Link copied!
Sign in / Sign up
98
Shares

শিশু ও পরিবারের স্বাস্থ ও স্বাধ দুদিকেই বজায় রাখতে দেওয়া হল ১০ রকম পোলাও রন্ধনের রেসিপি

১. মুরগির মাংস ও সবজি দিয়ে বাহারি পোলাও

উপকরণ : মুরগির মাংস ১ কেজি, আদা বাটা ১ চা চামচ, রসুন বাটা আধা চা চামচ, পেঁয়াজ কুচি ১ টেবিল চামচ, দারুচিনি- এলাচ ৩-৪ টুকরা, গোললঙ্কা ৩ চা চামচ, বেরেস্তা ২ কাপ, তেজপাতা ২টি, ঘি আধা কাপ, তেল ১ কাপ, কাঁচালঙ্কা ১২-১৪টি, ফুলকপি আধা কাপ, গাজর আধা কাপ, মটরশুঁটি আধা কাপ, শসা আধা কাপ, আলু আধা কাপ, পটোল আধা কাপ, চাল পৌনে ১ কেজি।

প্রস্তুত প্রণালি : মাংস ছোট ছোট টুকরা করে নিতে হবে। প্যানে তেল দিয়ে তেজপাতা, এলাচ, দারুচিনি, পেঁয়াজ কুচি, আদা বাটা, রসুন বাটা দিয়ে মাংস রান্না করতে হবে। সব সবজি আলাদা আলাদা তেলে ভেজে তুলতে হবে। প্যানে তেল দিয়ে পেঁয়াজ কুচি, আদা, রসুন বাটা দিয়ে চাল কষাতে হবে। পরিমাণ মতো জল দিতে হবে। যখন ফুটে আসবে তখন সব সবজি ও মাংস মিশিয়ে দিতে হবে। এরপর গোললঙ্কা ছিটিয়ে দিয়ে দমে দিতে হবে। রান্না শেষ হলে ঘি ছিটিয়ে পরিবেশন করতে হবে।

২. ইলিশ পোলাও

উপকরণ : ইলিশ মাছ ১টি (বড় হলে ভালো হয়)। পোলাওয়ের চাল আধা কেজি। আদা বাটা ১ চা-চামচ। রসুন বাটা আধা চা-চামচ। নারকেলের দুধ ১ কাপ। তেল আধা কাপ। দারুচিনি কয়েকটি। এলাচ কয়েকটি। পেঁয়াজ বাটা ১ কাপ। জল৪ কাপ। কাঁচালঙ্কা ২০টি। চিনি ১ চা-চামচ। নুন স্বাদমতো।

পদ্ধতি : মাথা ও লেজ বাদে মাছ ৮ থেকে ১০ টুকরা করতে হবে। আদা, রসুন, নুন আর নারকেলের দুধ দিয়ে মাছের টুকরাগুলো মাখিয়ে ১০ মিনিট রেখে দিন। যে পাত্রে মাছ রান্না করবেন সেটাতে তেল গরম করে দারুচিনি, এলাচসহ বাটা পেঁয়াজ দিয়ে মসলা কষাতে হবে। ভুনা হয়ে আসলে মসলার মধ্যে মাছের টুকরাগুলো ছেড়ে কম আঁচে ২০ মিনিট ঢেকে রেখে দিন। মাঝে খুব সাবধানে মাছগুলো উল্টিয়ে দেবেন। মসলা তেলের উপর উঠলে নামিয়ে ফেলুন। তারপর পাত্র কাত করে রেখে তেল ঝরান। এখন মাছ রান্নার তেল থেকে দুই চামচ তেল নিয়ে পোলাও রান্নার পাত্রে দিন। এতে পেঁয়াজ দিয়ে বেরেস্তার মতো করে ভেজে সঙ্গে জলআর স্বাদমতো নুন দিয়ে ঢেকে দিতে হবে। জলফুটলে চাল ঢেলে দিয়ে নাড়ুন। এভাবে মৃদু আঁচে ১৫ মিনিট রেখে পোলাও চুলা থেকে নামিয়ে নিন। এবার মসলা থেকে মাছ আলাদা করুন।

পাত্র থেকে অর্ধেকের বেশি পোলাও তুলে আলাদা পাত্রে রেখে বাকি পোলাওয়ের ওপর মাছের তেল, মসলা, চিনি ও ৫-৬টি লঙ্কা দিন। এর ওপর আলাদা পাত্রে তুলে রাখা পোলাও থেকে অর্ধেক নিয়ে ঢেকে দিন। দমে ২৩ মিনিট রাখুন।

