Link copied!
Sign in / Sign up
11
Shares

১০টি জিনিস যা আপনি শুধুমাত্র একটি সাধারণ ডেলিভারিতে পেতে পারেন


১. আপনার ভাবনার তুলনায় বেশী

সন্তানের জন্মের একটি বিশেষ বৈশিষ্ট্য হল যে আপনি সন্তানকে জন্ম দেওয়ার পর অমরা অর্থাৎ প্লাসেন্টাটিকেও শরীর থেকে বের করতে যাচ্ছেন। সন্তান জন্ম হলেই যে আপনার শরীর ভারমুক্ত হল তা নয়, যতগুলি প্লাসেন্টা শরীরের ভেতর আছে, সবকটিকেই শরীর থেকে বের করতে হয়। একবার শিশুটি বেরিয়ে যাওয়ার পরেও চিকিৎসক আপনাকে আরো একবার নিঃশাস ফেলে চাপ দিতে বলেন যাতে প্লাসেন্টা বেরোতে পারে। শুনতে অদ্ভুত লাগবে যে এতকিছুর পরেও যখন আপনার যোনি থেকে একটি শিশু বেরিয়ে আসে তা পুরোপুরি একটি ছোট কেকের টুকরোর মতোই দেখতে লাগে।

২. জরায়ু অংশে মালিশ

আপনার জরায়ুকে সঠিকভাবে সংকোচিত করার জন্যে এবং যাতে আপনি বেশী রক্তপাত না করেন, সেবিকারা নিয়মিতভাবে আপনাকে গর্ভাশয়ে মালিশ প্রদান করতে পারে। আপনি হয়তো মালিশ কথাটি শুনে আরামদায়ক কোনো অনুভূতির কথা ভাবছেন, বাস্তবে তা হয়না। এটি রীতিমত অস্বস্তিকর এবং বেদনাদায়ক হতে পারে কারণ এই মালিশ ঘায়ের ও সৃষ্টি করতে পারে। কিন্তু দুর্ভাগ্যক্রমে, এই মালিশ প্রসবের সময় প্রয়োজনীযা।

৩. সেলাই

আপনার ধারণা অনুযায়ী যতটা আপনি ভেবে থাকেন, তার চেয়ে অধিক পরিমানে আপনার যৌনাঙ্গ কেটে যাওয়ার সম্ভাবনা থাকতে পারে। এটা খুব সম্ভব যে আপনি। এতো বিশেষ করে হয় যখন আপনি প্রসবের সময় শিশুর ওপর নিঃশাস দিয়ে ধাক্কা দেন। এরকম হলে সেই অংশ গুলিতে স্বাভাবিক ভাবেই সেলাই পরা প্রয়োজন হয়ে ওঠে এবং এগুলিতে ছোটোখাটো ঘা ও হতে পারে।

৪. খানিক্ষন ছাড়া স্রাব বেরোনো

দীর্ঘ ৯ মাস ধরে গর্ভধারণ করার ফলে মাসিক বন্ধ থাকে। কাজেই সন্তান প্রসব এবং প্লাসেন্টা বেরিয়ে গেলেই যে আপনি নিস্তার পেতে পারেন, তা নয়। একটি প্রসবের পরের মুহূর্তেই শুরু হয় খানিক্ষন বাদে বাদেই স্রাব নির্গমন হয়। এটি আরেকটি অসুস্তিকর শারীরিক সমস্যা যা কিছুদিন আপনাকে সহ্য করতে হবে।

৫. যৌনাঙ্গ পরিষ্কার রাখা ও যত্ন করা

প্রসবকালীন অবস্থায় আপনি যে স্টিচ এবং ট্রমার মুখোমুখি হয়েছেন, তার জন্যে পরবর্তী ক্ষেত্রে আপনার যেটা করা প্রয়োজন সেটি হল ভালভাবে যৌনাঙ্গের যত্ন করা। এমনকি,ভালভাবে জেনে নেওয়া প্রয়োজন যে সেলাই করা অংশগুলি কিভাবে পরিষ্কার করা উচিত যাতে সেটি তাড়াতাড়ি সেরে ওঠে।

৬. প্রসবের সময় পরিশ্রান্ত হয়ে পড়া

প্রসবের মুহূর্তে এতখানি ধকল সহ্য করতে করতে পরিশ্রান্ত হয়ে যাওয়ার একটি কঠোর সম্ভাবনা থাকে কারণ একটি প্রাণ আপনার শরীর থেকে বেরোতে চলেছে যার জন্যে আপনাকে অধিক চাপ সৃষ্টি করতে হয় যৌনাঙ্গ জনিত অংশে। আপনার জন্যে শিশু জন্ম কখনোই একটি ছোট ব্যাপার নয়।

৭. প্রসবের পরে পরিশ্রান্ত বোধ করা

প্রসবের পরে পরিশ্রান্ত বোধ করা আরো ভয়াবহ। আপনার মনে হবে যে একটি ভুল পদক্ষেপ নিলেই সব কিছু শেষ হয়ে যেতে পারে। এছাড়া মানসিক ভাবে পরিশ্রান্ত বোধ করা তো আরোই স্বাভাবিক।

৮. স্বামীকে কিছুদিন বিরক্ত করা

জন্ম দেওয়ার পরে আপনি কিছুদিন আপনার স্বামীকে বিরক্ত করতে পারেন আপনার বাচ্চা যদি তার মতো দেখতে না হয় এবং ধীরে ধীরে এটি আরো বাড়বে। স্বামীকে ভালোবাসা খুবই স্বাভাবিক কিন্তু এটিও ভোলা যায়না যে আপনিও তার সুখের জন্যে একটি প্রাণকে জন্ম দিয়েছেন যেটা কোনো ছোট ব্যাপার নয়।

৯. নিজের মধ্যে পরিবর্তন অনুভব করা

একটি প্রাণ যৌনাঙ্গের মধ্যে দিয়ে বেরোনো মানে যোনিতে এক আমল পরিবর্তন আসে। আপনি আগের থেকে নিজেকে অন্যরকম অনুভব করবেন। শুধু তাই নয়, এই পরিবর্তন একের পর এক করে গর্ভাবস্থা কেটে যাওয়ার পর অবধিও লক্ষ করা যায়।

১০. দুঃখিত না হয়ে সাবধানতা অবলম্বন করা

আপনাকে কিছু সময়ের জন্য ডিজাইনার শীট অথবা প্লাস্টিক শীটের ওপর শুতে হতে পারে কারণ এই সময় প্রচুর পরিমানে রক্তপাত হতে পারে। যেসব মহিলাদের রক্তের ওপর ভয় বা ঘৃণা থাকে, তাদের জন্যে এই সময় সবকিছুই স্বাভাবিক হয়ে যায়।

সর্বোপরি, আপনি কয়েক মাস বা সপ্তাহের মধ্যে সবকিছুই কাটিয়ে উঠতে পারেন কারণ সব শেষে, আপনার কাছে এখন একটি ছোট্ট দানব আছে যা আপনার সব। আপনার বাচ্চার জন্য যে ভালবাসা রয়েছে তা এতটাই প্রবল হয় যে আপনি তার জন্যে আরো বেশি কিছু করতেও পিছাতে পারবেননা। 

Click here for the best in baby advice
What do you think?
0%
Wow!
0%
Like
0%
Not bad
0%
What?
scroll up icon