Link copied!
Sign in / Sign up
0
Shares

শিশুর উদ্দেশ্যে অবিভাবকের প্রাথমিক বুলি


আপনি হয়ত খেয়াল করে দেখেছেন যে চার মাস বয়স থেকেই বাচ্চারা নিজেদের ভাষায় কিছু না কিছু বোঝানোর চেষ্টা শুরু করে। আপনি সেই কথাগুলো বোঝার চেষ্টা করেন আর আপনার বাচ্চাও আপনার প্রত্যুত্তরের আওয়াজ শুনতে পারে। কিন্তু ওই বয়সে স্বাভাবিক ভাবেই শিশুরা কথা বলতে পারে না। তবে আপনি যথাযথ ভাবে সাহায্য করলে ছয় মাস থেকে এক বছর বয়সের মধ্যেই কিছু প্রাথমিক বুলি এবং কাজ শিশুকে শেখানো সম্ভব। কী ভাবে সাহায্য করবেন?

১. কথা বলতে শেখান

বাচ্চার বয়স চার মাস পেরলেই তারা মা, বাবা বা ওই ধরণের সহজ কিছু শব্দ বলতে শুরু করে দেয়। তার কারণ এই সহজ শব্দগুলো তারা অনায়াসে উচ্চারণ পারে। অনেকের মতে এই সময় শিশুদের সঙ্গে যত কথা বলা হবে, তত সহজে তারা নিজে থেকে কথা বলতে শিখবে। খেয়াল করে দেখবেন আপনারা যখন এই বয়সের শিশুদের সঙ্গে কথা বলেন তখন শিশুরাও হেসে ওঠে এবং মুখ দিয়ে বিভিন্ন রকমের শব্দ বের করে। কাজেই চেষ্টা করুন শিশুর সঙ্গে যতটা সম্ভব কথা বলতে।

২. আত্মনির্ভর করে তুলুন

ছয় মাস বয়সের পর থেকে শিশুদের মায়ের দুধের বাইরে গিয়ে অন্যান্য খাবার খেতে দেওয়া হয়। এই সময় দেখা যায় কিছু মায়েরা শিশুদের বোতলে দুধ খাওয়ান, আবার কেউ কেউ চামচে করে দুধ খাওয়ান। আপনার চেষ্টা করতে হবে শিশুকে এমন ভাবে খাওয়াতে যাতে সে নিজের হাতে করে নিয়ে খাওয়ার চেষ্টা করে। আপনার শিশুর বয়স ছয় মাস পেরলে চেষ্টা করুন তাকে ওয়াকারে বা নিচে বসিয়ে তার সামনে খাবার সাজিয়ে রাখতে যাতে সে খাবারকে নিজের হাতে নিয়ে খেতে চেষ্টা করে। শুরুর দিকে হয়ত সে ফেলে ছড়িয়ে খাবে কিন্তু ক্রমশ এটা তার অভ্যাস হয়ে দাঁড়াবে।

৩. শ্রবণ শক্তি

আপনি খেয়াল করে দেখবেন খুব অল্প বয়সে বাচ্চাদের শ্রবণ শক্তি খুব ধারালো হয়। যে কোনও ছোট শব্দও তারা ঠিক শুনতে পারে। কাজেই শিশুর বয়স পাঁচ মাস হলেই আপনার উচিৎ তার নাম নিয়ে তাকে বিভিন্ন ভাবে ডাকা। তাহলে আপনি দেখবেন আপনার বাচ্চা সেই বিভিন্ন ভাবে এবং বিভিন্ন দিক থেকে ভেসে আসা ডাক শুনছে এবং চিনতে শিখছে। অর্থাৎ সে নিজের নাম চিনতে শুরু করছে। কাজেই বার বার শিশুর নাম ধরে ডেকে তাকে বিভিন্ন কথা বলুন, এতে তার ব্রেন হয়ে উঠবে আরও সচেতন এবং দ্রুত।

৪. বিভিন্ন রকম খেলা খেলুন

আপনার বাচ্চার বয়স সাত থেকে আট মাস হলে আপনি ওর সঙ্গে বিভিন্ন রকমের খেলা শুরু করতে পারেন; যেমন ওর দিকে বল ছুঁড়ে দেওয়া। চেষ্টা করুন বল এমন ভাবে ছুঁড়তে যাতে আপনার বাচ্চা সেটা সহজেই ধরতে পারে নয়ত সে আগ্রহ হারিয়ে ফেলবে। এই ধরণের খেলা বাচ্চার মনঃসংযোগ বাড়াতে সাহায্য করে এবং তাকে আরও চটপটে করে তোলে।

আর এই সব বাদে আপনার উচিৎ বাচ্চার স্নানের সময় ওকে কিছু অ্যাক্টিভিটির মধ্যে রাখা, যেমন বাথ টাবে বিভিন্ন খেলনা দেওয়া ইত্যাদি।

Click here for the best in baby advice
What do you think?
0%
Wow!
0%
Like
0%
Not bad
0%
What?
scroll up icon