এবার ৪-৫ টুকরা মাছ পোলাওয়ের ওপর সুন্দর করে বিছিয়ে, বাকি পোলাও দিন। এর ওপর বাকি মাছের টুকরাগুলোর সঙ্গে আরও কিছু কাঁচালঙ্কা দিয়ে ১০ থেকে ১৫ মিনিট আবার দমে রাখুন। এভাবেই হয়ে গেল ইলিশ পোলাও।

৩. কাশ্মীরি পোলাও

উপকরণ : পোলাওয়ের চাল ৩০০ গ্রাম, কিশমিশ ৫০ গ্রাম, আপেল টুকরা ১০০ গ্রাম, কাজুবাদাম ১০০ গ্রাম, আনারস টুকরা ১০০ গ্রাম, নুন ও চিনি স্বাদমতো, ঘি ৫০ গ্রাম, মাওয়া ৫০ গ্রাম, তেল ১০০ গ্রাম, গরম মসলা পরিমাণমতো।

প্রণালি : চাল ভালো করে পানিতে ধুয়ে সেদ্ধ করে নিন। অন্য একটি সসপ্যানে ঘি ও তেল ঢেলে তাতে গরম মসলা দিয়ে নাড়ুন। এরপর কিশমিশ, আপেল, আনারস, কাজুবাদাম দিয়ে নেড়ে নিন। এরপর নুন, চিনি, মাওয়া ঢেলে এর ওপর সেদ্ধ করা চাল ঢেলে ভালোভাবে মিশিয়ে নাড়াচাড়া করে নামিয়ে পরিবেশন করুন।

৪. সয়া পোলাও

ক) কোপ্তা উপকরণ : সয়া নাগেট এক কাপ, আদা বাটা এক চা চামচ, রসুন বাটা আধা চা চামচ, গরম মসলা গুঁড়া আধা চা চামচ, নুন স্বাদমতো, গোললঙ্কা গুঁড়া আধা চা চামচ, কাঁচা লঙ্কা কুচি এক চা চামচ, পেঁয়াজ মিহি কুচি এক কাপের চার ভাগের এক ভাপ, কর্ন ফ্লাওয়ার এক টেবিল চামচ, তেল দুই কাপ।

খ) পোলাও উপকরণ : পোলাওয়ের চাল ৫০০ গ্রাম, পেঁয়াজ কুচি এক টেবিল চামচ, আদা বাটা এক চা চামচ, রসুন বাটা আধা চা চামচ, গরম মসলা গুঁড়া আধা চা চামচ, লবঙ্গ, এলাচ, দারুচনি দুটি করে, তেজপাতা তিনটি, গুঁড়া দুধ এক টেবিল চামচ, চিনি এক চা চামচ, নুন স্বাদমতো, সিদ্ধ মটরশুঁটি আধা কাপ, গরম জলএক লিটার, ঘি বা তেল তিন টেবিল চামচ, কাঁচা লঙ্কা পাঁচটি।

ক) কোপ্তা যেভাবে তৈরি করবেন :

১. এক চা চামচ তেলে সয়া নাগেট ভেজে ফুটন্ত গরম পানিতে ১০ মিনিট এবং ঠাণ্ডা পানিতে ১০ মিনিট ভিজিয়ে চিপে জলফেলে নিন।

২. এবার ভেজানো নাগেট মিহি কিমা করে নিন।

৩. তেল ছাড়া সব উপকরণ এবং সয়া একত্রে মেখে কোপ্তা বানিয়ে ভাজুন।

খ) কোপ্তা পোলাও যেভাবে তৈরি করবেন :

১. পোলাওয়ের চাল ধুয়ে ৩০ মিনিট ভিজিয়ে রেখে ১০ মিনিট জলঝরিয়ে রাখুন।

২. হাঁড়িতে ঘি বা তেল দিয়ে গরম হলে পেঁয়াজ কুচি, আস্ত গরম মসলা ভেজে নিন। এবার চাল, মটরশুঁটি ও আদা-রসুন বাটা দিয়ে ভাজুন।

৩. চাল ভাজা হলে গরম জলও নুন দিয়ে নেড়ে ঢেকে দিন। জলফুটে ওঠা পর্যন্ত চড়া আঁচে রাখুন। এবার দুধ, গুঁড়া মসলা ও চিনি দিয়ে নেড়ে ঢেকে আঁচ কমিয়ে ১৫ মিনিট রাখুন।

