Link copied!
Sign in / Sign up
0
Shares

ঘরেই আয়ুর্বেদিক চিকিৎসার মাধ্যমে দূর করুন অনিয়মিত মাসিকের সমস্যা


মহিলাদের মাসিক জনিত সমস্যা লেগেই থাকে যার মধ্যে সব থেকে বেশি শোনা যায় অনিয়মিত মাসিকের সমস্যা। আমরা অনেক পোস্ট ইতিমধ্যেই মাসিক নিয়ে আপনাদের সাথে শেয়ার করেছি যেখানে অনিয়মিত মাসিকের কারণ ও লক্ষণ গুলি আপনারা পড়েছেন। আপনারা জেনে গেছেন যে অনিয়মিত মাসিক বা ইরেগুলার মেনস্ট্রুয়েশন নানা কারণে হতে পারে। অনেক সময় এটি আপনাকে প্রজনন তন্ত্রের বিভিন্ন জটিলতার পূর্বাভাস দেয়। আবার অনেকের স্বাভাবিক ভাবেই অনিয়মিত মাসিক হয়। তবে যাই হোক না কেন এটি সকলকে দুশ্চিন্তাগ্রস্থ করে তোলে। অনিয়মিত মাসিকের চিকিৎসায় যুগ যুগ ধরে চলে আসছে নানা ভেষজ ও আয়ুর্বেদিক পদ্ধতি, যেগুলোর উপকার বৈজ্ঞানিক ভাবেও প্রমাণিত হয়েছে। যদি আপনার শরীরে বড় কোন সমস্যা না থাকে তাহলে এর থেকে উপকার পাবার আশা আপনি করতেই পারেন। আজ এরকমই কিছু ঘরোয়া ভেষজ পদ্ধতি আপনাদের জন্যে দেওয়া হল।

কাঁচা পেঁপে

অনিয়মিত মাসিকের সেরা ওষুধ হল কাঁচা পেঁপে। নিয়মিত কাঁচা পেপে খাওয়া অনিয়মিত মাসিকের জন্য বেশ উপকারী। তবে যারা গর্ভবতী তাদের কাঁচা পেঁপে না খাওয়াই ভাল, এতে গর্ভপাত হতে পারে।


বটগাছের শিকড়

বটগাছের শেকড় নিয়ে সেটি ১২ মিনিট গরম জলে ফুটিয়ে ছেঁকে নিন এবং সেই জলে ৩ টেবিল চামচ দুধ মিশিয়ে প্রতিদিন রাতে ঘুমোনোর আগে খেয়ে নিন।

মৌরি

অনিয়মিত মাসিক দূরীকরণে মৌরি খুবই ভাল একটি ঔষধি হিসাবে কাজ করে।


আঙ্গুর

আঙুরও মাসিক নিয়মিত করার জন্য খুবই কার্যকরী। প্রতিদিন আঙুরের রস খেলে বা খাদ্য তালিকায় আঙুর থাকলে মাসিক আস্তে আস্তে নিয়মিত হয়ে যায়।

করলার রস

করলার রস অনিয়মিত মাসিক সরিয়ে তুলতে বেশ উপকারী।


ধোনে পাতা

প্রতিদিন ধোনে পাতা বাধোনে গুঁড়ো দিনে ৩ থেকে ৪ বার করে খেলে মাসিক নিয়মিত হতে শুরু করে।

মুলো

৩টি মূলাকে সামান্য জলে দিয়ে পেস্ট করে এক কাপ ছানার জলের সাথে মিশিয়ে প্রতিদিন পান করলে মাসিক নিয়মিত হতে শুরু করে।


ডুমুর

অনিয়মিত মাসিকের একটি গুরুত্বপূর্ণ ওষুধ হল ডুমুর যা যুগ যুগ ধরে ব্যবহৃত হয়ে আসছে। ৫-৬টি ডুমুর ফল কেটে জলে সেদ্ধ করে ছেকে সেই জল নিয়মিত পান করলে অনেক উপকার পাওয়া যায়।

গাঁজর

গাঁজরের প্রচুর পরিমানে বেটা ক্যরোটিন মাসিক নিয়মিত করতে সাহায্য করে।


এলোভেরা

এলোভেরা বা ঘৃতকুমারীর রস শুধু রূপচর্চা নয়, মাসিকও নিয়মিত করতেও গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে।

আঁখের রস

মাসিক শুরু হওয়ার সম্ভাব্য সময়ের এক দুই সপ্তাহ আগে থেকে আঁখের রস খেলে সময়মতো মাসিক হওয়ার সম্ভাবনা থাকে।

তবে, অবশ্যই মনে রাখবেন ওপরের সমস্ত পদ্ধতিগুলো কেবলমাত্র গর্ভবতী নন এমন মহিলাদের জন্যই প্রযোজ্য। গর্ভবতী মায়েদের শরীরে এই উপাদানগুলো উল্টো প্রতিক্রিয়া তৈরী করতে পারে। এইজন্যে যারা বিবাহিত তাদের আগে নিশ্চিত হতে হবে যে তারা গর্ভবতী হয়েছেন কিনা।

একটা বিষয় মনে রাখা উচিত শরীরে আয়রনের অভাব হলেও মাসিক অনিয়মিত হতে পারে। এজন্য ভেষজ এই পদ্ধতিগুলোর পাশাপাশি আয়রন সমৃদ্ধ খাবার যেমন: চিকেন, মটন, মেটে, ডিম; চিংড়ি, মাছ; পালং শাক, মিষ্টি আলু, মটরশুটি, ব্রকোলি, বাধাকপি, ফুলকপি; সুজি, গম, বার্লি; স্ট্রবেরি, তরমুজ, খেজুর; টমেটো, ডাল, ভুট্টা, শস্যদানা ইত্যাদি প্রচুর পরিমানে খেতে হবে।

আর এতেও যদি উপকার না পান সেক্ষেত্রে কোন গাইনোকলজিস্টের শরণাপন্য হওয়াই বাঞ্ছনিয়।

Click here for the best in baby advice
What do you think?
0%
Wow!
0%
Like
0%
Not bad
0%
What?
scroll up icon