Link copied!
Sign in / Sign up
9
Shares

আপনার স্বামীর সাথে এই ১০টি জিনিস নিয়ে তর্ক করবেন না


চলুন মোকাবেলা করা যাক।প্রতিটি দম্পতির খারাপ দিন থেকেই থাকে,কেউ এটাকে নিয়ে মোকাবিলা করে আবার কেউ বা সেটাকে নিয়ে মাথা গরম করে ফেলে। বলা হয় যে, যুদ্ধ হচ্ছে মানব সমাজের অন্যতম প্রকৃতি।যদিও, কিছু কিছু জিনিস রয়েছে যা যুদ্ধের প্রয়োজন হয় না।এটি সম্পর্ককে শেষ করে দিতে পারে যেটা কেউই চাই না।ভালোভাবেও কোনো সম্পর্ককে মানিয়ে চলা যায়।আপনার স্বামীর সাথে ঝগড়া হলে কি করা উচিত সেই বিষয়ে নিম্নলিখিত কিছু উপায় দেওয়া হলো।

১. নাম ধরে ডাকবেন না

তর্কের খাতিরে ধরে নেওয়া যাক যখনই আমার রেগে যাই তখনই বাচ্ছাদের মত নাম ধরে ডেকে ফেলি।যদিও আমরা বুঝতে পারি যে, আমরা এখন আর বাচ্ছা নই।অনেক কিছু জিনিস শুনতে ভালো লাগে না বিশেষত "তুমি একটা" এই ধরণের যেগুলো খুবই খারাপ শুনতে লাগে। বিশেষত আপনার জীবন সঙ্গিনীকে এগুলো বলা উচিত নয় কারণ তারা আপনার প্রতি অনেক যত্নবান ও বিশ্বাসী হয়।এই অর্থে অপমানজনক কিছু মনে লেগেই থাকে যদি সেটা কোনো প্রিয়জনের কাছ থেকে আসে।

২.অতীত খনন করো না

কোনও পূর্বের ঘটনা নিয়ে তর্ক বিতর্ক না করাই ভালো সেটা যতই আপনার অতীতকে নিয়ে হোক না কেন। কারণ বিশেষ সম্ভবনা থাকে আপনার স্বামী পুরোনো জিনিসগুলো নিয়ে ইতিমধ্যেই অনেক আফসোস করছেন এবং এখন সেই অতীতের ভুলগুলোকে তিনি শুধরাতে চাইছেন। সবকিছু ভুলে যেতে শিখুন এতে সম্পর্ক বজায় থাকে।

৩. নীরবতা একটি নিঃশব্দ চিকিৎসা

কিছু বয়সের সমস্যা হলো আম্পার রাগ করে অনেক কিছু বলে ফেলি বা কাউকে দুঃখও দিয়ে থাকি।কোনো সম্পর্কের ক্ষেত্রে মনে রাখতে হবে আপনার মস্তিষ্ককে কেউ একবারে পড়তে পারবে না, আপনাকে বলতে হবে সমস্যাটা কি নিএ এবং সেটাকে নিয়ে আলোচনা করতে হবে যে কিভাবে সেটাকে ঠিক করা যেতে পারে।

৪. সাধারণীকরণ করবেন না

আপনি কখনোই আমাকে সাহায্য করবেন না বা আপনি সর্বদা এটি করুন বাক্যাংশগুলি ব্যবহার করলে সবসময় তর্কবিতর্ক বাড়ে। উপরন্তু, এটি শুধুমাত্র উভয় পক্ষের থেকে আরো অভিযোগও বাড়াতে পারে, এবং এর থেকে হাতাহাতিও হতে পারে।

৫. বিষয় থেকে বিরত হবেন না

এইটা খুব সহজ যখন কোনো ঝামেলা হয় তখন আমরা একটা বিষয় থেকে অন্য বিষয়ে চলে যাই।এটা করবেন না।যেটা নিয়ে তর্ক হচ্ছে নিজের সাধ্য মতো সেই বিষয়টাতে টিকে থাকার চেষ্টা করুন।এটি সমস্যা সমাধানের দ্রুত এবং সর্বোত্তম উপায়।

