Link copied!
Sign in / Sign up
115
Shares

১৩ থেকে ২৪ মাস অবধি বয়সের শিশুদের খাদ্য তালিকা


সন্তানদের জন্য কোন খাদ্য ভাল এই ভাবনাতে মায়েরা দ্বিধাগ্রস্ত থাকেন; বিশেষ করে নতুন যাঁরা মা হয়েছেন তাঁরা। আপনি যেটা ভাবছেন সবসময় সেটাই বাচ্চাদের খাওয়ান যায় না। ১৩ মাসের বেশি বয়সী শিশুদের কিছু পরিমাণে এমন খাবার খাওয়ান যায় যেগুলি সাধারণভাবে বড়দের। খাদ্যগুলি উচ্চমাত্রায় পুষ্টিগুণ সম্পন্ন হওয়া দরকার, কেননা আপনার শিশু এখন শারীরিক বৃদ্ধির পর্যায়ে আছে, এবং সুষম বৃদ্ধির ও বিকাশের জন্য তার যথেষ্ট পরিমানে প্রোটিন, কার্বোহাইড্রেট, ফ্যাট আর ভিটামিন দরকার। নিরামিশাষী অভিভাবকদের যত্ন নেওয়া উচিত যাতে শিশুদের খাদ্যে সঠিক প্রোটিনের পরিমাণের থাকে যেহেতু তাদের খাদ্যতালিকাতে মাংস এবং ডিম থাকে না, যেগুলি সমস্ত রকম খাবারের মধ্যে সবথেকে প্রোটিন সমৃদ্ধ।

ছোট্ট বাচ্চাদের জন্য এবং হামাগুড়ি দেওয়ার পর্যায়ে আছে এমন শিশুদের জন্য খাবার পছন্দ করা খুব কঠিন নয়। এর আসল উদ্দেশ্য হল শুরু থেকেই পাঁচটি খাদ্যগুণ সম্পন্ন ভিন্ন ভিন্ন খাদ্য বাচ্চাদের খেতে শেখানো, যাতে শিশুরা তাদের বৃদ্ধি, বিকাশ এবং শিক্ষা লাভের জন্য জরুরী পুষ্টি পেতে পারে।

পাঁচটি বিভিন্ন খাদ্যগুণ নীচে দেওয়া হলঃ

 

১। প্রোটিন-যুক্ত খাদ্য

প্রোটিন আপনার শিশুর বৃদ্ধি, পেশীর গঠন এবং বিবর্তনের জন্য গুরুত্বপূর্ণ। যে খাদ্যগুলিতে উচ্চমাত্রায় প্রোটিন পাওয়া যায় সেগুলি হল মাংস, মাছ, মুরগী, ডিম, বীন, ডাল, মটরশুঁটি, টোফু এবং বাদাম। এই খাদ্যদ্রব্যগুলিতে অন্য প্রয়োজনীয় ভিটামিন এবং খনিজ দ্রব্য, যেমন লোহা, দস্তা, ভিটামিন-বি১২ এবং ওমেগা-৩ ফ্যাটী আসিডও থাকে।

লোহা আর মাংস এবং তৈলাক্ত মাছ থেকে পাওয়া ওমেগা-৩ ফ্যাটী আসিড বিশেষভাবে গুরুত্বপূর্ণ আপনার শিশুর মস্তিস্কের বিকাশ এবং শিক্ষার জন্য।

কত পরিমাণ?

১। প্রতি দিনে ২ আউন্স

২। এক আউন্সে থাকবে - ১ পাউন্ড টুকরো করা এবং ভাল করে রান্না করা মাংস, মুরগী বা মাছ, ১টি রান্না করা ডিম, ১/৪ কাপ সেদ্ধ করা বীন থেকে।

 

২। ফল এবং সব্জী

ফল এবং সব্জী আপনার শিশুকে দেয় শক্তি, ভিটামিন, অ্যান্টি-অক্সিড্যান্ট, ফাইবার এবং জল। এগুলি আপনার শিশুর শরীরকে সব রকম অসুখ থেকে রক্ষা করে।

আপনার শিশুকে প্রতিটি খাবারের সঙ্গে ফল ও সব্জী দেওয়া এবং হালকা খাবার দেবার সময়ও এই খাদ্যগুলি দেওয়ার অভ্যাস করা খুব জরুরী। বাচ্চার জন্য বিভিন্ন রঙের, গঠন ও স্বাদের কাঁচা বা রান্না করা ফল ও সব্জী পছন্দ করুন।

ফলের ও সব্জীর গায়ে লাগা নোংরা এবং রাসায়নিক পদার্থ পরিষ্কার করে নিন এবং ফলের খোসাগুলি রেখে দিন, কারণ এই খোসাগুলিতেই বেশীর ভাগ পুষ্টি রয়ে যায়।

কত পরিমাণ?

