Link copied!
Sign in / Sign up
7
Shares

বিয়ের পর শাড়ির যত্ন নিন এইভাবে


বাঙালি বিয়ে মানেই শাড়ি। শাড়িতেই পরিপূর্ণ হয়ে ওঠে বাঙালি নারীর বিয়ের সাজ। আবার সবসময়ের ব্যবহারে অথবা শখের বশে অনেকেই শাড়ি পরে থাকেন। বিয়ের পরে শখের শাড়িটি যত্ন করে তুলে রাখেন সকলেই। হয়তো নিয়মিত না, পরে বছরের বিশেষ বিশেষ দিনে পরা হচ্ছে, তারপরও মেয়েদের কাছে শাড়ি মানেই বিশেষ কিছু। যেহেতু সারা বছর না পরে বছরের কয়েকটি নির্দিষ্ট দিনে শাড়ি পড়া হচ্ছে তাই শাড়িটা বছরের বেশিরভাগ সময় আলমারিতে পড়েই থাকে। এই আলমারিতে পড়ে থাকার সময়টুকুতেই আপনার শখের শাড়ি নষ্ট হয়ে যেতে পারে। তাই, শাড়ি শুধু পরলেই হবে না, পাশাপাশি নেয়া চাই এর সঠিক যত্ন। নয়তো নষ্ট হয়ে যেতে পারে আপনার শখের ও স্মৃতিময় শাড়িটি। তাই কীভাবে শাড়ি তুলে রাখবেন জেনে নিন।

১. সিল্কের শাড়ির ক্ষেত্রে প্লাস্টিকের প্যাকেট বেছে নিলে ভুল করবেন। এরচেয়ে কাপড়ের তৈরি ব্যাগ কিংবা কাগজের বক্স অনেক ভালো। শাড়িতে ভারি কাজ করা থাকলে ভাঁজ করে রাখুন। হ্যাঙ্গারে নয়। সিল্কের শাড়িতে ন্যাপথলিন না রেখে দারুচিনি বা লবঙ্গ দিয়ে রাখুন। আর বছরে একবার শাড়ি বের করে রোদে দিন।

২. সুতি শাড়ি তুলে রাখতে চাইলে প্রথমে ইস্ত্রি করে নিয়ে ফ্যানের বাতাসে ঠাণ্ডা করে নিন। তুলে রাখার জন্য হলে সুতি শাড়িতে মাড় না দেওয়াই ভালো। কারণ মাড়ের গন্ধে পোকামাকড় আসে। শাড়ির ভাঁজে ন্যাপথলিন, নিমপাতা, কালোজিরা ইত্যাদি দিয়ে রাখতে পারেন। এই ধরণের কাপড় হ্যাঙ্গারে ঝুলিয়ে রাখুন।

৩. জামদানী শাড়ির বেলায় একটু বেশি সতর্কতা অবলম্বন করতে হবে। এই শাড়ি ভাঁজ কিংবা হ্যাঙ্গারে ঝুলিয়ে না রেখে সম্ভব হলে রোলে করে পেঁচিয়ে রাখুন। ভাঁজ করে কিংবা ঝুলিয়ে রাখলে জামদানী শাড়ি ফেটে যায়। চেষ্টা করুন জামদানী শাড়ি আলমারির কাপড়ের স্তুপের উপরে রাখতে। অন্যথায় চাপে শাড়ি নষ্ট হয়ে যেতে পারে।

৪. কাতান শাড়ি আলমারিতে তুলে রাখতে চাইলে কিছুদিন পর পর শাড়ির ভাঁজ পাল্টে দিন। ভাঁজ না পাল্টালে শাড়ি কেটে যায় অথবা সহজে ছিঁড়ে যায়।

৬. জর্জেট শাড়ি পোকামাকড়ের প্রিয় খাদ্য। তাই জর্জেট শাড়ি সংরক্ষণ করতে হলে নিমপাতা, কালো জিরা ইত্যাদি শাড়ির ভিতরে রেখে সংরক্ষণ করুন।


শাড়ি যত্নের আরো কিছু বিশেষ স্থান ও নিয়ম

১. কাপড় রাখার স্থানটি শুকনো হতে হবে, নতুবা ছত্রাক সংক্রমণের ভয় থাকে।

২. শাড়ির ভাঁজে ন্যাপথলিন, কালোজিরা, নিমপাতা ইত্যাদি দিয়ে রাখুন, এতে পোকায় কাটবে না।

৩. ব্যবহৃত শাড়ি ৩ মাস অন্তর ও অব্যবহৃত শাড়ি ৬ মাস অন্তর বের করে ধুতে হবে।

৪. আলমারি বা ট্রাংক যেখানেই শাড়ি রাখুন না কেন, তা যেন ফুটো না হয় নতুবা তেলাপোকা বা ইঁদুরে কাটতে পারে শাড়ি।

৫. স্টিলের আলমারিতে যেন মরিচা না পড়ে, তাতে শাড়ি নষ্ট হয়।

৬. কাঠের আলমারিতে শাড়ি রাখলে তা মাঝে খেয়াল করতে হবে আলমারি ঘুণে ধরেছে কি-না, নতুবা শাড়ি কেটে যেতে পারে।

৭. শাড়ি সঠিক নিয়মে ধোবেন।

৮. বাইরে থেকে এসে কিছুক্ষণ বাতাসে রেখে শাড়ির ঘাম শুকিয়ে নিন, নতুবা দাগ পড়তে পারে।

৯. শাড়ি ইস্ত্রি করলে কিছুক্ষণ বাতাসে রেখে তুলে রাখুন, অনেকদিনের জন্য রাখতে হলে মার এড়িয়ে যান।

১০. শাড়ি ধুলে জল ঝরিয়ে নিন, চিপবেন না, শুকালে শাড়ি রোল করে রাখুন, এবং অবশ্যই এই শাড়িগুলোতে নিম পাতা বা কালো জিরা দিয়ে রাখুন।

Click here for the best in baby advice
What do you think?
0%
Wow!
0%
Like
0%
Not bad
0%
What?
scroll up icon