Link copied!
Sign in / Sign up
2
Shares

এই বিয়ের মরসুমে কি ধরনের শাড়ি কিনবেন?

বিয়ে মানে বেনারসী আর বাঙালি নারীর সৌন্দর্য্য আর ব্যক্তিত্ব শাড়িতেই সবচেয়ে সুন্দরভাবে ফুটে ওঠে আর বিয়ের কনেকে সবাই শাড়িতে দেখতেই বেশি পছন্দ করে। দেশীয় শাড়ির ঐতিহ্য ও আভিজাত্য বাঙালি বধূর সৌন্দর্য বাড়িয়ে তুলবে বহু গুনে। বিয়ের উৎসব শুরু হয় এনগেজমেন্ট থেকে। এনগেজমেন্ট, গায়ে হলুদ, বিয়ে, বউভাত আলাদা এই উৎসব গুলোতে শাড়ির রঙ বা ধরন হয় ভিন্ন।

 ১. এনগেজমেন্ট

আগে এনগেজমেন্ট ঘরোয়া ভাবে হলেও এখন বেশ ঘটা করে হয়। তবে এনগেজমেন্টএ হালকা কাজ করা শাড়ি বেছে নিন। ম্যাটেরিয়াল হতে পারে মসলিন, শিফন, সফট সিল্ক, ক্রেপ জর্জেট। রঙ হতে পারে নীল, গোলাপি, পিচ, লাইট পার্পল ইত্যাদি।

 ২. আইবুরো ভাত 

বিয়ের আগের প্রতিটি মা তার সন্তানকে আইবুরো ভাত খাওয়ান। এই দিনের জন্য বেছে নিতে পারেন হ্যান্ডলুম শাড়ি, এই ভারী ও হালকা ২ রকম কাজের মধ্যে পাবেন। যেটি আপনার পছন্দ। অথবা আপনি তাঁত বা ঢাকাই পরতে পারেন। এই দিনের জন্য হালকা শাড়ি আপনার জন্য সঠিক হবে।

৩. গায়ে হলুদ

গায়ে হলুদে সুতি শাড়িই সবচেয়ে মানানসই। সুতির পাশাপাশি এখন চলছে টাঙ্গাইল হাফ সিল্ক বা সফট সিল্ক। আর জামদানি তো আছেই। জামদানি বা সুতি শাড়িতে নিজের পছন্দ মতো পাড় লাগিয়ে নিতে পারেন। আরও সুন্দর দেখাবে। চিরায়ত লাল পাড়ের হলুদ শাড়ির পাশাপাশি কমলা, গাঢ় সবুজ, কাচাঁ মেহেদি, হালকা বেগুনি চলছে এখন।

 ৪. বিয়ে

বিয়ে বললেই যেন চোখের সামনে ভেসে ওঠে লাল রং। বিয়েতে তাই বেছে নিন লাল শাড়ি। একেবারেই লাল পরতে না চাইলে আছে মেরুন, জাম, গাঢ় নীল, বেগুনি বা গোলাপি। বিয়ের দিন বেছে নিন সবচেয়ে জমকাল শাড়িটি। এক্সপেরিমেন্ট না করে ট্রেডিশনাল শাড়িটি বেছে নিন। ম্যাটেরিয়াল হতে পারে বেনারসি, কাতান, টিস্যু বা মসলিন। পিটানো জরির মিনা করা, সিকোয়েন্সের ভারী কাজ, অ্যামব্রয়ডারি, মুক্তা বা কুন্দনের কাজ করা শাড়ি বেছে নিতে পারেন।

 ৫.বৌভাত

বৌভাতে বেছে নিন ফ্যাশনেবল, ট্রেন্ডি হালকা কাজ ও রঙের শাড়ি। রঙ হতে পারে গোল্ডেন, পেয়াজ, সফট পিংক, পিচ এমকি সাদা। অনেকেই সাদা পরছেন এখন বউভাতে, এমকি বিয়েতেও। বৌভাতে ভালো লাগবে সিফন, মসলিন আর হালকা কাজের জামদানি। সাথে বেছে নিন কন্ট্রাস্ট ওড়না। সাদার শুভ্রতা আপনাকে অনন্য করে তুলবে।

গড়ন ও ধরন বুঝে শাড়ি

 

১. আপনার গায়ের রঙ শ্যামলা বা কালো হলে একটু গাঢ় রঙের শাড়ি বেছে নিন। যেমন লাল, গাঢ় নীল বা গোলাপি। পেঁয়াজ বা বেগুনি রঙের শাড়ি মানিয়ে যাবে সবাইকে।

 ২. যদি উচ্চতা কম হয় তাহলে বেছে নিন সরু পাড় বা পাড় ছাড়া শাড়ি। উচ্চতা ভালো হলে চওড়া পাড়ের শাড়ি পরুন।

 ৩. আপনার গড়ন হালকা শুকনো হলে ভারী শাড়ি বেছে নিন। শাড়িটি হতে পারে টিস্যু বা মসলিনের আর ভারী কাজের।

৪. ভারী গড়নের হলে বেছে নিন সফট ম্যাটেরিয়ালের গাঢ় রঙের শাড়ি। যেমন শিফন বা জর্জেট।

 মনে রাখুন

বিয়ের অনেক শখের ভারী শাড়িটি জীবনে একবারই হয়ত পড়া হয়। তারপর তা থাকে বাক্স বন্দী। তাই এমন শাড়ি বেছে নিন যা পরবর্তীতেও কাজে লাগবে। অনেক ক্ষেত্রে শাড়ির সাথেই মিলানো ওড়না পাওয়া যায় বা বেছে নিন কন্ট্রাস্ট ওড়না। যেমন সাদার সাথে লাল ওড়না বা লাল শাড়ির সাথে নীল ওড়না। সময় নিয়ে অনেক দোকান ঘুরে ও অভিজ্ঞ কাউকে সাথে নিয়ে শাড়ি কিনুন। বর পক্ষ থেকে শাড়ি কেনা হলে আপনার পছন্দ ও রুচি জানিয়ে দিন। থ্রি-কোয়ার্টার বা ফুল স্লিভ হাতের ব্লাউজ এখন বেশ চলছে। শাড়ি নির্বাচনের সময় আপনার জন্য সেটি আরামদায়ক কিনা দেখে নিন। শাড়ির ঐতিহ্যে, আভিজাত্যে আর বাঙালিয়ানায় আপনার বিয়ের দিনে হয়ে উঠুন অনন্যা।

 

Click here for the best in baby advice
What do you think?
0%
Wow!
0%
Like
0%
Not bad
0%
What?
scroll up icon