেন, কখনো তিনি একা একা ঘুমাতেন না , তিনি তার মা, বোন বা কোনো বন্ধু এর সঙ্গে ঘুমাতেন। তিনি মুকেশ মিলে “গুনাহ”- এর শুটিংয়ের সময় এক অদ্ভুত ভৌতিক ঘটনার কথা জানান। তিনি বলেন যে, সিনেমার শুটিং এর শুরুতে তিনি যে ঘর এ থাকতেন সেখানএ তিনি কোনো ডায়ালগ মুখস্ত রাখতে পারছিলেন না, মাঝে মাঝে তার ঘরের মধ্যে দম বন্ধ হয়ে আসছিলো, এরপর তিনি তখনই রুম পরিবর্তন করেন এবং অদ্ভুত ভাবে তারপরেই সব সমস্যা দূর হয়ে যায় এবং তিনি সব ডায়লগ তিনি ঠিক ভাবে মুখস্ত রাখতে পারছিলেন । এরপর তিনি আরো একটি ভয়ঙ্কর অভিজ্ঞতার কথা জানান , তিনি ওই সিনেমার শুটিং এর সময় ডিরেক্টরকে তার ভুতুড়ে ঘটনার কথা জানান, ডিরেক্টর বলেন যে তিনিও এরকম বেশ কয়েকটি অদ্ভুত জিনিস সাক্ষী ছিলেন, তিনি শুনেছিলেন যে এই মিলার মিলে বেশ কিছু লোক অদ্ভুত ভাবে মারা গিয়েছিলো। এর ঠিক ১০ দিন পর মুকেশ মিলে একই স্থানে আরেকটি ছবির শুটিং শুরু হয়। সিনেমার শুটিং এর সময় একটি বাচ্চা মেয়ে অদ্ভুত ব্যবহার শুরু করে। শুটিং চলাকালীন মেয়েটি এমন করতে থাকে যে আশেপাশের সব লোকজন ভয় পেয়ে যান এবং তাকে হাসপাতালে ভর্তি করেন। যেখানে সে কিছু দিন পর রহস্যজনক ভাবে মারা যায় । এই ঘটনার পর, অভিনেত্রী সিদ্ধান্ত নেন মুকেশ মিল এ আর কোনো ছবির শুটিং হলে তিনি সেই ছবিতে অভিনয় করবেন না।

ইমরান হাসমি

অভিনেতা ইমরান হাসমি একবার অদ্ভুতুড়ে অভিজ্ঞতার সাক্ষী ছিলেন। তিনি জানান একবার এক বন্ধুর সাথে মাথেরনে ছুটি কাটাতে গিয়ে এক লোকমুখে পরিচিত ভুতুড়ে হোটেলে তিনি এই ঘটনার মুখোমুখি হন। তিনি বলেন "হঠাৎ রাতের বেলা আমরা দুজন এক ভয়ঙ্কর চিৎকার শুনতে পাই, দুজনেই ভাবি কেউ হয়তো আমাদের সাথে মজা করছে, কিন্তু বাইরে ছুটে এসে দরজা খুলে দেখি আশেপাশে কেউ নেই, তখন আমরা ভয় পেয়ে যাই এবং ঠিক করি সারা রাত আমরা একসাথে থাকবো। এরপর আমরা দুজনে সারারাত একঘর এ কাটাই। কিন্তু ওই ভয়ঙ্কর চিৎকার সারারাত চলতে থাকে। সকালে উঠেই আমরা হোটেল চেঞ্জ করি এবং একটা সাধারণ হোটেল এ যাই যেখান এ অন্যান্য লোকজনও আছে। "