১। সব্জী - প্রতিদিন মোট ৩ পোর্শান । ১ পোর্শান = ১/৪ থেকে ১/২ কাপ রান্না করা টুকরো সব্জী এবং ১/২ কাপ ১০০% সব্জীর রস।

২। ফল - প্রতিদিন মোট ৩ পোর্শান। ১ পোর্শান= ১/৪ থেকে ১/২ কাপ টুকরো করা, রান্না করা বা প্যাক করা ফল এবং ১/২ কাপ ১০০% ফলের রস। ফলের রস রোজ ৪ থেকে ৬ পাউন্ডের বেশী খাওয়াবেন না।

 

৩। দুগ্ধজাত খাবার ( ডেয়ারী)

দুধ, চীজ এবং ইয়োগার্ট (দই) উচ্চমাত্রায় প্রোটিন এবং ক্যালসিয়ামে সমৃদ্ধ হয়, যা শক্তিশালী হাড় এবং দাঁত গঠনের সহায়ক।

যতক্ষণ না আপনার শিশুর বয়স ১২ মাস পূর্ণ হচ্ছে তাদের শুধু মায়ের বুকের দুধ বা শিশু ফর্মুলা দেওয়া উচিত। এর পর তারা সম্পূর্ণ চর্বি-সহ গরুর দুধ খাওয়া শুরু করতে পারে। যেহেতু এই বয়সের বাচ্চারা খুব তাড়াতাড়ি বড় হয়ে ওঠে এবং এদের প্রচুর পরিমাণে শক্তির চাহিদা থাকে, তাদের দুই বছর বয়স হওয়া পর্যন্ত সম্পূর্ণ চর্বি-সহ দুগ্ধজাত খাবার দেওয়া প্রয়োজন।

কত পরিমাণ?

১। প্রতিদিন মোট ৪ পোর্শান

২। এক পোর্শান = ১/২ কাপ সম্পূর্ণ দুধ; ১ আউন্স চীজ বা ১/২ কাপ ইয়োগার্ট (দই)। যে সমস্ত শিশুর বয়স ২ বছরের কম তাদের সম্পূর্ণ দুধই খাওয়া উচিত।

৩। এই শিশুদের বৃদ্ধির জন্য সম্পূর্ণ দুধের বাড়তি ফ্যাট প্রয়োজন। ২ বছরের পর ১% কম ফ্যাটের বা ফ্যাটমুক্ত দুধ দেওয়া শুরু করতে পারেন।

 

৪। দানা শস্য

দানাশস্যের মধ্যে আছে প্রাতঃরাশের খাদ্যশস্য, রুটি, চাল, পাস্তা, কর্ন এবং অন্যান্য। এই খাবারগুলি আপনার শিশুকে দেবে সেই শক্তি যা তাদের বৃদ্ধি, বিবর্তন এবং শিক্ষার জন্য জরুরী।

যে সমস্ত শস্য খাদ্যে কম মাত্রায় গ্লাইসেমিক ইন্ডেক্স আছে যেমন গোটা দানা পাস্তা এবং পাউরুটি, সেগুলি আপনার শিশুকে স্থায়ী শারীরিক ক্ষমতা দেবে এবং তাদেরকে দীর্ঘক্ষণ পূর্ণাঙ্গ মাত্রায় সবল রাখবে।

কত পরিমাণ?

