Link copied!
Sign in / Sign up
15
Shares

সসপেন, হাঁড়ি বা প্রেসারকুকার যেখানেই করুন না কেন, ভাত কি ঝুরঝুরে না হয়ে ঘেটে যায়? কি করতে হবে তাহলে?


প্রত্যেকটি ঘরে প্রতিদিনই ভাত রান্না হয়ে থাকে, তার ওপর বাঙালি হলে তো কথাই নেই; ভাত অন্ত প্রাণ হয় বাঙালি। দিনে এক বেলা অন্তত ভাত না খেলে বাঙালিদের খাওয়া বা ঘুম কোনোটাই পূরণ হয়না। সবাই ঝুরঝুরে সরু চালের ভাত পছন্দ করেন, কিন্তু খুব কম দিনই ভাত সেভাবে সুন্দর করে রাঁধা হয়ে থাকে। বেশিরভাগ দিন ভাত র্যাডিজেতে গিয়ে চিটচিটে, ঘাটা ঘাটা ও মোটা হয়ে যায়। যতই আপনি প্রেসার কুকার ব্যবহার করুন বা সসপেন, ফলাফল একই। আসলে ইটা হওয়ার কারণ হল আপনি ভাত রান্না করার সঠিক পদ্ধতিটি অনুসরণ করছেন না যার ফলে ভাত ঘেটে গিয়ে তার স্বাধ চলে যায়। ভাত নিখুঁত করে রান্না করার জন্যে আপনাকে কয়েকটি টিপস গ্রহণ করতে হবে যা এই সমস্যার সমাধান করে ফেলবে। আসুন আমরা আপনাদের বলি কিভাবে এটি তৈরী করতে হবে!

বিভিন্ন ধরণের ভাত খাওয়ার জন্য বিভিন্ন ধরণের চাল ব্যবহার করা হয়। স্বাদ এবং সুবাসের কারণে সারা বিশ্ব জুড়ে বাসমতি চালের পরিচিতি দারুন। যদি আপনি আপনার রাঁধা ভাতের এক একটি চাল পৃথক পৃথক দেখতে চান পৃথক বা ঝুরঝুরে দেখতে চান তাহলে এই কৌশলটি মেনে চলুন। 

১. ভাত বসানোর আগে সেই চলে জল দিয়ে কয়েকটি ফোটা তেল দিয়ে গ্যাস বা ইন্ডাকশান চালিয়ে ঢেকে দিন, এটি চালকে পৃথক পৃথক করে রাখে। যদি আপনি খুব পুরানো চাল ব্যবহার করছেন, এটি প্রায় ৩০ মিনিটের জন্য কয়েক ফোটা তেল ঢেলে জলে ভিজিয়ে রাখুন। তারপর রান্না করুন।

২. আপনি উল্টোটাও করতে পারেন অর্থাৎ ভাত রান্না হয়ে গেলে জল ছেকে সেখানে তেলের কয়েক ফোটা ঢেলে তারপর পরিবেশন করতে পারেন। এতে ফল একই হবে.

৩. ১:২ অনুপাতে চাল ও জল নিন, অর্থাৎ এক কাপ চাল এবং দুই কাপ জল। যদি আপনি ব্রাউন রাইস করে থাকেন, তবে আপনাকে আরেকটু বেশি জল নিতে হবে। অর্থাৎ আড়াই কাপ জল.

আপনার যদি এই পদ্ধতি ভালো লেগে থাকে তাহলে আমাদের জানান। অথবা আপনার কাছে যদি এর বাইরেও অন্য কোনো পদ্ধতি জানা থাকে সেটিও আমাদের কমেন্ট করে জানান।

Click here for the best in baby advice
What do you think?
0%
Wow!
0%
Like
0%
Not bad
0%
What?
scroll up icon