৬. নোংরাভাবে তর্ক করবেন না

আমরা জানি যে আপনার রাগগ্রস্থ জিনিসগুলি আপনার অংশীদারকে গভীরভাবে ক্ষতিগ্রস্ত করবে। এটি একটি বোতাম চাপ দেয়ার মতো, জেতা উচিত নয় কিন্তু আপনি রাগের মুহূর্তে সেটা করে থাকেন। আপনি যদি এটি করেন তবে এটি অবশ্যই অন্যভাবে কাজ করবে।আমরা সবাই জানি যে আপনি আপনার সঙ্গীকে আঘাত করতে চান না, তাই সচেতনভাবে সবকিছু চেষ্টা করবেন। তাকে লাঞ্ছনা করা অত্যন্ত অন্যায়। সুতরাং তর্কের সময়ে এইসব জিনিসগুলি এড়িয়ে চলাই ভাল।

৭. ভেঙে পড়বেন না

এটি একটি মানসিক কৌশল যা বেশিরভাগ দম্পতি এই বিষয়ে সচেতন থাকে না যে এটি কিভাবে ক্ষতিকারক হতে পারে। তাদের চেহারা সম্পর্কে আপনার সঙ্গীকে অপমান করবেন না। এটা পুরোটাই অপ্রাসঙ্গিক এবং অপ্রয়োজনীয়। একটি যুক্তি এর মাঝখানে তার চুল পরে যাওয়া বা ওজন কম হয়ে যাওয়া এইসব ব্যাপারে মনোযোগ দেবেন না এবং সেই ব্যাপারটিকে তুলেও ধরবেন না। আপনি অন্য কোন সময়ে এই সমস্যাগুলির মোকাবেলা করতে পারেন। যাইহোক, এখন এইসবের সময় নয়।

৮. কখনও অন্যান্য দম্পতি সঙ্গে তুলনা করবেন না

মনে রাখবেন যে আপনার সম্পর্ক আপনারই, যেটি অন্যতম।সুতরাং নিজেদের সাথে অন্য দম্পতিদের তুলনা করা কখনোই উচিত নয়। প্রত্যেকেই আলাদা মানুষ সুতরাং তাদের জীবন যাপন ও আলাদাই হবে। তাই তুলনার আঁকড়ি ধরে একে অপরকে নিকৃষ্ট মনে করার প্রয়োজন নেই।

৯. প্রয়োজন না হলে অন্য পরিবারের সাহায্য নেবেন না

যেরকমই যুক্তি তর্ক হোক না কেনো কোনসময় আপনার সঙ্গিনীর পরিবারকে তুলে কথা বলবেন না।পারিবারিক এবং বন্ধু সম্ভবত একজন ব্যক্তির একটি সংবেদনশীল বিষয় এবং তাদের এসব বিষয়ে না ডেকে আনাই ভালো। ধরে নিন আপনার অসুস্থতার কথা আপনার বাবা বা মা কে জানালে যতটা ওনারা চিন্তা করেন ঠিক ততটাই চিন্তা এই বিষয়েও হবে।

১০.আপনার সঙ্গীকে সম্মান করতে ভুলবেন না

জিনিসগুলি যতই হাতের বাইরে চলে যাক না কেন আপনি আপনার জীবন সঙ্গীকে অসম্মান করবেন না।মনে রাখবেন, যতই হোক সেটি আপনার স্বামী/স্ত্রী, ঝগড়া কিন্তু থাকবে না কিন্তু অপমানটা থেকেই যায়। সুতরাং এমন কিছু করবেন না যাতে আপনার সম্মানহানি হয়।

Click here for the best in baby advice
What do you think?
0%
Wow!
0%
Like
0%
Not bad
0%
What?
scroll up icon