১। দানা শস্যঃ প্রতিদিন মোট ৬ পোর্শান

২। এক পোর্শান = ১/২ থেকে ১ স্লাইস পাউরুটি; ১/৪ থেকে ১/২ কাপ রান্না করা খাদ্য শস্য, চাল বা পাস্তা; ১/২ কাপ খাওয়ার জন্য পূর্বপ্রস্তুত খাদ্য শস্য ২টি ছোট সাধারণ ক্র্যাকার; ১/২ ওয়াফেল বা পানকেক; ১/২ টরটিলা, এবং ১/২ হ্যামবার্গার রুটি, রোল, বা ৩ ইঞ্চি বেগেল।

 

৫। স্নেহ পদার্থ (তেল)

স্বাস্থ্যকর খাদ্য তালিকাতে ফ্যাট একটি জরুরী খাদ্য-উপাদান। এই খাদ্য শক্তির ভান্ডার। ফ্যাট শরীরের ত্বকের নীচের রক্ষণমূলক আবরণ নির্মাণ করে।

কত পরিমাণ?

১। প্রতিদিন চা চামচের ৩ চামচ

২। এক চা চামচ (৫ গ্রাম) ফ্যাট = ১ চামচ তরল সব্জী থেকে প্রাপ্ত তেল; এক টেবিল চামচ কম-স্নেহপদার্থ যুক্ত মেয়োনিজ; ১ টেবিল চামচ স্যালাড ড্রেসিং বা ১ চা চামচ ট্রান্স ফ্যাট শুন্য মার্জারিন।

৩। জমা ফ্যাট যেমন মাখন, রেগুলার মার্জারিন, প্যাস্ট্রীর ফ্যাট এবং রান্নায় ব্যবহৃত শক্ত চর্বি - এই পদার্থগুলি খুব কম ব্যবহার করুন।

 

যেসব খাদ্য ও পানীয় এড়িয়ে চলবেন

আপনার শিশুকে সেইসব খাদ্য থেকে দূরে রাখুন যেগুলি শর্তসাপেক্ষে খাওয়া চলে। এগুলি হল ফাস্ট ফুড (সহজে নির্মিত মুখরোচক খাবার), জাঙ্ক ফুড (মশলাদার, তৈলাক্ত বাইরের খাবার) যেমন হট চিপস, পটাটো চিপস, পাই, বার্গার এবং পিৎজা। এছাড়াও আছে, কেক, চকোলেট, ললিপপ, বিস্কুট, ডোনাট এবং প্যাস্ট্রী।

এই খাবারগুলিতে থাকে উচ্চমাত্রায় লবণ, সংপৃক্ত স্নেহপদার্থ (ফ্যাট) ও চিনি থাকে, এবং কম মাত্রায় থাকে খাদ্য তন্তু এবং পুষ্টিগুণ। এরকম অনেক খাদ্যে থাকে শরীরের পক্ষে অপকারী ফ্যাট জাতীয় পদার্থ যার জন্য শিশুকে ভুগতে হতে পারে শৈশব স্থূলতা এবং টাইপ-২ ডায়াবেটিস রোগে।

ফ্রুট জুস, কর্ডিয়াল, স্পোর্টস ড্রিঙ্কস, সুগন্ধী জল, নরম পানীয়, সুগন্ধী দুধ ইত্যাদি মিষ্টি খাবার থেকে আপনার বাচ্চার দূরে থাকা উচিত। মিষ্টি পানীয়গুলিতে থাকে প্রচুর চিনি এবং কম খাদ্যগুণ। এর ফলে হতে পারে ওজন বৃদ্ধি, স্থূলতা এবং দাঁতের ক্ষয় জাতীয় অসুস্থতা। এই ধরণের খাবার সহজে আপনার বাচ্চার পেট ভরিয়ে দেয় এবং স্বাস্থ্যকর খাবারের দিকে তাদের মন থাকে না। এছাড়াও বাচ্চারা ছোট থাকতে যদি এই সমস্ত খাবার খেতে থাকে তবে সেটি হয়ে ওঠে তাদের সারাজীবনের জন্য একটি আস্বাস্থ্যকর অভ্যাস্যের শুরু।

ক্যাফেইনযুক্ত খাদ্য ও পানীয় শিশুদের খাওয়া উচিত নয় কেননা ক্যাফেইন শরীরে ক্যালসিয়ামের আত্তীকরণে (গ্রহণে) বাধা সৃষ্টি করে। ক্যাফেইন একটি উত্তেজক পদার্থ, অর্থাৎ এটা খেলে শিশুদের শরীরেও বিকল্প উত্তেজনা তৈরী হবে। এই ধরণের খাদ্যগুলির তালিকাতে আছে কফি, চা, এনার্জী ড্রিঙ্কস এবং চকোলেট।

