Link copied!
Sign in / Sign up
5
Shares

শরীরী মিলন নয়, আলিঙ্গন বা চুম্বন আপনার বেঁচে থাকার জন্য জরুরি


সম্পর্ক টিকিয়ে রাখতে গেলে ঠিক কোন ক্রিয়াটি সম্পর্কের মধ্যে গুরুত্ব পূর্ণ। বিশেষ করে রোম্যান্টিক সম্পর্কের প্রিয়জনকে বুকে টেনে নিন, আলিঙ্গনে জড়িয়ে রাখুন। সম্পর্ক টিকবে বহুদিন, আলিঙ্গন স্ট্রেস কমায়, ভাঙা সম্পর্ক জোড়া লাগায় এবং সর্বোপরি আত্মবিশ্বাসকে পিরিয়ে আনে।

আলিঙ্গন যে সামাজিক সম্পর্কের ক্ষেত্রেও বিপুল পরিমাণে কার্যকর, সে কথা স্বীকার করছেন মানুষ। কীভাবে জড়িয়ে ধরতে হবে, কখন আলিঙ্গন করতে হবে, আলিঙ্গনের পরবর্তী ক্রিয়াগুলি কী, একটা গভীর আলিঙ্গনে নাকি তাদের দীর্ঘ ১৫ বছরের সম্পর্কের মূল চালিকাশক্তি। অবসাদকে কাটাতে চুম্বনের চাইতে ভাল দাওয়াই আর হতে পারে না। একটি গভীর আলিঙ্গনেই খুঁজে নেন তাঁদের ভালবাসার আশ্রয়কে। তাঁদের এই মানসিক অনুভূতির পিছনে যে সত্যিই বৈজ্ঞানিক কারণ আছে, তা হয়তো খেয়ালও করেননি কোনওদিন।

যে কোনও সম্পর্কে একটি আলিঙ্গনের অনেক উপকারিতা রয়েছে। কী সেগুলি জেনে রাখুন।

১. অনেকদিন বা অনেকক্ষণ পরে প্রিয়জনের সঙ্গে দেখা হলে একটু জড়িয়ে ধরুন তাঁকে। একাকিত্ব থেকে মুক্তি পাওয়ার জন্যেও আলিঙ্গনের বিকল্প পাওয়া মুশকিল। আলিঙ্গনের ফলে অক্সিটোসিন হরমোন নিঃসৃত হয়। এই হরমোন যে কোনও যুগলের বন্ধন দৃঢ় করতে সাহায্য করে।

২.প্রিয়জনকে টেনশনে থাকতে দেখলে অবশ্যই আলিঙ্গনে আবদ্ধ করুন তাঁকে। এর ফলে মাংসপেশির টেনশনও দুর হয়। মনের চাপ কমাতে এটি অন্যতম ওষুধ।

৩. একটি আলিঙ্গন আক্ষরিক অর্থেই একে অপরের হৃদয়কে কাছাকাছি আনে। এর ফলে বায়োএনার্জেটিকস ক্ষেত্র তৈরি হয় আর তার মাধ্যমে অনুভূতির আদানপ্রদান হয় সহজেই। একে অন্যের উপরে বিশ্বাস এর ফলে বাড়ে।

৪. মনের ব্যথা তো বটেই, শরীরের ব্যথা কমাতেও প্রিয়জনকে জড়িয়ে ধরতে পারেন। দেহের নরম টিস্যুগুলিতে এন্ডরফিনস হরমোনের স‌ঞ্চালনের ফলে ব্যথার উপশম হতে পারে।

৫. হতাশা থেকে বা স্নায়ুরোগের হাত থেকে মুক্তি পেতেও আলিঙ্গন দারুন কাজ করে। শক্ত করে জড়িয়ে ধরলে যে কোনও মানুষের মস্তিষ্কে ডোপামাইন নিঃসৃত হয়। ভালবাসার মানুষের মুড ভাল করতে চাইলে আলিঙ্গন থেকে আর ভালো কি হতে পারে।

৬. আলিঙ্গন রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতাও বাড়াতে পারে। গবেষণায় দেখা গিয়েছে, যাঁরা নিয়মিত প্রেমিক-প্রেমিকাকে আলিঙ্গন করেন, তাঁদের রোগ প্রতিরোধের ক্ষমতাও বেশি।

৭. প্রিয়জন অফিস থেকে ফিরে এলে অবশ্যই একবার অন্তত জড়িয়ে ধরুন। দিনের সমস্ত ক্লান্তি, মানসিক চাপ দুর হয়ে যাবে এক নিমেষেই।

৮. গবেষণায় দেখা গিয়েছে, আলিঙ্গন হার্ট বা হৃদয় ঠিক রাখার পক্ষেও খুব কার্যকরী।

প্রিয়জনকে নিয়মিত আলিঙ্গন করুন। মন ও শরীর থাকবে তাজা ও ঝরঝরে। ‘হাগ ডে’ বা ‘ভ্যালেন্টাইন’স ডে’ তে বিশ্বাস করুন বা না করুন আলিঙ্গনে বিশ্বাস রাখুন।

Click here for the best in baby advice
What do you think?
0%
Wow!
0%
Like
0%
Not bad
0%
What?
scroll up icon