Link copied!
Sign in / Sign up
1
Shares

ডিম্বস্ফোটন সম্পর্কে এই গুলি জানতেন?

আপনারা কি নতুন বাবা-মা হবার জন্য পরিকল্পনা করছেন? বিশেষ করে মহিলারা! তবে এখন থেকে আপনারা ডিম্বস্ফোটনের সময়ের উপর নজর রাখবেন। কিন্তু যারা বাবা মা হতে চান না তাদেরও ডিম্বস্ফোটন সম্পর্কে জানার প্রয়োজন রয়েছে। কারণ জীবনে সব সময় পরিকল্পনা করে গর্ভাধারণ করা উচিত। কারণ এই বিষয়ে যত সাবধানতা অবলম্বন করবেন, তত গর্ভপাতের আশঙ্কা কমবে এবং আপনি সুস্থ শিশুর জন্ম দিতে পারবেন। সেই কারণেই ডিম্বস্ফোটন সংক্রান্ত কিছু আশ্চর্য্য তথ্য আমরা আপনাকে জানাবো।

নারীর শরীরে যখন কোনো শুক্রাণু প্রবেশ করে তখন সে ৫থেকে ৬ দিনপর্যন বেঁচে থাকতে পারে। কিন্তু ডিম্বাণু ১২ দিন পর্যন্ত বেঁচে থাকতে পারে। এই সময়ের মধ্যে যদি মিলন ঘটে তবেই সন্তান ধারণ সম্ভব, নয়তো কিছু হবে না।

এই ঘটনা সম্পূর্ণ মাসিক ঋতুচক্রের ওপর সম্পূর্ণ ভাবে নির্ভর করে।  আপনার মাসিক ঋতুচক্র কত দিন পর্যন্ত স্থায়ী হয় তার ওপর ডিম্বস্ফোটনের সময় ও দিন ঠিক হয়। এই আপনার গর্ভধারণ জন্য কোন দিন তা নির্ভর করে।

আপনার জরায়ু দিয়ে যে যে রস নির্গত হয়, এটির দ্বারা আপনি ডিম্বস্ফোটনের সময় নির্ণয় করতে পারবেন। এই রস নির্গত হয় পুরুষের শরীরের শুক্রাণু যাতে সহজে গর্ভে পৌঁছতে পারে।

আপনার কি মাসিকের সময় হালকা ব্যথা অনুভব হয়? এই ব্যাথার কারণ অনেক সময় ডিম্বস্ফোটনের সময় হয়ে থাকে। এর দ্বারা ডিম্বস্ফোটনের সময় নির্ধারণ করা সম্ভব হয়ে থাকে।

আপনি কি জানেন যে সময়ে আপনার শরীরে ডিম্বস্ফোটন ঘটে থাকে সেই সময় আপনার আপনার শরীর অত্যন্ত আকর্ষণীয় হয়ে ওঠে, এবংফ আপনার চেহারার মধ্যে পরিবর্তন লক্ষ্য করা যায়। সেই কারণে এই সময়ে নারীরা পুরুষের প্রতি আকর্ষণ অনুভব করে থাকে।

 

Click here for the best in baby advice
What do you think?
0%
Wow!
0%
Like
0%
Not bad
0%
What?
scroll up icon