 

মনে রাখার জন্য কয়েকটি গুরত্বপুর্ণ তথ্য

১। আপনার শিশুর জন্য শারীরিক শ্রম/কাজকর্ম করা গুরুত্বপূর্ণ। যে সমস্ত খেলাতে শিশুরা প্রত্যক্ষভাবে অংশগ্রহণ করে তার মধ্য আছে - দৌড়ানো, লাফদড়ি, লাফানো, বল ছোঁড়া, নাচ করা এবং পুশ/পুল খেলনা নিয়ে খেলা করা, যেমন ওয়াগন বা স্ট্রোলার। বাচ্চারা এক দফায় এক ঘন্টার থেকে বেশী সময় চুপ করে বসবে না, শুধুমাত্র ঘুমের সময়টুকু ছাড়া।

২। মনে করা যাক যে আপনার বাচ্চাকে এমন কোন ছোট কাপে জল খাওয়ানো শুরু করা হয়েছে যে কাপের মুখে জল পড়ে যাওয়া আটকানোর ব্যবস্থা আছে। পরে আপনার বাচ্চাকে এমন একটি কাপে জল খেতে দেওয়া হল যার মাথায় জল আটকানোর ব্যবস্থা নেই। মনে রাখুন যে জল পড়ে যাওয়া স্বাভাবিক।

৩। ১২ থেকে ১৪ মাস বয়স হওয়ার পর থেকে শিশুদের বোতল থেকে জল খাওয়া বন্ধ করে দেওয়া উচিত। আপনার পুষ্টি সম্পর্কীয় বিশেষজ্ঞের পরামর্শ নিন এবং জেনে নিন কিভাবে আপনার একটু বড় হয়ে ওঠা (হামাগুড়ি দিতে পারে এমন) বাচ্চাকে বোতল থেকে পান করা ছাড়াবেন।

৪। আপনার শিশুকে জুস, দুধ বা মিষ্টি কোন পানীয়ে দিনে বার বার বা রাতে শোওয়ার সময় চুমুক দিতে দেবেন না। পরিবর্তে আপনার বাচ্চাকে দুটি খাবারের মধ্যের সময়ে বা রাতে শোওয়ার সময়, তার তেষ্টা পেলে, তাকে জল পান করতে দিতে পারেন।

৫। খাওয়ার সময় বাচ্চারা যেন সর্বদা বসে থাকে।

৬। বাচ্চাদের শেখানো দরকার কি করে প্রতিবার অল্প করে খাওয়ার মুখে নিতে হয়, ভাল করে চিবোতে হয় এবং তারপর গিলতে হয়।

৭। নরম ফল এবং রান্না করা সব্জীকে ছোট ছোট টুকরোতে কাটুন - গোল গোল কয়েনের আকৃতিতে নয়। বীজ, শক্ত খোসা এবং অপ্রয়োজনীয় অংশ বাদ দিন। আঙ্গুর, চেরী, বেরী ইত্যাদি ফলকেও ছোট ছোট করে কাটুন।

৮। হট ডগস, সসেজ আকৃতির মাংসকে পাতলা ছোট টুকরো করে কাটুন – গোলাকৃতির বা কয়েন আকৃতির টুকরো করবেন না।

৯। শ্বাস রোধ করতে পারে এমন কোন খাবার বাচ্চাকে দেবেন না। এর মধ্যে আছে আইস কিউব, পপকর্ণ, প্রেটজেল্‌স, চিপ্‌স, মার্শমেলো, কাঁচা সব্জী (গাজর এবং সিলেরী), রেসিন্স বা অন্যন্য শুকনো ফল, কাঁটাসহ মাছ, হাড়সহ মুরগী বা টার্কী, মাংসের বড় টুকরো, বাদাম, শস্য বীজ, চিনাবাদাম, চিনাবাদাম-জাত মাখন, গরম এবং মশলাদার পাউরুটি, গামড্রপ্‌স, চিউয়িং গাম, গোলাকৃতির ক্যান্ডি।