সোহা আলী খান

সোহা আলী খান জানান গুজরাটে একটা বাড়িতে গ্যাং অফ ঘোস্টস এর শুটিং যখন করছিলেন তখন তিনি এবং তার কো-ষ্টার মাহি গিল কিছু অদ্ভুতুড়ে ঘটনার মুখোমুখি হন। তিনি বলেন " শুটিং এর শেষ দিন আমরা সবাই হাভেলি এর বাইরে হয় হুল্লোড় করছিলাম এমন সময় হঠাৎ বাড়ির ভিতর থেকে একটা আওয়াজ আসে, আমরা সবাই ভাবি হয় কোনো আমাদের লোক ভিতর এ কোনো ফার্নিচার সরাচ্ছেন, কিন্তু ভিতরে গিয়ে আমরা দেখি আসে পশে একটা লোক ও নেই, তারপর আমি আর মাহি সেট এর দিকে যাই, আমাদের মনে হচ্ছিলো কেউ একটা আমাদের ফলো করছে আমরা সঙ্গে সঙ্গে পিছন এ তাকাই কিন্তু কাউকে দেখতে পাইনা, আমরা ভয় পেয়ে ছুটে ফিরে আসি। সারারাত আমরা অদ্ভুত সব আওয়াজ শুনতে পাচ্ছিলাম। পরদিন কোনো কিছু হওয়ার আগে আমাদের ফুল টীম প্যাকেড আপ করে সেখান দিয়ে ফিরে আসি। "

গোবিন্দা

নিজের ভূতের অভিজ্ঞতার কথা জানতে গিয়ে বলেন " একবার এক শুটিং এর সময় এক পাহাড়ি এলাকায় এক হোটেলে আমি ছিলাম। হঠাৎ রাতের বেলার দেখি এক বৃদ্ধা মহিলা আমার বুকের উপর বসে আছে ! সঙ্গে সঙ্গে আমি ভয় পেয়ে উঠে পাশের টেবিল ল্যাম্প জ্বালি কিন্তু দেখি আমার সব জিনিস ঘরের মধ্যে সাজানো রয়েছে, কিন্তু ঘুমানোর আগে সব কিছু ছড়িয়ে ছিটিয়ে রাখা ছিল। আমি প্রচন্ড ভয় পেয়ে ছুটতে থাকি এবং সোজা মুম্বাই এসে থামি। এরপর যখনই আমার এই ঘটনার কথা মনে পরে ভয়ে সারা শরীর এ শিহরণ জাগে। "

সানি লিওন 

সুন্দরী সানি লিওন জানা তিনি ভূতের সিনেমা শুট করতে প্রচন্ড ভয় পান। তিনি বলেন একমাত্র উনি ওনার স্বামী ড্যানিয়েল ওয়েবার এর সাথেই ভূতের সিনেমা দেখেন আর কোনো ভয়ঙ্কর দৃশ্য শুরু হলেই স্বামীর পিছনে লুকিয়ে পড়েন। তিনি আরো বলেন তিনি অন্ধকারে বা একা থাকতে খুব ভয় পান, একা থাকলে তিনি বাড়ির সব লাইট জ্বালিয়ে তবেই ঘুমাতে যান।

কিরণ সিং গ্রোভার 

তিনি জানান যদিও তিনি খুব একটা ভূত এ ভয় পান না কিন্তু অ্যালোন সিনেমা শুটিং এর সময় তিনি খুব ভয় পেয়ে গেছিলেন। তিনি আরো বলেন যে সিনেমার কিছু দৃশ্য এতো তাই ভয়ঙ্কর ছিল যে তিনি মাঝে মাঝে ভূতের উপস্থিতি অনুভব করছিলেন।

অজয় দেবগান 

অজয় দেবগান মনে করেন - যখন কোনো মানুষ মারা যায় তখন সে নিজের অসম্পূর্ণ ইচ্ছা পূরণ এর উদ্দেশে এদিক ওদিক অভ্রান্তের মতো ঘুরতে থাকে এবং অচেনা লোকের ক্ষতি করে। তিনি বলেন তিনি উঁচু জায়গা বা অন্ধকারে ভয় পান এবং দুটোই যতটা সম্ভব এড়িয়ে চলেন।  

Click here for the best in baby advice
What do you think?
0%
Wow!
0%
Like
0%
Not bad
0%
What?
scroll up icon