Link copied!
Sign in / Sign up
7
Shares

বাচ্চার স্মৃতি শক্তি উন্নত রাখতে কয়েকটি নিয়ম

শিশু যত বড় হয়, তার স্মৃতিশক্তি বাড়ে না, কমে এবং পড়াশুনা ও বাহ্যিক নানা বিষয়ের সাথে জড়িয়ে পড়লে স্মৃতিশক্তি ক্রমশ দুর্বল হতে থাকে। অনেক শিশুদের ক্ষেত্রে এ সমস্যা তীব্র হয়ে ওঠে যা নেতিবাচক প্রভাব ফেলে তার শিক্ষা জীবনে। যা মনে রাখা ভীষণ জরুরি ছিল সেটা ভুলে যাওয়ার জন্য প্রায়শই পরীক্ষায় কম নম্বর পেতে হয়। তবে জীবন আচরণে সামান্য কিছু পরিবর্তন আনলেই এ পরিস্থিতির নিয়ন্ত্রণ করা সম্ভব। এর ফলে শুধু স্মৃতির পাতাগুলোই সতেজ থাকবে তা নয়, শরীরও সতেজ থাকবে। পড়াশুনাতেও মনোনিবেশ করতে পারবে। এর জন্যে তাদের এই তিনটি অভ্যেস করান।

মস্তিস্ককে ব্যস্ত রাখুন

দুশ্চিন্তা, হতাশাকে শিশুর মাথা থেকে দূরে রাখুন। বিভিন্ন রকম উন্নয়নমূলক কাজে ব্যস্ত থাকুন, ব্যস্ত রাখুন মস্তিষ্ককে। দুশ্চিন্তা করতে গিয়ে মস্তিস্ক ক্লান্ত হয়ে পড়লে সেটা ভালো/ইতিবাচক চিন্তা করার আগ্রহ হারাবে। তাই সৃজনশীল কাজে ব্যস্ত রাখুন শিশুকে। রোজ নতুন করে কিছু শেখান, বেশি মানুষের সঙ্গে মেশার অভ্যাস তৈরী করুন। শিশু অনেক শিখতে পারবে, জানতে পারবে এবং হতাশা থেকে দূরে থাকতে পারবে।

স্বাস্থ্যকর ঘুম

দিনে নয় রাতে শিশুকে ঘুমোতে দিন। সাত থেকে আট ঘণ্টা অবশ্যই ঘুমাতে হবে। রাত জেগে পড়াশুনা করাবেন না। রাত জেগে পড়লে তার রেশ কাটিয়ে উঠতে দু-তিন দিন সময় লাগে। রাত জাগলে শরীর ক্লান্ত হয়ে পড়ে। এতে আরও পিছিয়ে পড়তে হবে তাদের । রাতে ঘুমানোর আগে হালকা ব্যায়াম করাতে পারেন। ঘুমানোর আগে মোবাইল, কম্পিউটার, টেলিভিশন, ইত্যাদি থেকে দূরে রাখুন। ঠিক সময়ে ঘুম থেকে ওঠার অভ্যেস করান। পরের দিন যদি ছুটিও থাকে, তাই বলে ঘুম ভেঙে গেলেও শুয়ে থাকতে দেবেন না। হাঁটাহাঁটি করান। হালকা ব্রেকফাস্ট করিয়ে একটু বেড়াতে নিয়ে যান। সারা দিনটাই ভালো যাবে।

খাদ্যাভ্যাসে সচেতনতা

বাইরের খাবার এড়িয়ে চলানোর চেষ্টা করুন। সেদ্ধ খাবার খাওয়াতে পারেন। প্রচুর জল, শাকসবজি, ফল খাওয়ান। তা বলে খাবার বেশি সেদ্ধ করবেন না। খাবারে যেন সব ভিটামিন থাকে সেটা নিশ্চিত করুন। চিনি, চর্বিসমৃদ্ধ খাবার বেশি খেতে দেবেন না।

Click here for the best in baby advice
What do you think?
0%
Wow!
0%
Like
0%
Not bad
0%
What?
scroll up icon