Link copied!
Sign in / Sign up
0
Shares

বাড়িতে বাগান করেছেন কিন্তু বার বার গাছ মরে যাচ্ছে? কারণ কি?


গাছ এবং ফুল ভালো বাসেনা এমন মানুষ খুব কম আছে। কিন্তু এই সময়ের বাড়িতে জায়গার অভাবে অনেকেই বাড়ির ছাদে বা ছোট্ট বারান্দায় বাগান করে থাকে। কিন্তু নিজের অজান্তে হঠাৎ দেখালেন গাছ গুলি শুকিয়ে মরে যেতে থাকে। কারণ জানেন না। নিজের অবসর সময় টুকু তাদের সাথে কাটাতে আপনি সবথেকে ভালোবাসেন। কিন্তু আপনি হয়তো জানেন না ছাদে বাগান করতে দরকার হয় বিশেষ পরিচর্চার। নয়তো যত্ন না পেলে গাছ গুলি অকালেই মরে যেতে পারে। তাই জেনে নিন বিশেষ কিছু নিয়ম বাগান করার জন্য।

জায়গা নির্বাচন

গাছে রাখার জন্য আপনাকে বেছে নিতে হবে এমন একটি জায়গা যেখানে রোদ পৌঁছতে পারে। সেটা ছাদ হোক অথবা আপনার প্রিয় ব্যালকনিও। এবং এটিও খেয়াল রাখতে হবে সেটা যেন অতিরিক্ত রোদ না পৌঁছয়, এবং সকালের প্রথম রোদটা যেন পেয়ে থাকে, কারণ এটি ফুলের গাছের জন্য খুব জরুরী।

টব নির্বাচন

ফুল গাছের জন্য ৬-১২ ইঞ্চি বা মাঝারি আকারের টব হলে চলবে এবং ফল গাছের জন্য ১০-১৮ইঞ্চি টবের প্রয়োজন। কিন্তু বড় টব বা ছোটো টব তা নির্ভর করবে আপনার গাছের আকার আকৃতির উপর। মনে রাখবেন টবে অব্যশই জল নিষ্কাসনের ব্যবস্থা থাকতে হবে।

মাটি তৈরি

গাছের জন্য সবথেকে উপযুক্ত মাটি হল দোঁ-আঁশ মাটি। দোঁ-আঁশ যেকোনো গাছ সব চেয়ে ভালো হয়। গাছ লাগানোর আগে মাটিতে ভালো ভাবে সার, পচা গোবর সার, হারের গুঁড়ো, দিতে হবে। সার মিশিয়ে মাটি ঝুরঝুরে করে নিতে হবে। জল মেশাবেন না এই সময়ে।

চারা গাছ

আপনি কোনধরনের গাছ লাগাতে চান তা সম্পূর্ণ আপনার ওপর নির্ভর করছে। তার জন্য আপনাকে বেছে নিতে হবে চারা গাছ। আপনি নার্সারি থেকে অথবা ফুল গাছ বিক্রেতার কাছ গাছ কিনতে পারেন। ছাড়া গাছটি নেওয়ার সময় খেয়াল করবেন চারা গাছটি সুস্থ সবল কিনা। আর যদি দোকান থেকে বীজ কেনেন তবে আপনি নিজেই ছাড়া গাছ বানিয়ে নিতে পারেন।

গাছের যত্ন


গাছে নিয়মিত প্রতিদিন জল দিতে হবে। জল দেবার সময় খেয়াল রাখবেন গাছের গোড়ায় যেন জল জমে না থাকে এবং জল দেবার সময় মাটি যেন ধুয়ে না চলে যায়। আর ঘরের ভেতরে গাছ থাকলে তার পাতায় জল স্প্রে করবেন। মাটি যেন সব সময় ভেজা থাকে, কখনো শুকোতে দেবেননা। কোনো সময় ভারে যদি গাছ হেলে পরে যায় তবে অবশ্যই গাছের সাথে শক্ত কোনো ডাল বা কাঠি বেঁধে দেবেন। গাছে সার দিতে হবে খুব পরিমান মতো কারণ সার বেশি কম হলেই গাছ মারা যেতে পারে। গাছের গোড়ায় কখনো সরাসরি এবং কাছে সার দেওয়া যাবে না, সার দিতে হলে গাছের গোড়া অনেকটা দূরে। আপনার পছন্দ হলে গোবর সার শুকিয়ে গুঁড়ো করে মাটির সাথে মিলিয়ে দিতে পারেন। কেউ যদি চান তবে সবজির ছোলা একটি পাত্র বা খালি টবের মধ্যে পঁচিয়ে জৈব সার তৈরি করে দিতে পারেন সেটাও গাছের জন্য খুব ভালো।

ফুলের জন্য


আপনি কোন ধরণের ফুল চান? ছোট না বড়! সেই মতো আপনাকে গাছের পরিচর্যা করতে হবে। যদি ছোট ফুল চান তাহলে গাছ যখন ২০-২৫ সেমি হবে তখন থেকে গাছের আগা অল্প অল্প করে ছেঁটে দিতে হবে। আর যদি আপনি বড় ফুল চান তাহলে গাছে কুঁড়ি আসার পর কিছু কুঁড়ি কেটে ফেলতে হবে।

পোকা মাকড় থেকে সুরক্ষা

গাছে যদি কোনো পোকা মাকরের উপদ্রব হয় তাহলে সেই গাছের আক্রান্ত পাতা, ফুল বা ডাল যাই থাকুক তা কেটে ফেলতে হবে। আর গাছে সাবান জল স্প্রে করে দিতে হবে। তাহলেই অনেকটা পোকা আক্রমণ থেকে রেহাই পাওয়া যাবে।

এই নিয়ম গুলি মেনে চলুন দেখবেন আপনার গাছ নষ্ট কম হবে। তবে আজ থেকেই শুরু করে দিন আপনার পছন্দের গাছের বাগান।

Tinystep Baby-Safe Natural Toxin-Free Floor Cleaner

Dear Mommy,

We hope you enjoyed reading our article. Thank you for your continued love, support and trust in Tinystep. If you are new here, welcome to Tinystep!

We have a great opportunity for you. You can EARN up to Rs 10,000/- every month right in the comfort of your own HOME. Sounds interesting? Fill in this form and we will call you.

Click here for the best in baby advice
What do you think?
0%
Wow!
0%
Like
0%
Not bad
0%
What?
scroll up icon