Link copied!
Sign in / Sign up
9
Shares

৪ টি চমকপ্রদ চুলের কন্ডিশনার যা আপনি বাড়িতেই বানাতে পারেন


আমাদের চুলের দিকে তাকিয়ে আমাদের বেক্তিত্তের বিচার করা হয়ে থাকে। এবং এরই জন্য আমাদের উচিত, নিজেদের চুলের ভালো দেখাশোনা করবার। আর ওই পথে ভাবনা গেলে, মনে রাখবেন যে চুলের কন্ডিশনার কিন্তু এ পর্যায় একটি মুক্ষ ভূমিকা পালন করে - এ কথা প্রতিপাদিত হয়েছে। আপনি হয়তো ভাবছেন, চুলের কন্ডিশনার কেন? আমাদের কাছে এর সোজা জবাব আছে। আমাদের চুল প্রাকৃতিক নানা কারনে ক্ষতিগ্রস্থ হয়ে থাকে - যেমন ধুলো , বালি এমনকি বর্ষায়। তাই চুলকে এইসব প্রাকৃতিক ক্ষতির থেকে রক্ষার জন্য চাই এমন একটি পদার্থ যা চুলের ওপর বানায় এক সংরক্ষনশীল পড়ত এবং চুল কে সুরক্ষিত রাখে। কিন্তু বাজারের কন্ডিশনারে আছে অনেক রাসায়নিক উপাদান যা আপনার চুলের পক্ষে রক্ষণশীল হওয়ার বদলে গুরুত্বপূর্ণ ভাবে ক্ষতিকারক হয়ে দাঁড়ায়। তাই আপনার চুলকে নিরাপদ ও নির্বিঘ্নে রাখার জন্য আমাদের সুপারিশ এই চার রকমের কন্ডিশনার, যা আপনি বাড়িতেই নিজের হাতে বানাতে পারেন:-

১. নারকেল তেলের সঙ্গে মধু

নারকোল তেলের আণবিক ওজন হালকা এবং এর সোজা রৈখিক ধারা, এটিকে আপনার চুলের শায়কে অনায়াসে প্রবেশ করতে সাহায্য করে। তা ছাড়া এতে আছে লৌরিক এসিড যার বংশগত মিল আছে চুলের প্রোটিনের প্রতি , যার ফলে এটি প্রধানরূপে একটি ভালো কন্ডিশনারের উপাদান হয়ে থাকে। অন্য দিকে আছে মধু যা চুলে আদ্রতা ও জৌলুশ এনে দেয় এবং এই ধরণের কন্ডিশনার কে আপনার পক্ষে একটি নিখুঁত নির্বাচন করে দেয়। শুধুমাত্র নারকোল তেল ও মধু ২:১ অনুপাতে নিয়ে , তা মিশিয়ে চুলে লাগিয়ে নিন, এরপর ২০ মিনিট রেখে চুল ধুয়ে ফেলুন।

২. কোকো বাটার ও ল্যাভেন্ডারের তেল

আপনার চুল যদি একটু বেশি পরিমানে ক্ষতিগ্রস্ত হয়ে থাকে তাহলে এই মিশ্রণটি আপনার ক্ষেত্রে একটি শ্রেষ্ঠ উপায়। জানা গেছে যে কোকো বাটারে আছে আদ্রতা বাড়ানোর শক্তি যা আপনার চুলের ক্ষেত্রেও ঠিক তাই করে। এর সঙ্গে পাচ্ছেন ল্যাভেন্ডারের তেল যার বিষয়ে জানা গেছে যে এটি এলোপেচিয়া বা চুল পড়ার জন্য বিশেষ প্রতিকার। এই দুই পদার্থ একসঙ্গে মিলে আপনার চুলের হারানো গৌরব নিশ্চিত ফিরিয়ে আন্তে পারবে। অল্প মাত্রায় আলমন্ড তেলের সঙ্গে মিশিয়ে নিন এই দুটি উপাদান , তারপর এই মিশ্রণটি ২০ মিনিট ধরে চুলে লাগান। তারপর এটি প্রায় ১৫ মিনিট পর্যন্ত চুলে লাগানো অবস্থায় রেখে ধুয়ে ফেলুন।

৩. ডিমের কুসুম ও ভিনিগার

বিশ্বাসে আছে যে ডিমের অন্তর্গত লেসিথিন , চুলের ভাবকে কন্ডিশন করে রাখে, চুলের শায়কে আদ্রতা সীল করে। অন্যদিকে ভিনিগার , উকুন, খুশকি এবং স্ক্যাল্পের অন্নান্ন সমসসা গুলির মোকাবিলা করে, যার ফলে এটি কেশ চর্চার জন্য একটি উত্তম উপায় হিসেবে অনুমোদিত। আপনার চুলকে এই অসাধারণ যত্নের পরশ দেয়ার জন্য কেবল মাত্র নিন ২টি ডিমেরে কুসুম, ৪ টেবিলচামচ সাদা ভিনিগার ও ২ টেবিলচামচ অলিভ অয়েল। সব উপাদানগুলি ভালো করে একসাথে সমানভাবে মিশিয়ে, চুলে লাগিয়ে নিন। মনে রাখবেন এটি দিয়ে আপনার সম্পূর্ণ মস্তক ঢেকে যাওয়া চাই। ১৫ মিনিটের পর এটা ধুয়ে ফেলে তৎক্ষণাৎ দেখুন আপনার চুলের পরিবর্তন।

৪. অলিভ অয়েল ও পেপারমিন্ট অয়েল

অলিভ অয়েলে আছে চুলকে আর্দ্র ও শক্তিশালী বানানোর শক্তি। ইউ ভির দ্বারা ক্ষতির থেকেও এটি চুলকে বাঁচায়। এদিকে পেপারমিন্ট অয়েল চুল বাড়ার মান উন্নত করে এবং জানা গেছে যে এটি স্কাল্পের বিভিন্ন সমসসার থেকেও রক্ষা করে। এই দুটি তেল একসাথে ভালো করে মিশিয়ে নিন। এবার এই মিশ্রণটি আপনার মাথায় সমান ভাবে লাগিয়ে ২০ মিনিট রাখুন। এরপর চুল ধুয়ে ফেলুন।  

Click here for the best in baby advice
What do you think?
0%
Wow!
0%
Like
0%
Not bad
0%
What?
scroll up icon