৪. পোলাওয়ের ভাঁজে ভাঁজে কোপ্তা ও কাঁচা লঙ্কা মিলিয়ে ঢেকে দমে রাখুন আরো ১০ মিনিট। নামিয়ে পরিবেশন করুন।

৫. চিংড়ি পোলাও

উপকরণ : পোলাওয়ের চাল ১ কেজি, চিংড়ি মাঝারি আকারের আধা কেজি, দুধ ২ কাপ, নারকেল কোরা আধা কাপ (বেটে মিহি করা), পেঁয়াজ কুচি ১ কাপ, পেঁয়াজ বাটা আধা কাপ, আদা বাটা ১ চা-চামচ, দারুচিনি, এলাচি ও তেজপাতা ২টা করে, কাঁচা লঙ্কা ৫-৬টি, লঙ্কাের গুঁড়া সামান্য পরিমাণ।

প্রণালি : প্রথমে পেঁয়াজের কুচি সামান্য তেলে ভেজে বাদামি করে নিতে হবে। এতে একে একে পেঁয়াজ বাটা, নারকেল বাটা, আদা বাটা, দারুচিনি, এলাচি, তেজপাতা, নুন ও লঙ্কাের গুঁড়া দিয়ে তাতে চিংড়ি মাছ ঢেলে দিন। সামান্য জলদিয়ে চিংড়ি মাছগুলোকে কষিয়ে নিন। এবার তাতে দুধ দিয়ে ১০-১৫ মিনিট পরে নামিয়ে নিন। চিংড়ি ও ঝোল আলাদা পাত্রে রাখতে হবে। ঝাল পছন্দ করলে নামানোর আগে কাঁচা লঙ্কা দিতে পারেন। সাধারণভাবে পোলাও রান্না করে চিংড়ির ঝোল দিয়ে দিন তাতে। অল্প আঁচে জ্বাল দিয়ে এবার ওপরে আগের রান্না করা চিংড়িগুলো দিয়ে পরিবেশন করুন।

৬. মটরশুঁটির পোলাও

যা লাগবে

বাসমতি চাল-৫০০ গ্রাম, মটরশুটি-৫০০ গ্রাম, ধনেপাতা-১ আঁটি, কাঁচালঙ্কা-৪টি, পাতিলেবুর রস-২ টেবিল চামচ, নারকেল বাটা ১ কাপ, কাজুবাদাম বাটা-১০০ গ্রাম, কিসমিস বাটা-১ টেবিল চামচ, দুধ-আধা কাপ, আদা বাটা-১ চা চামচ, পেঁয়াজ-২টি কুচানো, তেজপাতা-৪টি, জায়ফল গুঁড়ো-১ চা চামচ, ছোট এলাচ-৪টি, নুন ও ঘি-আন্দাজমতো, ঘি-৫০ গ্রাম।

যেভাবে করবেন

চাল ধুয়ে জলঝরিয়ে একটি ছড়ানো পাত্রে শুকিয়ে নিন। মটরশুটি সেদ্ধ করে একটু ভেজে তুলে এর থেকে আধা কাপ আলাদা করে রেখে বাকিটা ধনেপাতা, কাঁচালঙ্কাসহ বেটে নিয়ে এর মধ্যে ২ চা চামচ চিনি লেবুর রস ও একটু নুন মাখিয়ে রাখুন।

কাজু বাটা, নারকেল বাটা, কিসমিস বাটা একসঙ্গে মিশিয়ে রাখুন। ডেকচিতে ২ টেবিল চামচ ঘি গরম করে জলঝরানো চাল ঢেলে আঁচ কমিয়ে হালকা ভেজে এর মধ্যে কুচানো পেঁয়াজ দিয়ে চাল ও পেঁয়াজ হালকা করে ভেজে এর মধ্যে আদা বাটা দিয়ে নেড়ে জলদিন। পানির মাপ এমন হবে যাতে চাল সিদ্ধ ও ঝরঝরে হয়। জলশুকিয়ে গেলে আঁচ থেকে নামিয়ে ভাত একটা একটা ছড়ানো পাত্রে ছড়িয়ে দিন।

