Link copied!
Sign in / Sign up
29
Shares

৭ টি খাবার যাতে শিশুর ওজন বাড়বে


১. স্তনদুগ্ধ

৬ মাসের নিচের বাচ্চাদের জন্য মায়ের দুধের চেয়ে বেশি পুষ্টিকর কিছু হতে পারে না। দুধের মান বাড়াবার জন্য মায়ের আমন্ড ও ডাল বেশি করে খাওয়া দরকার। ৬ মাসের পর শিশুকে একটু শক্ত খাবার দেওয়া যায়।

২. কলা

কলাতে পটাসিয়াম ও কার্বোহাইড্রেট থাকে এবং এর ক্যালোরিও ১০০র থেকে বেশি। কলা সহজে পাওয়াও যায় এবং শিশু শক্তিও পাবে। এটা শিশুকে কেক, পুডিং ও মিল্ক সেকে মিশিয়েও দেওয়া যায়।


৩. ঘি

ঘিতে ওজনও বাড়ে এবং এটি খুব পুষ্টিকরও। প্রথমে দেশী ঘি দিয়ে শুরু করুন। যদি এলার্জি হয় তো থামিয়ে দেবেন। বাড়িতে বানিয়েও খাওয়াতে পারেন। কতটা ঘি দেবেন এটা আপনাকেই বুঝতে হবে কারণ ঘি কিন্তু শিশুর খিদে মেরে দিতে পারে।


৪. দই

এতে ক্যালসিয়াম ও পুষ্টি ভরপুর! তবে খুব অল্প বয়সে দিলে অসুবিধা হতে পারে। কিন্তু এতে শিশুর রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়ে এবং পেট খারাপ বা পাঠক পায়খানা হলে তা সরিয়ে তোলে। চেষ্টা করবেন মিষ্টি দই বা ভিন্ন সুগন্ধি মেশানো দই না দেওয়ার কারণ তাতে অত্যাধিক চিনি থাকে।


৫. ডাল

ডালে প্রোটিন, ক্যালসিয়াম ও ফ্যাটি অ্যাসিড থাকে। চেষ্টা করবেন ডালকে দইয়ের সাথে না মেশাতে। তাহলে ডালের পুষ্টি কমে যায়। ইডলি বা খিচুরির রূপে দিলে তা এক বেলার খাবার হয়ে যায়। মাঝে মাঝে সবজি মিশিয়ে দেখতে পারেন।


৬. আলু

এতে যেই মাড় থাকে তা খেলে খুব তাড়াতাড়ি ওজন বারে। এটা এমনিতেও শিশুদের ভালো লাগে আর তা ছাড়া চটকে মেখে দিলে তা শিশুদের পক্ষে গিলতেও অসুবিধা হবে না। ভেজে দেবেন না কারণ সেটা স্বাস্থের পক্ষে ভালো নয়।


৭. রাগী এবং ওটস

এতে ভালো অংশে ফাইবার থাকে এবং খুব পুষ্টিকর। এটা কোষ্ঠকাঠিন্য কমিয়ে দেয়। সকালে পুডিংয়ের মত একটি তরল খাদ্য বানিয়ে বা সেরেলাকের মত বানিয়েও দিতে পারেন। রাগিতেও লোহা, প্রোটিন ও ফাইবার ভরপুর। রাগী এমনকি লাড্ডু, কোকিলস বা দোসা বানিয়েও খাওয়া যায়। 

Click here for the best in baby advice
What do you think?
0%
Wow!
100%
Like
0%
Not bad
0%
What?
scroll up icon