Link copied!
Sign in / Sign up
1
Shares

৭টি খাদ্য যা রাখে আপনার ও বাচ্চার লাংস বা ফুসফুস দুর্দান্ত


স্বাস্থ্যের ওপর মারাত্মক প্রভাব ফেলছে বায়ুদূষণ। দেখা দিচ্ছে নানা জটিল রোগ। বাচ্চা থেকে বড় সকলেরই সমস্যা দেখা দিচ্ছে ফুসফুসে। স্বাস্থ্য বিশেষজ্ঞরা পরামর্শ দিচ্ছেন, বায়ুদূষণের ক্ষতিকর প্রভাব ঠেকাতে নিয়মিত কিছু স্বাস্থ্যকর খাবার খাওয়া প্রয়োজন। এর মধ্যে অন্যতম টমেটো। এতে থাকা লাইকোপেন অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট শ্বাসযন্ত্রে সুরক্ষা–স্তর হিসেবে কাজ করতে পারে। এ ছাড়া কমলা, পেয়ারা, আঙুর, লেবুর মতো ভিটামিন সি–সমৃদ্ধ ফল নিয়মিত খেতে হবে। এসব ফল ফুসফুস ভালো রাখে। ফুসফুস ভালো রাখতে পারে—এমন কয়েকটি খাবার সম্পর্কে জেনে নিন:

আমলকি

গবেষণায় দেখা গেছে, নিয়মিত আমলকি খেলে যকৃতের ধূলিকণার সব ক্ষতি ঠেকানো যায়। আমলকিতে থাকা ভিটামিন সি শিশুর রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়ায়, সর্দি-কাশি ঠেকাতে পারে। আয়ুর্বেদ শাস্ত্রেও আমলকির জুসের গুণ বর্ণনা করে বলা হয়েছে, শরীরের সব ধরনের ক্রিয়ার মধ্যে ভারসাম্য রক্ষা করতে পারে তা।

টমেটো

বাচ্চা ও মায়ের শরীরকে রোগ প্রতিরোধক্ষম করে তোলে টমেটো। সাম্প্রতিক এক গবেষণায় টমেটোর এসব কার্যক্ষমতার কথা বলা হয়েছে। গবেষকেরা বলছেন, টমেটোতে আছে দারুণ অ্যান্টিঅক্সিডেটিভ প্রভার, যা কোষকে বুড়ো হতে দেয় না। এ ছাড়া নানা রকম ক্যানসার প্রতিরোধ করতে পারে টমেটো। টমেটোর লাইকোপেন শ্বাসযন্ত্রে সুরক্ষা–স্তর হিসেবে কাজ করে। বাতাসে থাকা ক্ষতিকর ধূলিকণার প্রভাব হিসেবে কাজ করে লাইকোপেন।

হলুদ

হলুদ পরিচিত অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট হিসেবে পরিচিত। দূষিত কণার প্রভাব থেকে বাচ্চার ও গর্ভবতি মহিলার ফুসফুসকে সুরক্ষা দিতে কাজ করে এই অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট। কফ ও অ্যাজমার সমস্যা সমাধানে হলুদ ও ঘিয়ের মিশ্রণ কাজে লাগে। এ ছাড়া হলুদ, গুড় ও মাখনের মিশ্রণ অ্যাজমা দূর করতে পারে।

তুলসী

মহিলাদের ক্ষেত্রে বায়ুদূষণের বিরুদ্ধে ফুসফুসকে রক্ষা করতে পারে তুলসীপাতা। এ ছাড়া বাতাসে থাকা ধূলিকণা শোষণ করতে পারে তুলসীগাছ। স্বাস্থ্য বিশেষজ্ঞদের মতে, প্রতিদিন অল্প করে তুলসীপাতার রস খেলে বাচ্চার শরীরের শ্বাসযন্ত্রের দূষিত পদার্থ দূর হয়।

লেবুজাতীয় ফল

কমলা ও লেবুতে প্রচুর ভিটামিন সি থাকে। লেবুজাতীয় ফল নিয়মিত খেলে শিশুর ফুসফুসে বায়ুর ক্ষতিকর উপাদানগুলোর প্রভাব পড়তে পারে না।

গুড়

বাচ্চার অ্যাজমা ও ব্রংকাইটিসের মতো অনেক শ্বাসযন্ত্রের সমস্যায় কার্যকর হতে পারে গুড়। মহিলাদের ক্ষেত্রে তিলের সঙ্গে গুড় মিশিয়ে খেলে ইতিবাচক ফল পাওয়া যায়। বায়ুদূষণের ক্ষতিকর প্রভাব পড়ে কম।

গ্রিন টি 

প্রতিদিন দুই কাপ করে গ্রিন টি খেতে পারেন মহিলারা। শরীর থেকে বিষাক্ত পদার্থ দূর করতে সাহায্য করে গ্রিন টিতে থাকা অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট।

Click here for the best in baby advice
What do you think?
0%
Wow!
0%
Like
0%
Not bad
0%
What?
scroll up icon