Link copied!
Sign in / Sign up
0
Shares

স্তন ক্যান্সার! জানার উপায়


ব্রেস্ট ক্যানসারে আক্রান্তের সংখ্যা খুবই বেড়ে চলেছে দেশে এবং বিদেশে। এই নিয়ে মহিলারা খুবই চিন্তিত থাকেন। কিন্তু এই নিয়ে বহু ভুল ধারণা রয়েছে মানুষের মনে, তেমন জেনেনি কিছু ধারণা

১. স্তনে লাম্প থাকা মানেই কিন্তু ক্যানসার নয়। দুগ্ধবতী মহিলাদের স্তনে এমন লাম্প থাকে। যতটা দুগ্ধক্ষরণ হচ্ছে স্তনের মধ্যে ততটা যদি সন্তান পুরোপুরি পান না করে তবে ওই অতিরিক্ত দুধ জমে লাম্পের মতো হয়। এগুলি ক্যানসার নয় কিন্তু এর থেকে ক্যানসার হওয়ার সম্ভাবনা থাকে। তাই অতিরিক্ত দুধ ব্রেস্ট পাম্পের মাধ্যমে ফেলে দেওয়া উচিত।

২. যদি লাম্প থাকে এবং ম্যামোগ্রাম রিপোর্ট নর্মাল থাকে তার মানেই কিন্তু ক্যানসারের সম্ভাবনা উড়িয়ে দেওয়া যায় না। প্রয়োজনে বায়োপসি এবং এমআরআই করতে হতে পারে। তাই স্তনে স্ফীতি থাকলেই চিকিৎসকের পরামর্শ নেওয়া জরুরি।

৩. স্তনে লাম্প যখন আকারে ছোট থাকে তখন তা ক্যানসারাস হওয়ার সম্ভাবনা অপেক্ষাকৃত কম। লাম্প বড় হলে একেবারেই অবহেলা করা উচিত নয়।

৪. লাম্প বা স্তনের স্ফীতিগুলিতে যদি ব্যথা হয় তার মানেই তা ক্যানসার নয়। ক্যানসার থাকলে বরং স্তনের স্ফীতিতে ব্যথা চট করে হয় না।

৫. লাম্প সব সময় যে শুধু স্তনেই হবে এমন কোনও কথা নেই, ব্রেস্ট ক্যানসারের লাম্প আন্ডারআর্মের কাছেও থাকে।

৬. ব্রেস্ট ক্যানসারে জিনের একটি বড় ভূমিকা রয়েছে। অর্থাৎ পরিবারের অন্য সদস্যদের যদি এই রোগ থাকে তবে স্তনে লাম্প দেখা দিলে তা ক্যানসার হত পারে। কিন্তু তার মানে এই নয় যে যাঁদের পরিবারে এমন কোনও মেডিক্যাল হিস্ট্রি নেই তাঁদের ব্রেস্ট লাম্প থেকে ক্যানসার হওয়ার কোনও আশঙ্কা নেই।

৭. স্তনের লাম্পগুলিতে ব্যথা হোক বা না হোক, বেশি চাপ দেওয়া উচিত নয়। স্তনে হাত দিয়ে যদি মনে হয় যে লাম্পের মতো কিছু হয়েছে তবে তাড়াতাড়ি চিকিৎসকের কাছে যাওয়াই ভাল।  

Click here for the best in baby advice
What do you think?
0%
Wow!
0%
Like
0%
Not bad
0%
What?
scroll up icon