১০। হামাগুড়ি দিতে পারে এমন শিশুদের জন্য মাতৃদুগ্ধ প্রয়োজনীয় এবং স্বাস্থ্যকর। যতক্ষণ না মা বা শিশু কারও বিশেষ অসুবিধা হচ্ছে ততদিন মাতৃদুগ্ধ পান চলতে পারে। পুষ্টি সম্পর্কীয় বিশেষজ্ঞরা বা মাতৃদুগ্ধ পানের প্রয়োজনীয়তা ব্যাখ্যা করতে পারেন এমন বিশেষজ্ঞরা আপনাকে ব্রেষ্টফিডিং সংক্রান্ত প্রশ্নের এবং বাচ্চাকে কিভাবে ব্রেষ্টফিডিং ছাড়াবেন সেসব প্রশ্নের জবাব দিয়ে আপনাকে সাহায্য করতে পারেন।

 

খাওয়ার সময় বিষয়ক কয়েকটি তথ্যঃ

বাচ্চাকে খাওয়ার সময় নিয়মিত পুষ্টিকর খাদ্য যোগান করা আভিভাবকদের দায়িত্ব। প্রতিটি শিশু তাদের খাবারের সময়ে কতটা পরিমাণে খাবার খাচ্ছে সেটা দেখার দায়িত্বও অভিভাবকদের। বাচ্চাদের কোন নতুন খাবারের অন্ততঃপক্ষে একটি কামড় খাওয়ার অভ্যাস করানো দরকার। কিন্তু কোন নির্দিষ্ট খাবার খাওয়ার জন্য বা যতটুকু খাবার তাদের দেওয়া হয়েছে তার সম্পূর্ণ্ অংশ খাওয়ার জন্য তাদের জোরাজুরি করা উচিত নয়।

 

উদাহরণ হিসাবে শিশু খাদ্যের একটি নমূনা নীচে দেওয়া হয়েছেঃ

প্রাতঃরাশ

১/২ কাপ ডবলু.আই.সি খাদ্যশস্য

১/২ কাপ পূর্ণাঙ্গ দুধ

১/২ কাপ ১০০% ফলের রস

বা

১টি রান্না করা ডিম

১ স্লাইস গমের আটার টোষ্ট

এক চা-চামচ মার্জারিন

১/২ কাপ ১০০% ফলের রস

দুপুরের খাবার ( লাঞ্চ)

রোলের উপর ১/২ হ্যামবার্গার

১/২ কাপ রান্না করা সবুজ বিন্‌স

১/৪ কাপ টুকরো করা পীচফল

১/২ কাপ সম্পুর্ণ দুধ

রাতের খাবার ( ডিনার)

১ আউন্স টুকরো করা মুরগীর মাংস

১/২ কাপ নুডল্‌স

১/২ কাপ রান্না করা সবুজ মটরশুঁটি

১/৪ কাপ টুকরো করা কমলালেবু

১/২ কাপ সম্পুর্ণ দুধ

বা

৩/৪ কাপ ভাত ও বীনস

১/২ রান্না করে টুকরো করা গাজর

১/৪ কাপ আপেল

১/২ কাপ সম্পূর্ণ দুধ

হালকা খাবার সম্বন্ধীয়

১/২ কাপ সম্পুর্ণ দুধ

১/২ কাপ ইয়োগার্ট (দই)

১/২ কাপ টুকরো করা স্ট্রবেরী

১/২ কাপ হালকা সিদ্ধ করা গাজর সঙ্গে ১ টেবিল চামচ স্যালাড ড্রেসিং

১/২ কলা

২ গোটা শস্যের ক্র্যাকার

১ স্লাইস চীজ

৭ মাস বয়সী শিশুর জন্য খাদ্যের তালিকা
৮ মাস বয়সী শিশুর খাদ্য তালিকা
১১ মাসের শিশুর খাদ্য চার্ট
১ বছর বয়সের পূর্বে আপনার শিশুকে খাওয়ানোর ৯ ধরণের খাদ্য

 

Tinystep Baby-Safe Natural Toxin-Free Floor Cleaner

Dear Mommy,

We hope you enjoyed reading our article. Thank you for your continued love, support and trust in Tinystep. If you are new here, welcome to Tinystep!

We have a great opportunity for you. You can EARN up to Rs 10,000/- every month right in the comfort of your own HOME. Sounds interesting? Fill in this form and we will call you.

Click here for the best in baby advice
What do you think?
100%
Wow!
0%
Like
0%
Not bad
0%
What?
scroll up icon