Link copied!
Sign in / Sign up
23
Shares

৮টি সংকেত যার থেকে বোঝা যায় যে আপনি ও আপনার স্বামী এক অসামান্য দম্পতি

আমরা সবাই এরকম দম্পতিকে দেখেছি, তা ছবিতে হোক বা আসল জীবনে, যারা একসঙ্গে খুবই মিষ্টি নানা জিনিস করে, যা দেখে আমরা বলে ঊঠি – “এদের মত অসামান্য দম্পতি হয়?” কিন্তু এই দম্পতিটি আপনি ও আপনার স্বামী/স্ত্রীও হতে পারেন। তা আপনারা কোথায় কোথায় বেড়াতে জাছহেন, বা কি কি ছবি তুলছেন, তার ওপর নির্ভর করে না। এটা বোঝা যায় এই দেখে যে আপনারা একে অপরের সাথে কিরকম ব্যবহার করছেন, যেটা আপনাদের সম্পর্কে সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ বিষয়। এটা জানতে হলে এই আটটি সংকেতের দিকে খেয়াল রাখুন।

 ১। আপনারা একে অপরের জন্য সময় বার করেন

আজকাল সবাই নিজের কাজের চাপ, এবং সংসারের দায় সামলানোর চেষ্টায় সর্বদা ব্যস্ত থাকে। কিন্তু আপনার প্রিয় জনের সাথে একটু সময় কাটাতে পারলে যেন সেই চাপটা, অল্প সময়ের জন্য হলেও, হাল্কা হয়ে আসে। আপনি জানেন যে আপনারা দুজন দুজনের কাছে সমান মূল্যবান। তাই আপনারা যদি একে অন্যের সাথে কাটানোর জন্য একটু সময় বার করে নেন, তা বাজার যাওয়ার মতো সাধারণ কাজের জন্য হলেও তার থেকে বোঝা যায় যে আপনাদের মধ্যে এক গভীর বন্ধন আছে।

 ২। আপনি যা বলতে চান তাই বলেন

আপনাদের কখনও নিজের ভাবনা ও অনুভূতি একে অপরের থেকে লুকোতে হয় না। তা বাড়ি কেনার মতো বড় সিদ্ধান্তই হোক বা টিভির চ্যানেল পালটানোর মত সামান্য ব্যাপার। আপনারা যেমন ভাবেন সেরকম কথা বলেন, তার জন্য দরকার হলে ঝগড়া করতেও পিছপা হন না। আপনাদের সম্পর্কে ভাব প্রকাশের কোন দোটানা নেই, আর আপনাদের ঝগড়া সবসময় সোজাসুজি কথায় হয়। আপনারা জানেন যে একে অপরের ভাবনা আন্দাজ করা সম্ভব নয়, তাই আপনারা স্পষ্ট কথা বলেন। এটা এই সম্পর্ককে আরও শক্তিশালী বানায় তাদের তুলনায় যারা নিজেদের ভাবনা লুকিয়ে রাখার প্রয়োজন মনে করেন।

 ৩। আপনারা একে অপরের আদর্শকে আপন করে নেন

আপনারা দুজন মিলে পুরো বিশ্বের বিরুদ্ধে দাঁড়াতে পারেন। আপনারা প্রায়শ একে অপরের সঙ্গে কথা বলেন নিজেদের আকাঙ্খা এবং স্বপ্ন নিয়ে, এবং আপনারা যদি আদর্শ দম্পতি হন, তাহলে নিজেরাই একে অন্যকে উৎসাহ দেবেন এই স্বপ্নগুলি পূরণ করার জন্য। সেটা নতুন ব্যবসা শুরু করা হোক, বা আপনার স্বপ্নের বাড়ি বানানো, দুজনে সব সমস্যার বিরুদ্ধে লড়াই করবেন একসঙ্গে।

 ৪। আপনারা দোষারোপ করা পছন্দ করেন না

আপনি জীবনসাথীর পাশে দাঁড়ান, তাঁর বিরুদ্ধে নয়। আপনারা একে অপরকে দোষারোপ না করে কোন সমস্যার স্বাভাবিক সমাধান খোঁজেন। খুব ছোট ছোট কারণে আপনি চাইবেন না আপনার স্বামী/স্ত্রীকে নিচু করে দেখতে, বা তাদের ভাবনাকে আঘাত করতে।

 ৫। আপনার স্বামী/স্ত্রীর সমস্যা আপনার নিজের হয়ে দাঁড়ায়

আগের বিষয়টার সঙ্গে যোগ করে বলছি, আপনার স্বামী/স্ত্রীর দুঃখে সহমর্মি হওয়া আর নিজের কষ্টের কথা তাঁকে বলা আপনার মন থেকে এই বোঝা সরিয়ে ফেলতে সাহায্য করে। আপনি চাইবেন না যে তিনি বিষণ্ণ হয়ে থাকুন, কারণ তাঁকে ওরকম দেখলে আপনারও মন খারাপ হয়ে যায়। তাই চেষ্টা করুন একে অপরের দুঃখ দূর করে তা খুশীতে ভরিয়ে তুলতে।

 ৬। আপনারা সব বিষয়ে অন্তরঙ্গ

আপনাদের সম্পর্ক শুধু যৌনতার নয়। নিশ্চয়, একটা সুস্থ সেক্স লাইফ থাকা জরুরী যেকোনো দম্পতিতে, কিন্তু আপনাদের অন্তরঙ্গতা শুধু এই বিষয়েই থেমে থাকে না। আপনাদের আবেগ, ভাবনা ও আত্মা একে অপরের সঙ্গে জড়িয়ে আছে।

 ৭। আপনাদের সম্পর্ক বাইরের কারোর দ্বারা নির্দেশিত হয় না

অন্যরা আপনি আর আপনার স্বামী/স্ত্রীর সম্পর্কের বিষয়ে কি বলে, তাই নিয়ে আপনি ভাবেন না। আপনাদের সম্পর্কে এমন অনেক কিছু আছে যার সম্বন্ধে অন্যেরা জানবেন না - আপনি এটা উপলব্ধি করেন। আপনারা নিজেরা সিদ্ধান্ত নেবেন যে আপনাদের সম্পর্কে কি হয়, এবং জীবন কিভাবে চলে। এই বিষয়ে আপনি বাইরের লোকেদের কথা বলতে, বা কোন সিদ্ধান্ত নিতে দেন না।

 ৮। আপনারা একে অপরকে আরে ভালো করে তোলেন

যেকোনো একক মানুষ ক্রমাগত নিজের উন্নতি করার প্রচেষ্টা করতে থাকে। কিন্তু আপনারা শুধুমাত্র একে অপরের সংস্পর্শে থেকে এই উন্নতি ঘটাতে পারেন। আপনার কি কখনও মনে হয়, যে আপনার স্বামী/স্ত্রী আপনার জীবনে আসার পর থেকে আপনি আরো সুখে আছেন? তাহলে হতে পারেন যে আপনারা একে অপরের সমস্ত প্রয়োজন পূর্ণ করেন। অনেকে এরকম দম্পতিকে আদর্শ, বা “সোল-মেট্‌স” (soul-mates) বলে মনে করে।

Click here for the best in baby advice
What do you think?
0%
Wow!
0%
Like
0%
Not bad
0%
What?
scroll up icon