অন্য একটি পাত্রে বাকি ঘি গরম করে তেজপাতা, ছোট এলাচ দিয়ে ভাতের মধ্যে ঢেলে দিয়ে নেড়ে চেড়ে নামিয়ে নিন। পরিবেশন পাত্রে প্রথমে কিছুটা পোলাও ছড়িয়ে তার ওপর মটর শুটির মিশ্রণ, কাজুর মিশ্রণ দিন। সবশেষে সব পোলাও দিয়ে ঢেকে উপরে আলাদা করে রাখা সিদ্ধ মটরশুটি কিছু কাজু ও কিসমিস ছড়িয়ে দিন।

৬. রুই পোলাও

যা লাগবে : বাসমতি চাল-২ কাপ, রুই মাছ- ৩০০ গ্রাম, ঘি-১২৫ গ্রাম, আস্ত গরম মসলা-এলাচ, দারুচিনি-লবঙ্গ (৩টি করে) তেজপাতা-৪টি, জায়ফল গুঁড়ো আধা চা চামচ, চিনি ১চা চামচ, আদা বাটা, ১ চা চামচ, লঙ্কা গুঁড়ো আধা চা চামচ, খুব ছোট গোল লঙ্কা ৪টি, হলুদ আধা চা চামচ।

যেভাবে করবেন : মাছ ছোট ছোট টুকরো করে নুন, হলুদ, লঙ্কাগুঁড়ো ও আদা বাটা মাখিয়ে কিছুক্ষণ রেখে দিন। পরে তেল গরম করে ভেজে তুলে নিন। আলু সিদ্ধ করে খোসা ছাড়িয়ে ভেজে তুলুন। চাল ধুয়ে জলঝরিয়ে রাখুন। ডেকচিতে ঘি ঢেলে গরম মসলা, তেজপাতা ও চাল ছেড়ে একসঙ্গে নেড়েচেড়ে অল্প ভেজে চারকাপ ফুটন্ত পানি, নুন ও চিনি দিয়ে ঢেকে দিন। ফুটে উঠলে আঁচ কমিয়ে দিন। যখন চাল প্রায় সিদ্ধ হয়ে সব জলশুকিয়ে আসবে তখন ঢাকা খুলে মাছ, আলু, জয়ফল দিয়ে সাবধানে নেড়ে ওপরে কাঁচালঙ্কা দিয়ে ঢেকে খুব কম আঁচে দশ মিনিট দমে বসিয়ে রেখে নামিয়ে নিন।

৭. পনির পোলাও

উপকরণ : বাসমতি চাল ৫০০ গ্রাম, পনির ২ কাপ, পেঁয়াজ ২টি, নুন পরিমাণমতো, চিনি ১ চা চামচ, গরম মসলার গুঁড়া ১/২ চা চামচ, কিসমিস, বাদাম, পেস্তা ১/৪ কাপ, ঘি ১৫০ গ্রাম, মটরশুটি ১ কাপ, তেজপাতা ২টি।

যেভাবে রান্না করবেন : চাল আধা ঘণ্টা ভিজিয়ে রাখতে হবে। পনির কিউব করে কেটে কিসমিস, পেস্তা বাদাম বাদামি করে ভাজতে হবে। হাড়িতে ঘি গরম করে পেঁয়াজ সোনালি রঙ করে ভেজে তুলে নিতে হবে। ঘিয়ে তেজপাতা গোটা কয়েক লবঙ্গ দিয়ে মটরশুটি ও চাল ভাজতে হবে। বেশ খানিকক্ষণ ভেজে চাল ফাটতে শুরু করলে গরম জলদিতে হবে। চালের দেড় গুণ পানি, চাল তিন ভাগ সেদ্ধ হলে দমে দিয়ে কিসমিস, বাদাম, পেস্তা , গরম মসলা ও জলদিতে হবে।

৮. চিড়ার পোলাও

উপকরণ : চিড়া ৫০০ গ্রাম, আলু কুচানো ১ কাপ, মটরশুঁটি ১ কাপ, পেঁয়াজ আধা কাপ, কাঁচালঙ্কা ২ টেবিল চামচ, এলাচ ৩ থেকে ৪টি গোটা, দারুচিনি টুকরো ৩ থেকে ৪টি, চিনাবাদাম আধা কাপ, আদা কুচানো ২ টেবিল চামচ, ডিম ২টি, ঘি আধা কাপ, টমেটো কুচি আধা কাপ, নুন স্বাদমতো।

