Link copied!
Sign in / Sign up
6
Shares

আপনার কোন কোন বড় অভ্যেস শীঘ্রই দূর করা প্রয়োজন?


গৃহবধু, তাঁরা সারাদিনের ব্যস্ততায় নিজের অজান্তেই বেশ কিছু বদ অভ্যাস করে ফেলেন। প্রায় প্রতিটি গৃহবধুদের মধ্যে এই অভ্যাস গুলি লক্ষ্য করে যায়। তাই সেই অভ্যেস গুলোকে বদলে ফেলুন নয়তো নিজের বিপদ এবার।

১. বাসি খাবার খাওয়া

আগের দিনের খাবার বেঁচে গেছে? তবে সেটিকে নষ্ট না করে বরং আবার সেটি গরম করে খেয়ে ফেলি। অনেক মহিলাই নিজের স্বামী ও সন্তানের জন্য টাটকা গরম খাবার তৈরী করলেও পুরনো বাসি খাবার নষ্ট হওয়ার ভয়ে নিজেই খেয়ে ফেলেন। ভুললে চলবে না যে রান্না করা খাবার ফ্রিজে রাখলেও তাতে জীবাণু জমতে শুরু করে। এ ছাড়া দ্বিতীয় বার গরম করা খাবারে বেশির ভাগ পুষ্টিই নষ্ট হয়ে যায়।

২. যোগা প্যান্ট পরে ঘোরা

যে কোনও কাজে বা বেরোনোর সময় বা ছেলেমেয়েকে স্কুল থেকে আনার সময়, অনেক মায়েরাই যোগা প্যান্ট পরে বেরিয়ে পড়েন। হয়ত আপনি ভীষণ ব্যস্ত তবু পোশাক পালটে জিনস বা অন্যকিছু পরে নিন। যোগা প্যান্ট পরে ছেলেমেয়ের স্কুলে ছুটে যাওয়াটা কিন্তু মোটেই সমীচীন নয়। তাই বাইরে বেরোনোর সময় পোশাকের ব্যাপারে একটু যত্নশীল হওয়াটা আপনার কর্তব্য।

৩. বাইরের জগৎ

স্বামী সন্তানের যত্ন নেওয়া যেমন আপনার কর্তব্য তেমনি আপনার চারদিকের পৃথিবীটায়, ঘরে বাইরে কী কী ঘটছে সেই সম্পর্কে আপনাকে সচেতন থাকতে হবে। খবরের কাগজ পড়া, টিভি নিউজ দেখা বা চারপাশের খবরাখবর রাখা প্রয়োজনীয়। নিজেক সচেতন রাখাটা আপনার নিজের আত্মবিশ্বাস ও দৃষ্টিভঙ্গির স্বচ্ছতার জন্য অত্যন্ত দরকারি।

৪. নিজের জন্য সময়

ঘরের যাবতীয় কাজ এবং সন্তানকে সামলানোর পর হয়ত আপনার নিজের জন্য বিশেষ সময় পড়ে থাকে না। আপনার পরিবারের ভালোমন্দ দেখতে গিয়ে আপনি আপনার নিজের শখ আর পছন্দ ভুলে যাওয়াটা রীতিমত অন্যায় হবে।

সারাদিন যতই ব্যস্ত থাকুন না কেন নিজের জন্য সময় বার করে নিজের পছন্দ মতো সময় কাটান। অথবা নিজের কথা ভেবে একবার স্রেফ নিজের জন্য কেনাকাটি করতে বেরিয়ে পড়ুন।

৫. অন্য কারুর ওপর নির্ভরশীল হওয়া

গৃহবধূর দায়িত্ব আর কাজের চাপ কম নয়। কিন্ত তবুও অনেক সময় দেখা যায় শুধু অর্থনৈতিক ভাবে নয়, শারীরিক ও মানসিক ভাবেও তিনি অন্যের ওপর নির্ভরশীল। নিজের ছোটখাটো প্রয়োজনেও তিনি অন্যের ওপর নির্ভর। মনের রাখবেন, একজন মানুষ হিসেবে আপনার নিজের আত্মবিশ্বাস অত্যন্ত প্রয়োজন এবং সম্পূর্ণ ভাবে পরনির্ভরশীল হয়ে আপনার পড়লে আত্মবিশ্বাস কমে যেতে পারে।

Click here for the best in baby advice
What do you think?
0%
Wow!
0%
Like
0%
Not bad
0%
What?
scroll up icon