Link copied!
Sign in / Sign up
1
Shares

৯ টি প্রাথমিক এবং সহজ ব্যায়াম প্রসবোত্তর কালীন আপনার ওজন নিয়ন্ত্রণে রাখার জন্য

গর্ভাবস্থা মায়ের শরীরে অনেক শারীরিক পরিবর্তন নিয়ে আসে। যার একটি ওজন বৃদ্ধি। মায়ের প্রথমে এই ওজন বৃদ্ধি তা কে খুব গুরুত্ব দেয় না এবং হটাৎ করে কঠোর শারীরিক ব্যায়ামের পরিকল্পনা করে। এটা যুক্তিযুক্ত মায়েরা কিছু হালকা এবং সহজ ব্যায়ামের সঙ্গে শুরু করার জন্য। এটি যোগ বা কিছু এরিবিক্স হতে পারে। সঠিক পথে শুরু অত্যন্ত প্রয়োজনীয়!

একটি কাজের রুটিন করার সময়, মায়েদের বুঝতে হবে যে সবকিছুর একটা সময় লাগে। পরিবর্তন ধৈর্য এবং আত্মোৎসর্গ প্রয়োজন হবে। কিন্তু যথাযথ পরিমাণে অধ্যবসায় এবং সংকল্পের সাথে মিলিয়ে কিছু অর্জন করা যায়।

এখানে কয়েকটি ব্যায়াম রয়েছে যা আপনাকে আপনার প্রসবোত্তর ওজনকে নিয়ন্ত্রণে রাখতে সাহায্য করবে।

১. আপনি যখন গর্ভবতী তখন শুরু করুন

প্রথম থেকে শুরু করলে একটি বড় পার্থক্য হয়। আপনি যেখানে সবকিছু শেষ করেছিলেন আবার সেখান থেকে শুরু করুন এবং ডেলিভারির পরে আবার চর্চা শুরু করুন। গর্ভাবস্থায়, ওজন লাভ করা স্বাভাবিক, তবে আপনি এটির সুবিধা গ্রহণ করতে চাইবেন না। আপনি গর্ভবতী হয়েছেন বলে আলুর মতো হয়ে যেতে পারেন না। একটু হাঁটা এবং একটু প্রসারিত হত্তয়া।

২. হাঁটা

হাঁটা আপনার শরীরের রক্ত ​​প্রবাহ নিয়ন্ত্রণ এবং সঞ্চলন উন্নতিতে সাহায্য করে। নিয়মিত ধীরে ধীরে শুরু করুন এবং কখন কখন একটু জোরে হাঁটুন। একটু পরিবর্তনের জন্য, পিছনে হাঁটা বা এঁকেবেঁকে হাঁটার চেষ্টা করুন এতে আপনার পেশী মনন হবে। এটি দ্বারা আপনার শরীরের বিপুল ভারসাম্য বৃদ্ধি হবে।

৩. ঘুম

এটি করা খুব কঠিন নয় এবং বেশিরভাগ মহিলারা এটি পছন্দ করে। কেন তারা হবে না?! আপনার শিশুর ঘুমের চক্রগুলি খুব অনিয়ন্ত্রিত হতে পারে এবং আপনার ঘুমন্ত নিদর্শনগুলির উপর নির্দিষ্ট নিষেধাজ্ঞা আরোপ করতে পারে। এই ক্ষেত্রে, আপনার পক্ষে ভাল যতটা বিশ্রাম প্রয়োজন সেটা নেয়া প্রয়োজনীয়।

৪. পেলভিক টিল্টস

এই ব্যায়াম একটি সহজ ফর্ম যার মধ্যে আপনি আপনার নিতম্ব দুই দিকে কাত করেন। এটি আপনার শরীরের পিছন এবং কাছাকাছি জমা আছে যে চর্বি হারাতে সাহায্য করে। পেলভিক টিল্টস এছাড়াও আপনার পেটের চর্বি কমাতে সাহায্য করে।

৫. পাইলেটস

পাইলেটস একটি উপায় যা আপনার নড়াচড়া এবং অঙ্গভঙ্গিকে নিয়ন্ত্রণ করে। পাইলেটস নমনীয়তা, শক্তি, নিয়ন্ত্রণ, শ্বাস, সমন্বয় এবং ভারসাম্য উন্নতি করে। এটি প্রধানত আপনার পেট, নীচের পিঠ এবং নিতম্বর উপর কাজ করে। আপনার ব্যায়াম করার ক্ষমতার উপর নির্ভর করে এই ব্যায়াম সহজ বা কঠিন হতে পারে।

৬. গভীর শ্বাস এবং পেটের সংকোচন

এই ব্যায়াম এত সহজ যে আপনি জন্ম দেওয়ার থেকে প্রায় এক ঘন্টা পর তা শুরু করতে পারেন। এটি আপনার অ্যাবস এবং পেট শক্তিশালী এবং টোন করে। আপনাকে যা করতে হবে তা সোজা হয়ে বসা এবং গভীরভাবে শ্বাস ফেলা, উপর দিকে তাকিয়ে। যখন নিঃশ্বাস নিচ্ছেন তখন তা শক্ত করুন আবার যখন নিঃশাস ছাড়ছেন তখন শিথিল করুন। ধীরে ধীরে আপনি পরিমাণ বৃদ্ধি করতে পারেন।

৭. মাথা এবং কাঁধের উত্তোলন

এই ব্যায়াম পিছনের মাংসপেশি শক্তিশালী করতে সাহায্য করে। তারা আপনাকে ক্যালোরি কমাতে সাহায্য করে আপনার অ্যাবস এবং পেট টোন করেন।

৮. কার্ল আপগুলি

শুধু কাঁধ এবং মাথা তোলার মত, কার্ল আপ আপনি আপনার পিছন, অ্যাবস এবং পেট শক্তিশালী করতে সাহায্য করে। মেঝেতে শুইয়া এবং আপনার শরীর টাকে তুলুন হাঁটু মাঝখান পর্যন্ত না হওয়া অবধি এবং মেঝেটা আপনার পিছনে।

৯. কেগেলস

কেগেলস, একটু ভিন্ন ব্যায়াম, একটি খুব ভিন্ন ক্রিয়া সঞ্চালন করে। তারা আপনার মূত্রাশয় পেশী টোন এবং জন্মের সাথে জড়িত অক্ষমতার ঝুঁকি কমাতে সাহায্য করে।

Click here for the best in baby advice
What do you think?
0%
Wow!
0%
Like
0%
Not bad
0%
What?
scroll up icon