প্রস্তুত প্রণালি : প্রথমে আলু ভেজে নিন। ডিম ফেটিয়ে ঝুরি করে ভেজে নিন। চিড়া পরিষ্কার করে পানিতে ধুয়ে নিন। কড়াইতে ঘি দিন। ঘি গরম হলে পেঁয়াজ কুচি, আদা কুচি, এলাচ, দারুচিনি, কাঁচালঙ্কা, টমেটো ও মটরশুঁটি দিয়ে নাড়াচাড়া করুন। ভাজা আলু, বাদাম ও চিড়া দিয়ে একটু নেড়ে নুন দিন। একটু নেড়ে ডিম ঝুরি দিয়ে নামিয়ে নিন।

৯. জিরা পোলাও

উপকরণ: বাসমতী/কাটারিভোগ/কালিজিরা ২৫০ গ্রাম, পেঁয়াজ, স্লাইস পৌনে এক কাপ, তেল বা ঘি ১ টেবিল চামচ, জিরা ১ চা চামচ, গোললঙ্কা ৪টি, দারুচিনি ২ সেমি ১ টুকরা, এলাচ ২টি, তেজপাতা ১টি, জল২-৩ কাপ, নুন স্বাদ অনুযায়ী।

প্রণালী: চাল ধুয়ে ৩০/৪০ মিনিট পানিতে ভিজিয়ে রেখে জলঝরান। সসপ্যানে তেলে পেঁয়াজ হালকা করে ভাজুন। সব মসলা দিয়ে নাড়ুন। পেঁয়াজ সোনালি রঙের ভাজা হলে এবং মসলার ঘ্রাণ বের হলে চাল দিন। চাল ১ মিনিট ভেজে জলদিয়ে সঙ্গে সঙ্গে নাড়ুন (কালিজিরা চালে কম জলদেবেন)। এরপর নুন দিন। ফুটে উঠলে ঢেকে মৃদু আঁচে ২০-২২ মিনিট রাখুন। পরিবেশনের আগে পোলাও নেড়ে ঝরঝরে করে ডিশে নাড়তে থাকুন।

 ১০. সাদা পোলাও

উপকরণ: পোলাওয়ের চাল ১ কেজি, ঘি আধা কাপ, দারুচিনি ২ সেমি ৩ টুকরা, এলাচ ৩টি, আদা বাটা ২ চা চামচ, নুন ১ টেবিল চামচ, জলফুটানো ৭ কাপ, কেওড়াজল ২ টেবিল চামচ, পেঁয়াজ বেরেস্তা ২ টেবিল চামচ, কিশমিশ ২ টেবিল চামচ।

প্রণালী: চাল ধুয়ে জলঝরান। হাঁড়িতে ঘি দিয়ে গরম মসলা দিন। চুলায় চাপিয়ে নাড়ুন। অল্প পানিতে আদা গুলে হাঁড়িতে ছাড়ুন। নেড়ে গরম জলও নুন দিয়ে ঢাকুন। জলফুটে ওঠার সঙ্গে সঙ্গে চাল দিয়ে নাড়তে থাকুন। কয়েকবার ফুটে উঠলে কেওড়াজল দিয়ে ঢেকে দিন। সাত-আট মিনিট পরে চুলার আঁচ কমিয়ে দিন। এ সময় লক্ষ্য রাখবেন পোলাও যাতে পুড়ে না যায়। সে জন্য প্রয়োজন হলে হাঁড়ির নিচে তাওয়া বা ভারী টিন দিয়ে নেবেন। ঢাকনা দেয়ার ২০-২২ মিনিট পর পোলাও চুলা থেকে নামিয়ে রাখুন। ঢাকনা দেয়ার পরে কোনোক্রমেই ঢাকনা খুলবেন না এবং পোলাও নাড়বেন না। চুলা থেকে নামাবার পরেও আধঘণ্টার আগে ঢাকনা খুলবেন না। ডিশে বেড়ে বেরেস্তা কিশমিশ, স্লাইস করা ডিম, ছোট ছোট কোফতা, টিনের মটরশুঁটি বা মিহি ঝুরি করা আলুভাজা দিয়ে সাজাতে পারেন। পোলাও সাজাবার জন্য পেঁয়াজ বেরেস্তা খুব হালকা বাদামি করে ভাজবেন। বেরেস্তা করার সময় পেঁয়াজ সামান্য বাদামি হলেই কড়াই বা তাওয়া চুলা থেকে নামিয়ে বেরেস্তা নাড়তে থাকুন। তারপর ঘি থেকে ছেঁকে তুলে ছড়িয়ে রাখবেন।

Click here for the best in baby advice
What do you think?
100%
Wow!
0%
Like
0%
Not bad
0%
What?
scroll up icon