Link copied!
Sign in / Sign up
0
Shares

১০জন মহিলা মা হওয়ার বিষয়ে সত্যি কথা জানালেন


আপনার যদি আশু ভবিষ্যতে মা হওয়ার কোন ইচ্ছা না থাকে, তবুও হয়ত আপনি একটা ক্ষীণ ধারণা করে নিয়েছেন মাতৃত্বের বিষয়ে। তবে এই প্রত্যাশাগুলির বিষয়ে সমস্যা হল এই, যে এগুলি বাচ্চা পালন করার আসল অভিজ্ঞতার সম্পূর্ণ বিপরীত!

 

এখানে কিছু মা মেনে নিলেন যে তাঁরা একরকম ভেবেছিলেন এবং আসলে তা অন্যরকম হল।

 

১। “আমি ভেবেছিলাম যে স্তন্যপান স্বাভাবিক এবং আনন্দদায়ক হবে – যেরকম ত্রুটিহীন ও অনায়াস ভাবে তা দেখান হয়, সেরকম। কিন্তু আসলে বাচ্চার মাথা স্তনের ওপরে ভারসাম্যহীনভাবে দুলছিল, এবং প্রচুর মুশকিল হচ্ছিল তাকে সেই দুধটা খাওয়াতে, যা এত কষ্ট করে আমি তার জন্য তৈরি করছি।” – শবন, ৩২, হায়দ্রাবাদ

২। “আমার প্রত্যাশা ছিল যে আমার প্রাকৃতিক মাতৃস্বত্বা নিজে থেকেই জেগে উঠবে – কখন কি করতে হবে তা আমি আপনাআপনি বুঝে যাবো, এবং মা হিসেবে খুবই সার্থক হব। কিন্তু আসলে আমি প্রত্যেকটা সিদ্ধান্ত নিয়ে বারবার ভাবি, এবং আমার ভয় লাগে যে আমি হয়ত বাচ্চাদের ভুল পথে চালিত করছি।” – ক্রুতিকা, ২৯, মুম্বই

৩। “আমি ভেবেছিলাম যে ও বড় হওয়ার পরই মধ্যস্থতা করা একটা ঝামেলা হয়ে পরবে। আমার আশা ছিল যে আমার ছোট্ট শিশুকে যা বলব সে তা বাধ্য হয়ে শুনবে। কিন্তু আমি উপলব্ধি করলাম যে আমাকে বারবার তার সঙ্গে সমঝোতা করতে হবে খুব বাচ্চা বয়স থেকেই, এবং সামান্যতম বিষয় নিয়ে, যেমন শুতে যাওয়া বা খাওয়া বা চান করা। দুষ্টুটার সঙ্গে প্রত্যেকটা জিনিস নিয়ে সমঝোতা করতে হবে।” – ডিম্পেল, ৩৪, দিল্লী

৪। “আমি ভেবেছিলাম সব বাচ্চারাই প্রথম দু-এক সপ্তাহ পর থেকে সারারাত ঘুমানো শুরু করে। দুবছর হল, আর এই সবে আমার মেয়ে পুরো রাত ঘুমান শুরু করেছে।” – দীপিকা, ৩১, আহমেদাবাদ

৫। “আমি ভেবেছিলাম যে আমার ছেলে শুধু আমাদের কথা বলতে দেখেই উচ্চারণ করতে শিখে যাবে, কিন্তু পরে বুঝলাম যে প্রত্যেকটা বাচ্চা আলাদা গতিতে কথা বলা শেখে। বিশেষত দ্বিভাষিক বাড়িতে আরও বেশি বিভ্রান্তি হয়।” – অস্মিতা, ২৭, পুনে

৬। “আমি ভেবেছিলাম যে মাতৃত্বের সঙ্গে আমি সহজেই নিজেকে মানিয়ে নেব – সকালে ওঠা, বাচ্চাদের জামাকাপড় পরান, প্রাতরাশ বানান, তাদের সঙ্গে খেলা, ও কোনমতে তার মধ্যে রান্না করা ও ঘর পরিষ্কার রাখার জন্য সময় বের করা। আমি দুই সন্তানের মা, ও এখন আমি বুঝতে পারি যে এটা যতটা মসৃণ মনে হয় মোটেই ততটা নয়।” – পদ্মা, ৩৬, বেঙ্গালুরু

৭। “আমি বুঝতে পেরেছিলাম যে বাচ্চা হলে জীবনে কিছু অপ্রত্যাশিত বদল আসবে, কিন্তু আমি ভাবতে পারিনি যে এর থেকে আমি কতটা বদলে যাব। আমার প্রথম সন্তানের জন্মের পর থেকে আমার ধৈর্য ও সহনশীলতা অনেক বেড়েছে, যেটা আমার কর্মজীবনেও প্রভাব ফেলেছে, ও সব মিলিয়ে খুবই উপকারী প্রমাণিত হয়েছে।” – আরতি, ৩৩, চেন্নাই

৮। “আমি ভেবেছিলাম যে জন্ম দেওয়ার পরের মুহূর্ত থেকেই আমি মাতৃত্বের ভাবকে ভালবাসাতে শিখব, কারণ চলচ্চিত্রে এরকমই দেখিয়ে থাকে। কিন্তু এটা কখনও দেখান হয় না যে পোস্টপার্টাম ডিপ্রেসান (বাচ্চার জন্ম দেওয়ার পর বিষণ্ণতার ভাব) নতুন মায়েদের ওপর কি রকম প্রভাব ফেলে। মাঝে মাঝে আমার এও মনে হয় যে আমার মা হওয়ার সিদ্ধান্ত এক বিশাল ভুল ছিল।” – দেবস্মিতা, ৩২, কোলকাতা

৯। “আমি ভেবেছিলাম আমি জন্ম দেওয়ার পর ছয় থেকে আট সপ্তাহের মধ্যে আমার আগের মত শরীরের গঠন ফেরত পেয়ে যাব। আমার ১৫ মাস লাগে শারীরিক স্বাচ্ছন্দ্য ফিরে পেতে।” – চেতনা, ৩৩, জয়পুর

১০। “আমি জানতাম যে সব বাচ্চাদের স্বভাব ও ব্যবহার এক হয়, এবং অন্তত কিছু বছর বয়স না হলে তফাৎ বোঝা যায় না। এখন দেখছি যে আমার ৩ বছর বয়েসের ছেলের শান্ত স্বভাব তার জন্ম থেকেই ছিল, কারণ সে খুবই ধৈর্যশীল ও একদমই ছিঁচকাঁদুনে নয়।” – পূর্ণিমা, ৩৩, নাসিক

Click here for the best in baby advice
What do you think?
0%
Wow!
0%
Like
0%
Not bad
0%
What?
scroll up icon